ঢাকা   বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬
আত্রাই বার্তা

আত্রাই বার্তা

সর্বশেষ

বৈদ্যুতিক স্কুল বাস আমদানিতে শুল্ক মওকুফের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার: এনবিআর চেয়ারম্যান

জ্বালানি সাশ্রয় ও শিক্ষা খাতের উন্নয়নে স্কুলের জন্য ব্যবহৃত বৈদ্যুতিক বাস আমদানিতে শুল্ক মওকুফের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান আবদুর রহমান খান এ ঘোষণা দেন।এনবিআর কার্যালয়ে পরিবহন খাতের একাধিক সংগঠনের সঙ্গে প্রাক-বাজেট পরামর্শ সভায় তিনি বলেন, গণপরিবহনে জ্বালানি খরচ কমানোর বৃহত্তর পরিকল্পনার অংশ হিসেবে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।তিনি বলেন, পরিবহন খাতে জ্বালানির ব্যবহার কমাতে চায় সরকার। প্রথম ধাপ হিসেবে শিক্ষার্থীদের জন্য ব্যবহৃত বৈদ্যুতিক স্কুল বাস আমদানিতে শুল্ক শূন্যে নামানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি আরও জানান, আসন্ন জাতীয় বাজেটের জন্য অপেক্ষা না করেই এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হবে।এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, ইভি (বৈদ্যুতিক যানবাহন) খাতে বাজেটে অনেক পরিবর্তন আসবে, তবে এই উদ্যোগের জন্য আমরা অপেক্ষা করব না। খুব শিগগিরই শুল্ক অব্যাহতি দিতে এসআরও জারি করা হবে।

যাদের কাজ নেই, তারাই কেবল এ যন্ত্রণা বোঝে: দেব

দিনাজপুরের খানসামা উপজেলায় স্থানীয়ভাবে উদ্ভাবিত লাগসই প্রযুক্তির ব্যবহার ও সম্প্রসারণ নিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে এক দিনব্যাপী সেমিনার ও প্রদর্শনী। প্রযুক্তিকে সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে এ আয়োজনকে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।রবিবার (৫ এপ্রিল) উপজেলা প্রশাসন ও বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদের যৌথ উদ্যোগে উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্স হলরুমে এ সেমিনার ও প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়।উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ কামরুজ্জামান সরকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ও আলোচকরা স্থানীয় উদ্ভাবনকে কাজে লাগিয়ে টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। এ সময় বক্তব্য দেন বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদের সিনিয়র সায়েন্টিফিক অফিসার ড. মোঃ রাকিবুল হাসান, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ইয়াসমিন আক্তার, খানসামা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল বাছেত সরকার, ভাবকী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রবিউল আলম তুহিনসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, সাংবাদিক ও সুধীজন।সেমিনারে বক্তারা বলেন, স্থানীয় পর্যায়ে উদ্ভাবিত প্রযুক্তির যথাযথ ব্যবহার ও প্রসার ঘটাতে পারলে গ্রামীণ জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন সম্ভব। পাশাপাশি প্রযুক্তিনির্ভর উদ্ভাবনকে আরও এগিয়ে নিতে সরকারি-বেসরকারি সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরা হয়।এদিকে প্রদর্শনীতে ৯টি স্টলে বিভিন্ন সরকারি দপ্তর তাদের উদ্ভাবনী কার্যক্রম ও প্রযুক্তি উপস্থাপন করে। এসব স্টল ঘুরে দেখে দর্শনার্থীরা নতুন নতুন প্রযুক্তি সম্পর্কে ধারণা লাভ করেন এবং ব্যাপক আগ্রহ প্রকাশ করেন।সার্বিকভাবে, এ আয়োজন খানসামায় প্রযুক্তিনির্ভর উন্নয়ন ভাবনায় নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দিয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আবারও রাজপালের পাশে সালমান

দিনাজপুরের খানসামা উপজেলায় স্থানীয়ভাবে উদ্ভাবিত লাগসই প্রযুক্তির ব্যবহার ও সম্প্রসারণ নিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে এক দিনব্যাপী সেমিনার ও প্রদর্শনী। প্রযুক্তিকে সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে এ আয়োজনকে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।রবিবার (৫ এপ্রিল) উপজেলা প্রশাসন ও বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদের যৌথ উদ্যোগে উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্স হলরুমে এ সেমিনার ও প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়।উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ কামরুজ্জামান সরকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ও আলোচকরা স্থানীয় উদ্ভাবনকে কাজে লাগিয়ে টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। এ সময় বক্তব্য দেন বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদের সিনিয়র সায়েন্টিফিক অফিসার ড. মোঃ রাকিবুল হাসান, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ইয়াসমিন আক্তার, খানসামা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল বাছেত সরকার, ভাবকী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রবিউল আলম তুহিনসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, সাংবাদিক ও সুধীজন।সেমিনারে বক্তারা বলেন, স্থানীয় পর্যায়ে উদ্ভাবিত প্রযুক্তির যথাযথ ব্যবহার ও প্রসার ঘটাতে পারলে গ্রামীণ জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন সম্ভব। পাশাপাশি প্রযুক্তিনির্ভর উদ্ভাবনকে আরও এগিয়ে নিতে সরকারি-বেসরকারি সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরা হয়।এদিকে প্রদর্শনীতে ৯টি স্টলে বিভিন্ন সরকারি দপ্তর তাদের উদ্ভাবনী কার্যক্রম ও প্রযুক্তি উপস্থাপন করে। এসব স্টল ঘুরে দেখে দর্শনার্থীরা নতুন নতুন প্রযুক্তি সম্পর্কে ধারণা লাভ করেন এবং ব্যাপক আগ্রহ প্রকাশ করেন।সার্বিকভাবে, এ আয়োজন খানসামায় প্রযুক্তিনির্ভর উন্নয়ন ভাবনায় নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দিয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

‘যুদ্ধবিরতির’ মাঝেই উপসাগরীয় দেশগুলোতে সতর্কতা জারি

দিনাজপুরের খানসামা উপজেলায় স্থানীয়ভাবে উদ্ভাবিত লাগসই প্রযুক্তির ব্যবহার ও সম্প্রসারণ নিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে এক দিনব্যাপী সেমিনার ও প্রদর্শনী। প্রযুক্তিকে সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে এ আয়োজনকে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।রবিবার (৫ এপ্রিল) উপজেলা প্রশাসন ও বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদের যৌথ উদ্যোগে উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্স হলরুমে এ সেমিনার ও প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়।উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ কামরুজ্জামান সরকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ও আলোচকরা স্থানীয় উদ্ভাবনকে কাজে লাগিয়ে টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। এ সময় বক্তব্য দেন বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদের সিনিয়র সায়েন্টিফিক অফিসার ড. মোঃ রাকিবুল হাসান, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ইয়াসমিন আক্তার, খানসামা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল বাছেত সরকার, ভাবকী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রবিউল আলম তুহিনসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, সাংবাদিক ও সুধীজন।সেমিনারে বক্তারা বলেন, স্থানীয় পর্যায়ে উদ্ভাবিত প্রযুক্তির যথাযথ ব্যবহার ও প্রসার ঘটাতে পারলে গ্রামীণ জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন সম্ভব। পাশাপাশি প্রযুক্তিনির্ভর উদ্ভাবনকে আরও এগিয়ে নিতে সরকারি-বেসরকারি সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরা হয়।এদিকে প্রদর্শনীতে ৯টি স্টলে বিভিন্ন সরকারি দপ্তর তাদের উদ্ভাবনী কার্যক্রম ও প্রযুক্তি উপস্থাপন করে। এসব স্টল ঘুরে দেখে দর্শনার্থীরা নতুন নতুন প্রযুক্তি সম্পর্কে ধারণা লাভ করেন এবং ব্যাপক আগ্রহ প্রকাশ করেন।সার্বিকভাবে, এ আয়োজন খানসামায় প্রযুক্তিনির্ভর উন্নয়ন ভাবনায় নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দিয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সবাইকে কাঁদিয়ে না ফেরার দেশে চলে গেলেন মাওলানা আবদুল খালেক  জানাজায় শোকার্ত মানুষের ঢল

সবাইকে কাঁদিয়ে না ফেরার দেশে চলে গেলেন মাওলানা আবদুল খালেক জানাজায় শোকার্ত মানুষের ঢল

অফিস সময়ে তালাবদ্ধ ইউনিয়ন পরিষদ,উড়ছে জাতীয় পতাকা—নেই কর্মকর্তা-কর্মচারী

অফিস সময়ে তালাবদ্ধ ইউনিয়ন পরিষদ,উড়ছে জাতীয় পতাকা—নেই কর্মকর্তা-কর্মচারী

মানবিকতায় এগিয়ে ‘গো ফ্যাভলো ফাউন্ডেশন'

মানবিকতায় এগিয়ে ‘গো ফ্যাভলো ফাউন্ডেশন'

নীলফামারী জেলার ৪ জন এমপির  সংবর্ধনা ঈদ উৎসব ও মনোজ্ঞ সংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

নীলফামারী জেলার ৪ জন এমপির সংবর্ধনা ঈদ উৎসব ও মনোজ্ঞ সংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

খানসামায় রক্তরেখা ব্লাড ব্যাংকের উদ্যোগে ২৩৯ কপি কুরআন মাজিদ বিতরণ কর্মসূচী ২০২৫ অনুষ্ঠিত ।

খানসামায় রক্তরেখা ব্লাড ব্যাংকের উদ্যোগে ২৩৯ কপি কুরআন মাজিদ বিতরণ কর্মসূচী ২০২৫ অনুষ্ঠিত ।

সৈয়দপুরে বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

সৈয়দপুরে বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

ঈদের আনন্দের ভিড়ে এক পরিবারের নীরব কান্না: রাতের আঁধারে চুরি গেল জীবিকার একমাত্র ভ্যান

ঈদের আনন্দের ভিড়ে এক পরিবারের নীরব কান্না: রাতের আঁধারে চুরি গেল জীবিকার একমাত্র ভ্যান

কদমতলীতে যুবদল নেতাকর্মীদের বিক্ষোভ ও পিকেটিং

কদমতলীতে যুবদল নেতাকর্মীদের বিক্ষোভ ও পিকেটিং

ঈদযাত্রায় কমলাপুরে বাড়ছে চাপ, প্রতিদিন ৬৫ হাজার যাত্রী

ঈদযাত্রায় কমলাপুরে বাড়ছে চাপ, প্রতিদিন ৬৫ হাজার যাত্রী

‎খানসামা উপজেলায় আরাফারত রহমান কোকো ক্রীয়া সংসদ এর  আহ্বায়ক  কমিটি গঠন

‎খানসামা উপজেলায় আরাফারত রহমান কোকো ক্রীয়া সংসদ এর আহ্বায়ক কমিটি গঠন

কালীগঞ্জে এসএসসি/দাখিল পরীক্ষা সুষ্ঠু ও নকলমুক্ত করতে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত

কালীগঞ্জে এসএসসি/দাখিল পরীক্ষা সুষ্ঠু ও নকলমুক্ত করতে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত

বৈদ্যুতিক স্কুল বাস আমদানিতে শুল্ক মওকুফের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার: এনবিআর চেয়ারম্যান

বৈদ্যুতিক স্কুল বাস আমদানিতে শুল্ক মওকুফের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার: এনবিআর চেয়ারম্যান

আজকের স্বর্ণের দাম: ০৮ এপ্রিল ২০২৬

আজকের স্বর্ণের দাম: ০৮ এপ্রিল ২০২৬

সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের অধীনে চাকরি

সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের অধীনে চাকরি

যাদের কাজ নেই, তারাই কেবল এ যন্ত্রণা বোঝে: দেব

যাদের কাজ নেই, তারাই কেবল এ যন্ত্রণা বোঝে: দেব

আবারও রাজপালের পাশে সালমান

আবারও রাজপালের পাশে সালমান

‘যুদ্ধবিরতির’ মাঝেই উপসাগরীয় দেশগুলোতে সতর্কতা জারি

‘যুদ্ধবিরতির’ মাঝেই উপসাগরীয় দেশগুলোতে সতর্কতা জারি

গাজীপুরের ন্যায্য প্রতিনিধিত্বের দাবি: মন্ত্রিপরিষদে একজন যোগ্য নেতার প্রত্যাশা

গাজীপুরের ন্যায্য প্রতিনিধিত্বের দাবি: মন্ত্রিপরিষদে একজন যোগ্য নেতার প্রত্যাশা

চিতলমারীতে নবাগত ইউএনও’র সঙ্গে উপজেলা বিএনপির সৌজন্য সাক্ষাৎ

চিতলমারীতে নবাগত ইউএনও’র সঙ্গে উপজেলা বিএনপির সৌজন্য সাক্ষাৎ

কালীগঞ্জে এলপিজি প্ল্যান্টে অভিযান, বিএম এনার্জিকে ৩ লাখ টাকা জরিমানা

কালীগঞ্জে এলপিজি প্ল্যান্টে অভিযান, বিএম এনার্জিকে ৩ লাখ টাকা জরিমানা

কোন ভিডিও নেই !
কোন ভিডিও নেই !

‘যুদ্ধবিরতির’ মাঝেই উপসাগরীয় দেশগুলোতে সতর্কতা জারি

যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে দুই সপ্তাহের সাময়িক যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পরপরই মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি নাটকীয় মোড় নিয়েছে। একদিকে শান্তির আশা জাগলেও অন্যদিকে কুয়েত, বাহরাইন, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ উপসাগরীয় দেশগুলোতে একযোগে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে এবং সক্রিয় করা হয়েছে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা।কুয়েত: দেশটির সেনাবাহিনী জানিয়েছে, তারা আকাশসীমায় অনুপ্রবেশ করা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা প্রতিহত করছে।বাহরাইন: স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দেশজুড়ে সতর্ক সংকেত (সাইরেন) বাজিয়েছে। সাধারণ মানুষকে দ্রুত কাছের নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার জন্য জরুরি নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।সৌদি আরব: দেশটির বেসামরিক প্রতিরক্ষা বিভাগ রাজধানী রিয়াদ ও পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশে আগাম সতর্কতা জারি করেছে। সম্ভাব্য বড় ধরনের বিপদের আশঙ্কায় নাগরিকদের সতর্ক করা হয়েছে।কাতার: স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বর্তমানে নিরাপত্তা হুমকির মাত্রা অত্যন্ত ‘উচ্চ’। জনসাধারণকে ঘরের বাইরে বের না হয়ে ভেতরে অবস্থানের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।কেন এই সতর্কতা, যদিও ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইরান দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে, তবে মাঠপর্যায়ে এখনো চরম অস্থিরতা বিরাজ করছে। বিশেষ করে ইরানের মিত্র সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর অবস্থান এবং ইসরায়েলি বাহিনীর চূড়ান্ত নির্দেশ না পাওয়ার বিষয়টি এই অনিশ্চয়তা বাড়িয়ে দিয়েছে।উপসাগরীয় দেশগুলোর প্রায় ‘একযোগে’ সতর্কতা জারির ঘটনা ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, তারা বড় ধরনের কোনো প্রক্সি হামলা বা কারিগরি ত্রুটির কারণে সৃষ্ট মিসাইল আক্রমণের আশঙ্কা করছে। যুদ্ধবিরতির শর্ত অনুযায়ী ইরানকে হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে হবে, তবে সেই প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার আগেই এই নতুন সতর্কবার্তায় বিশ্ববাজারে আবারও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।

বৈদ্যুতিক স্কুল বাস আমদানিতে শুল্ক মওকুফের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার: এনবিআর চেয়ারম্যান

জ্বালানি সাশ্রয় ও শিক্ষা খাতের উন্নয়নে স্কুলের জন্য ব্যবহৃত বৈদ্যুতিক বাস আমদানিতে শুল্ক মওকুফের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান আবদুর রহমান খান এ ঘোষণা দেন।এনবিআর কার্যালয়ে পরিবহন খাতের একাধিক সংগঠনের সঙ্গে প্রাক-বাজেট পরামর্শ সভায় তিনি বলেন, গণপরিবহনে জ্বালানি খরচ কমানোর বৃহত্তর পরিকল্পনার অংশ হিসেবে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।তিনি বলেন, পরিবহন খাতে জ্বালানির ব্যবহার কমাতে চায় সরকার। প্রথম ধাপ হিসেবে শিক্ষার্থীদের জন্য ব্যবহৃত বৈদ্যুতিক স্কুল বাস আমদানিতে শুল্ক শূন্যে নামানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি আরও জানান, আসন্ন জাতীয় বাজেটের জন্য অপেক্ষা না করেই এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হবে।এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, ইভি (বৈদ্যুতিক যানবাহন) খাতে বাজেটে অনেক পরিবর্তন আসবে, তবে এই উদ্যোগের জন্য আমরা অপেক্ষা করব না। খুব শিগগিরই শুল্ক অব্যাহতি দিতে এসআরও জারি করা হবে।

সব বিভাগের খবর

এক দিনে ৮৭ হাজার লিটার তেল উদ্ধার, ৯ লাখ টাকা জরিমানা

জ্বালানি তেলের অবৈধ মজুত উদ্ধারে গতকাল সোমবার সারা দেশে ৩৯১টি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেছে প্রশাসন। এ সময় ৮৭ হাজার ৭০০ লিটার তেল উদ্ধার করা হয়। এসব অভিযানে ১৯১টি মামলা এবং ৯ লাখ ৩৫ হাজার ৭০ টাকা জরিমানা করা হয়।আজ মঙ্গলবার সচিবালয়ে দেশের সার্বিক জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানান জ্বালানি বিভাগের যুগ্ম সচিব মনির হোসেন চৌধুরী।মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এদিন সাতক্ষীরা জেলায় একজনকে দুই মাসের, চাঁদপুর জেলায় একজনকে এক বছর ও গাজীপুর জেলায় একজনকে এক মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।৬৪ জেলায় উদ্ধার হওয়া অবৈধভাবে মজুত ৮৭ হাজার ৭০০ লিটারের মধ্যে ডিজেল ৬৭ হাজার ৪০০ লিটার, অকটেন ৬ হাজার ৪৪৪ লিটার ও পেট্রল ১৩ হাজার ৮৫৬ লিটার।সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ৩ মার্চ থেকে ৩০ মার্চ পর্যন্ত ২ লাখ ৯৬ হাজার ৩০৫ লিটার জ্বালানি তেল উদ্ধার করা হয়েছে। আর সরকারি সংরক্ষণাগারে পেট্রল, অকটেন ও ডিজেল মিলিয়ে বিপণন উপযোগী ১ লাখ ৫০ হাজার লিটার তেলের মজুত রয়েছে।এদিকে তেলের পর্যাপ্ত বরাদ্দ না পেয়ে পাম্পগুলো তেলশূন্য হয়ে পড়ছে বলে অভিযোগ করেছে পেট্রলপাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন। আজ মঙ্গলবার রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে তাদের দাবির সত্যতা পাওয়া গেছে।অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে সরকার ও জনগণের প্রতি কিছু সুপারিশ ও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে, বাস্তবতার নিরিখে সামঞ্জস্যপূর্ণ তেল সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে। পেট্রলপাম্পে ট্যাংকশূন্য অবস্থায় তেল নিতে ক্রেতাদের হুমড়ি খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। পেট্রলপাম্পে তেল বিক্রির সময়সীমা সকাল ৭টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত নির্ধারণ করতে হবে। উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে সব পেট্রলপাম্পে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা জোরদার করতে হবে। ডিপো থেকে ট্যাংক লরির চেম্বারের ধারণক্ষমতা (যেমন ৪৫০০ লিটার) অনুযায়ী তেল সরবরাহ করতে হবে। আর তা না হলে পরিবহন খরচ বেড়ে যাবে।

অবৈধ ট্রাভেল এজেন্সির বিরুদ্ধে শিগগিরই আইনি ব্যবস্থা নেবে সরকার

নিবন্ধন সনদ নবায়ন ছাড়া ব্যবসা পরিচালনাকারী ট্রাভেল এজেন্সির বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়।আজ মঙ্গলবার প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে মন্ত্রণালয় জানায়, মেয়াদোত্তীর্ণ ট্রাভেল এজেন্সিগুলো নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিবন্ধন নবায়ন না করায় সরকার রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে দ্রুত নিবন্ধন নবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলোকে জরুরি ভিত্তিতে আবেদন করার আহ্বান জানানো হয়েছে।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ ট্রাভেল এজেন্সি (নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ) আইন ২০১৩, এর সংশোধিত ২০২১ সালের আইন এবং ২০২২ সালের বিধিমালা অনুযায়ী, বৈধ নিবন্ধন সনদ ছাড়া কোনো ট্রাভেল এজেন্সির ব্যবসা পরিচালনা আইনসিদ্ধ নয়।বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় আরও জানায়, অনলাইন ট্রাভেল এজেন্সি ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের মাধ্যমে নিবন্ধন নবায়নের সুযোগ রয়েছে। তাই যেসব এজেন্সির নিবন্ধন মেয়াদোত্তীর্ণ হয়েছে, তাদের আগামী ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে নবায়ন সম্পন্ন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিবন্ধন নবায়ন না করলে অবৈধভাবে পরিচালিত সব ট্রাভেল এজেন্সির বিরুদ্ধে শিগগিরই আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও সতর্ক করেছে মন্ত্রণালয়।

দেশে মজুত আছে ১ লাখ ৯২ হাজার ৯১৯ টন তেল: জ্বালানি বিভাগ

দেশে বর্তমানে ১ লাখ ৯২ হাজার ৯১৯ টন জ্বালানি তেল মজুত রয়েছে বলে জানিয়েছে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ। আজ মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুপুরে সচিবালয়ে জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে মজুতের ৩০ মার্চ পর্যন্ত হিসাব তুলে ধরেছেন বিভাগের মুখপাত্র মনির হোসেন চৌধুরী।মুখপাত্র আরও জানান, দেশে বর্তমান মজুত ১ লাখ ৯২ হাজার ৯১৯ টন জ্বালানি তেলের মধ্যে ডিজেল রয়েছে ১ লাখ ২৮ হাজার ৯৩৯ টন, অকটেন ৭ হাজার ৯৪০ টন, পেট্রল ১১ হাজার ৪৩১ টন ও জেট ফুয়েল রয়েছে ৪৪ হাজার ৬০৯ টন।এই জ্বালানি তেল দিয়ে আগামী ১৫ থেকে ১৬ দিন পর্যন্ত দেশের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব বলে জানান মনির হোসেন চৌধুরী। তিনি আরও বলেন, ‘এপ্রিল মাসে আরও প্রায় দেড় লাখ মেট্রিক টন ডিজেল দেশে আসবে। ফলে আগামী মাসেও জ্বালানি সংকটের কোনো আশঙ্কা নেই।’অকটেন ও পেট্রোলের ব্যবহার তুলনামূলক কম উল্লেখ করে জ্বালানি বিভাগের মুখপাত্র বলেন, দেশের মোট জ্বালানি চাহিদার প্রায় ৬৩ শতাংশই ডিজেল, যা মূলত কৃষি সেচ ও গণপরিবহনে ব্যবহৃত হয়।মনির হোসেন চৌধুরী আরও জানান, জ্বালানি সাশ্রয়ে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ বিবেচনা করছে। এর মধ্যে সাপ্তাহিক ছুটি বাড়ানো, অফিস সময় কমানো এবং অনলাইন ক্লাস চালুর মতো পদক্ষেপও আলোচনায় রয়েছে।এছাড়াও মনির হোসেন জানান, আজ বিশ্ববাজারের সঙ্গে সমন্বয় রেখে প্রতিমাসের মতো জ্বালানি তেলের নতুন দাম ঘোষণা করা হতে পারে। তবে বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়েই সরকার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে বলে উল্লেখ করেন তিনি।মনির হোসেন আশ্বস্ত করে বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সরকার প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়ে কাজ করছে।এর আগে গতকাল সোমবার জাতীয় সংসদে ৩০০ বিধিতে দেওয়া বিবৃতিতে জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, বর্তমানে ডিজেলের বিক্রয়মূল্য প্রতি লিটার ১০০ টাকা, অথচ আমাদের প্রকৃত ব্যয় প্রতি লিটার ১৯৮ টাকা। একইভাবে অকটেনের বিক্রয়মূল্য প্রতি লিটার ১২০ টাকা আর প্রকৃত ব্যয় ১৫০ টাকা ৭২ পয়সা।তিনি আরও জানান, গত ফেব্রুয়ারির আন্তর্জাতিক বাজারে ডিজেলের গড় দরের তুলনায় ১-২৯ মার্চ ২০২৬ সময়ে ৯৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে এবং অকটেনের বৃদ্ধি পেয়েছে ২৬ শতাংশ। সরকার জনগণের স্বার্থে উল্লেখযোগ্য ভর্তুকি দিচ্ছে। এই দুটি জ্বালানি তেলের ক্ষেত্রে মার্চ-জুন প্রান্তিকে মোট ভর্তুকির প্রয়োজন হবে ডিজেলের ক্ষেত্রে ১৫ হাজার ৪০৯ কোটি টাকা এবং অকটেনের ক্ষেত্রে ৬৩৬ কোটি টাকা, মোট ১৬ হাজার ৪৫ কোটি টাকা।এছাড়া, পেট্রোবাংলার মাধ্যমে এলএনজি আমদানির জন্য এপ্রিল-জুন প্রান্তিকে ১৫ হাজার ৭৭ কোটি টাকা ভর্তুকির প্রয়োজন হবে বলে জানান মন্ত্রী।

স্বর্ণের সঙ্গে রুপার দামেও পতন, ভরি কত?

দেশের বাজারে স্বর্ণের সঙ্গে আরেক দফা কমানো হয়েছে রুপার দাম। ভরিতে ৩৫০ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম এবার ৫ হাজার ৭১৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আজ সকাল ১০টা থেকেই নতুন এ দাম কার্যকর হবে।বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এতে বলা হয়েছে, স্থানীয় বাজারে রুপার দাম কমায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।নতুন দাম অনুযায়ী, প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের রুপার দাম ৫ হাজার ৭১৫ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৫ হাজার ৪৮২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ৬৬৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ৩ হাজার ৪৯৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।এর আগে সবশেষ গত ১৪ মার্চ সমন্বয় করা হয়েছিল রুপার দাম। সে সময় ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ২৯২ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৬ হাজার ৬৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়।এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৫ হাজার ৭৭৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ৯৫৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ৩ হাজার ৭৩২ টাকা নির্ধারণ করা হয়। যা সেদিন সকাল ১০টা থেকেই কার্যকর হয়।চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ২৮ দফা সমন্বয় করা হয়েছে রুপার দাম। যেখানে ১৬ দফা বাড়ানো হয়েছে এবং কমানো হয়েছে ১২ দফা। ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ১৩ বার সমন্বয় করা হয় রুপার দাম। যার মধ্যে ১০ বার বেড়েছিল, আর মাত্র ৩ বার কমেছিল।

দাম বাড়ল জেট ফুয়েলের

বাংলাদেশও জেট ফুয়েলের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। এক ধাক্কায় প্রায় ৮০ শতাংশ দাম বাড়ানো হয়েছে।মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) নতুন এ মূল্য ঘোষণা করে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন।জানা গেছে, তেলের দাম বাড়াতে আজ (মঙ্গলবার) জুমে জরুরি সভা করে বিইআরসি। এতে পদ্মা অয়েল, বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনসহ (বিপিসি) বিইআরসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।অভ্যন্তরীণ রুটে ফ্লাইটের জন্য প্রতি লিটার জেট ফুয়েলের দাম ১১২ টাকা ৪১ পয়সা থেকে এক লাফে ২০২ টাকা ২৯ পয়সা করা হয়েছে। অর্থাৎ লিটারপ্রতি দাম বাড়ানো হয়েছে ৮৯ টাকা ৮৮ পয়সা বা ৮০ শতাংশ। এছাড়া আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের জন্য প্রতি লিটার ফুয়েলের দাম ০.৭৩৮৪ ডলার থেকে বাড়িয়ে ১.৩২১৬ ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে। দর বৃদ্ধির হার প্রায় ৭৯ শতাংশ।

আজকের মুদ্রার রেট: ২৫ মার্চ ২০২৬

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারিত হচ্ছে। দেশের কোটি মানুষ আছেন প্রবাসে। বিশ্বে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা বাংলাদেশিদের পাঠানো অর্থে সচল রয়েছে দেশের অর্থনীতির চাকা। প্রবাসীদের লেনদেনের সুবিধার্থে আজকের (২৫ মার্চ, ২০২৫) মুদ্রার বিনিময় হার তুলে ধরা হলো।বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুসারে, বুধবার দেশের মুদ্রা বাজারে ডলার কেনার দাম ধরা হচ্ছে ১২২.৭৫ টাকা। বিক্রির দাম ১২২.৭৫ টাকা। গড় বিনিময় হার ১২২ টাকা ৭৫ টাকা। ইউরো কেনার ক্ষেত্রে দাম ধরা হয়েছে ১৪২ টাকা ৪৭ পয়সা এবং বিক্রির ক্ষেত্রে দাম ধরা হয়েছে ১৪২ টাকা ৪৮ পয়সা। মুদ্রার বিনিময় হার পরিবর্তন হতে পারে।*

কালীগঞ্জে এসএসসি/দাখিল পরীক্ষা সুষ্ঠু ও নকলমুক্ত করতে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত

কালীগঞ্জে এসএসসি/দাখিল পরীক্ষা সুষ্ঠু ও নকলমুক্ত করতে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত

গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলায় ২০২৬ সালের অনুষ্ঠিতব্য এসএসসি/দাখিল পরীক্ষা সুষ্ঠু, সুন্দর ও নকলমুক্ত পরিবেশে আয়োজনের লক্ষ্যে একটি প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জনাব এ.টি.এম কামরুল ইসলাম। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) জনাব জাকিয়া সরওয়ার লিমা।সভায় বিভিন্ন দপ্তরের দপ্তর প্রধানগণ, উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানগণ, স্থানীয় ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দসহ সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।সভায় বক্তারা আসন্ন এসএসসি/দাখিল পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে সার্বিক প্রস্তুতি, পরীক্ষাকেন্দ্রের নিরাপত্তা, প্রশ্নপত্র ফাঁস প্রতিরোধ, নকলমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিতকরণ এবং পরীক্ষার্থীদের জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।সভাপতির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এ.টি.এম কামরুল ইসলাম বলেন, “পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে প্রশাসন সর্বোচ্চ সতর্ক রয়েছে। কোনো ধরনের অনিয়ম বা নকলের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”সভা শেষে সংশ্লিষ্ট সকলকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করে একটি সুশৃঙ্খল ও স্বচ্ছ পরীক্ষা আয়োজনের আহ্বান জানানো হয়।

গাজীপুরের ন্যায্য প্রতিনিধিত্বের দাবি: মন্ত্রিপরিষদে একজন যোগ্য নেতার প্রত্যাশা

গাজীপুরের ন্যায্য প্রতিনিধিত্বের দাবি: মন্ত্রিপরিষদে একজন যোগ্য নেতার প্রত্যাশা

দেশের অন্যতম শিল্পসমৃদ্ধ ও জনবহুল জেলা গাজীপুর—যা জাতীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে। শিল্প, শ্রমবাজার ও দ্রুত বর্ধনশীল জনসংখ্যার কারণে এই জেলার গুরুত্ব প্রতিনিয়ত বাড়লেও, জাতীয় পর্যায়ের সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় গাজীপুরের প্রত্যক্ষ ও কার্যকর প্রতিনিধিত্ব এখনও সেই অর্থে দৃশ্যমান নয়। বিষয়টি গাজীপুরবাসীর কাছে দীর্ঘদিনের একটি বাস্তবতা, যা অনেকেই বঞ্চনা হিসেবে দেখছেন।এই প্রেক্ষাপটে গাজীপুর থেকে মন্ত্রিপরিষদে একজন যোগ্য, দক্ষ ও অভিজ্ঞ প্রতিনিধিকে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি দিন দিন জোরালো হচ্ছে। সচেতন মহলের মতে, মন্ত্রিপরিষদে গাজীপুরের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত হলে জেলার শিল্পখাতের নানা সমস্যা, অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা এবং জনসংখ্যাজনিত চ্যালেঞ্জগুলো আরও সরাসরি ও গুরুত্বসহকারে উপস্থাপনের সুযোগ তৈরি হবে। পাশাপাশি উন্নয়ন কার্যক্রমও পাবে নতুন গতি।এ দাবিকে ঘিরে গাজীপুরের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে ঐক্যবদ্ধ অবস্থান গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করা হচ্ছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, দলমত নির্বিশেষে সকলকে একটি বৃহত্তর স্বার্থ—গাজীপুরের সার্বিক উন্নয়ন ও ন্যায্য প্রতিনিধিত্ব—এই লক্ষ্য সামনে রেখে একসঙ্গে সোচ্চার হতে হবে। কারণ ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, সংগঠিত ও জোরালো জনমত নীতিনির্ধারকদের দৃষ্টি আকর্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।এদিকে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনায় উঠে এসেছে একজন সম্ভাব্য নেতার নাম। সাবেক মেধাবী ছাত্রনেতা, জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সভাপতি, স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক, বিএনপির ঢাকা বিভাগীয় সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক, গাজীপুর জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এবং বর্তমানে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক—এ কে এম ফজলুল হক মিলন। তিনি জাতীয় সংসদের গাজীপুর-৫ আসন থেকে একাধিকবার নির্বাচিত সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং স্থানীয়ভাবে ‘মাটি ও মানুষের নেতা’ হিসেবে পরিচিত।গাজীপুরের একটি বড় অংশের মানুষের প্রত্যাশা, অভিজ্ঞতা ও নেতৃত্বগুণের বিবেচনায় এ কে এম ফজলুল হক মিলনকে মন্ত্রিপরিষদে অন্তর্ভুক্ত করা হলে জেলার উন্নয়ন ও অধিকার আদায়ের পথ আরও সুগম হবে।অতএব, সময় এসেছে গাজীপুরবাসীর সম্মিলিতভাবে এগিয়ে আসার—একটি ন্যায্য দাবি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ঐক্যবদ্ধ কণ্ঠ গড়ে তোলার। এই ঐক্যই হতে পারে গাজীপুরের উন্নয়ন, মর্যাদা ও প্রাপ্য প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার নতুন দিগন্তের সূচনা।

চিতলমারীতে নবাগত ইউএনও’র সঙ্গে উপজেলা বিএনপির সৌজন্য সাক্ষাৎ

চিতলমারীতে নবাগত ইউএনও’র সঙ্গে উপজেলা বিএনপির সৌজন্য সাক্ষাৎ

বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার নবাগত উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) খাদিজা আক্তারের সঙ্গে উপজেলা বিএনপি ও এর অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) দুপুর ১২টায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ সাক্ষাৎ সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন হয়।সৌজন্য সাক্ষাতে উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতারা নবাগত ইউএনওকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান এবং তার দায়িত্ব পালনে সার্বিক সফলতা কামনা করেন। এ সময় তারা উপজেলার সার্বিক উন্নয়ন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, জনসেবা বৃদ্ধি এবং প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে জনগণের কল্যাণে কাজ করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন একাধিকবার নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক যুগ্ম সদস্য সচিব আহসান হাবীব ঠান্ডু, সাধারণ সম্পাদক শরীফুল হাসান অপু, সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো. ফজলুল হক ও শফিকুল ইসলাম বাবু, সাবেক ছাত্রনেতা ও উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব শিপন আহম্মেদ মুন্সী, যুবদলের আহ্বায়ক জাকারিয়া মিলন ও সদস্য সচিব মো. শেখ আসাদুজ্জামান, ছাত্রদল নেতা লিমন বিশ্বাস ইউনুসসহ উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।সাক্ষাৎকালে উপজেলা নির্বাহী অফিসার খাদিজা আক্তার উপজেলার চলমান প্রশাসনিক কার্যক্রম, উন্নয়ন পরিকল্পনা এবং জনসেবার বিভিন্ন দিক নিয়ে খোঁজখবর নেন। পাশাপাশি চলমান জ্বালানি তেলের সংকটের প্রভাব এবং বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের লক্ষ্যে সন্ধ্যা ৭টার পর দোকানপাট বন্ধ রাখার সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়ন বিষয়েও আলোচনা হয়।উপস্থিত নেতৃবৃন্দ প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় রেখে জনগণের কল্যাণে কাজ করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন। সৌহার্দ্যপূর্ণ এ সাক্ষাৎ স্থানীয়ভাবে প্রশাসন ও রাজনৈতিক নেতৃত্বের মধ্যে ইতিবাচক সম্পর্ক ও সমন্বয় বৃদ্ধির একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

বিমানে একসঙ্গে গেলেও আলাদা বসছেন যুগলরা, কেন বাড়ছে এই ‘সিট ডিভোর্স’ প্রবণতা?

বিমানে পাশাপাশি বসে গল্প করতে করতে ভ্রমণ করাটাই চিরচেনা দৃশ্য। তবে সাম্প্রতিক সময়ে এই নিয়মে বেশ পরিবর্তন এসেছে। অনেক যুগলই এখন বিমানে পাশাপাশি না বসে আলাদা সিট বেছে নিচ্ছেন। আধুনিক সম্পর্কের এই নতুন ধারার নাম দেওয়া হয়েছে ‘সিট ডিভোর্স’।প্রথম শুনলে খটকা লাগলেও, বিশেষজ্ঞরা একে দেখছেন সুস্থ ও আধুনিক সম্পর্কের একটি ইতিবাচক দিক হিসেবে। কিন্তু কেন বাড়ছে এই প্রবণতা? চলুন জেনে নেওয়া যাক মূল কারণগুলো—ব্যক্তিগত স্পেস বা স্বাধীনতার গুরুত্ব : একসঙ্গে থাকা মানেই যে সবসময় গায়ে গা লাগিয়ে বসে থাকতে হবে, বর্তমান প্রজন্ম তা মনে করে না। ভ্রমণের মধ্যেও তারা নিজেদের মতো কিছুটা সময় কাটাতে পছন্দ করছেন।ভ্রমণের ক্লান্তি ও অস্বস্তি এড়ানো : বিমানের সিটগুলো সাধারণত বেশ চাপা হয়।দীর্ঘ যাত্রায় পাশাপাশি বসে থাকার চেয়ে আলাদা বসে নিজের মতো আয়েশ করা অনেকের কাছেই বেশি আরামদায়ক।সোশ্যাল মিডিয়া ও নিজস্ব অভিজ্ঞতা : অনেকেই এখন ভ্রমণের অভিজ্ঞতা নিজস্ব ঢঙে সোশ্যাল মিডিয়ায় তুলে ধরতে চান। আলাদা বসার ফলে প্রত্যেকেই নিজের মতো করে জানালা দিয়ে আকাশ দেখার বা ভ্রমণের মুহূর্ত উপভোগ করার সুযোগ পান।বিমান সংস্থাগুলোর নতুন চ্যালেঞ্জ ও মানসিক প্রশান্তিযাত্রীদের এই নতুন চাহিদার কারণে এয়ারলাইনগুলোকেও তাদের নিয়মে পরিবর্তন আনতে হচ্ছে।এখন অনেক সংস্থাই ‘কো-অফসেট সিটিং’ বা যুগলদের জন্য আলাদা বসার বিশেষ সুবিধা রাখছে।মনোবিজ্ঞানীদের মতে, এই ‘সিট ডিভোর্স’ মোটেও সম্পর্কের দূরত্ব প্রকাশ করে না। বরং একে বলা যায় ‘স্বাধীনতার রক্ষণাবেক্ষণ’। দীর্ঘ ভ্রমণের সময় একটু ব্যক্তিগত সময় বা স্পেস পাওয়া গেলে মানসিক চাপ কমে, যা প্রকারান্তরে সঙ্গীর সঙ্গে সম্পর্ককে আরো গভীর ও বিষাদমুক্ত করে তোলে।সংক্ষেপে বলতে গেলে, ‘সিট ডিভোর্স’ কেবল সাময়িক কোনো ফ্যাশন নয়, বরং এটি যুগলদের পারস্পরিক বোঝাপড়া ও মানসিক স্বাচ্ছন্দ্যের এক নতুন ভারসাম্য।

যাদের কাজ নেই, তারাই কেবল এ যন্ত্রণা বোঝে: দেব

যাদের কাজ নেই, তারাই কেবল এ যন্ত্রণা বোঝে: দেব

টালিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যু কেন্দ্র করে টালিপাড়া। অভিনেতার মৃত্যু ঘিরে তৈরি হওয়া টেকনিশিয়ান স্টুডিওর দফায় দফায় বৈঠকের পর এক কঠিন সিদ্ধান্ত নিয়েছে টালিউড সিনেমা ইন্ডাস্ট্রি। অভিনয়শিল্পীরা অভিযুক্ত প্রযোজনা সংস্থা ‘ম্যাজিক মোমেন্টস’-এর সঙ্গে কাজ না করার ঘোষণা দিয়েছেন। তবে এর মধ্যেই টালিউডের অন্ধকার দিক ‘ব্যান কালচার’ নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন জনপ্রিয় অভিনেতা-প্রযোজক দীপক অধিকারী দেব। সম্প্রতি এক সংবাদ সম্মেলনে দেব বলেন, টালিউডে কাজের পরিবেশ ফেরাতে বদ্ধপরিকর তারা। বিশেষ করে যারা দীর্ঘদিন ধরে ‘ব্যান’ বা বয়কটের শিকার হয়ে কর্মহীন হয়ে আছেন, তাদের ফিরিয়ে আনার সময় এসেছে।অভিনেতা বলেন, সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির অভিভাবক প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় তাকে কথা দিয়েছেন, আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে নিষিদ্ধ তালিকায় থাকা শিল্পী ও পরিচালকদের কাজে ফেরানো হবে। দেব বলেন, ‘আমরা এই ব্যান কালচার থেকে দূরে থাকতে চাই। রাহুলের মৃত্যু কতটা মর্মান্তিক, তা আমরা সবাই জানি।’ তিনি বলেন, ‘আমরা এখন আর আলাদা আলাদা কোনো ফোরাম বা ফেডারেশন নই। আমরা সবাই এখন একই ছাদের নিচে। এ অভিনেতা বলেন, রাহুল চলে যাওয়ায় আমরা নতুন করে উপলব্ধি করেছি যে, কাজ করতে না পারাটা কতটা কষ্টের। যাদের কাজ নেই, তারাই কেবল এ যন্ত্রণা বোঝে। তাই বয়কট হওয়া সব শিল্পী ও পরিচালককে দ্রুত কাজে ফেরানো হচ্ছে।’দেব বলেন, ‘সংশ্লিষ্ট প্রযোজনা সংস্থা নির্দোষ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত আমরা তাদের সঙ্গে কাজ করব না— এটা ঠিক। কিন্তু এর পাশাপাশি যারা আগে থেকেই বয়কটের শিকার, তাদের ফেরার পথও সুগম করতে হবে।’

সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের অধীনে চাকরি

সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের অধীনে চাকরি

সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের আওতাধীন ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষ (ডিটিসিএ) তাদের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। ১৩তম থেকে ১৭ গ্রেডে মোট ২৩টি পদে জনবল নিয়োগ দেবে  প্রতিষ্ঠানটি। আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনের মাধ্যমে এখানে আবেদন করতে পারবেন।পদের নাম ও সংখ্যা: ব্যক্তিগত সহকারী ৪টি।শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্নাতক ডিগ্রি।বেতন স্কেল: (গ্রেড-১৩) ১১,০০০-২৬,৫৯০ টাকা।পদের নাম ও সংখ্যা: কম্পিউটার অপারেটর ৭টি।শিক্ষাগত যোগ্যতা: বিজ্ঞান বিভাগে স্নাতক ও সমমানের ডিগ্রি।বেতন স্কেল: (গ্রেড-১৪) ১০,২০০-২৪,৬৮০ টাকা।পদের নাম ও সংখ্যা: স্টোরকিপার ১টি।শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্নাতক ডিগ্রি।বেতন স্কেল: (গ্রেড-১৫) ৯,৭০০-২৩,৪৯০ টাকা।পদের নাম ও সংখ্যা: অ্যাকাউন্টস ক্লার্ক ১টি।শিক্ষাগত যোগ্যতা: বাণিজ্য বিভাগে স্নাতক ডিগ্রি।বেতন স্কেল: (গ্রেড-১৬) ৯,৩০০-২২,৪৯০ টাকা।পদের নাম ও সংখ্যা: সহকারী স্টোরকিপার ১টি।শিক্ষাগত যোগ্যতা: এইচএসসি বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ।বেতন স্কেল: (গ্রেড-১৬) ৯,৩০০-২২,৪৯০ টাকা।পদের নাম ও সংখ্যা: অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক ৪টি।শিক্ষাগত যোগ্যতা: এইচএসসি বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ।বেতন স্কেল: (গ্রেড-১৬) ৯,৩০০-২২,৪৯০ টাকা।পদের নাম ও সংখ্যা: সার্ভেয়ার ১টিশিক্ষাগত যোগ্যতা: ডিপ্লোমা ইন সার্ভে কোর্স সাটিফিকেটধারী এবং জিআইএস বিষয়ে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত।বেতন স্কেল: (গ্রেড-১৬) ৯,৩০০-২২,৪৯০ টাকা।পদের নাম ও সংখ্যা: ডেটা এন্ট্রি অপারেটর ১টি।শিক্ষাগত যোগ্যতা: এইচএসসি বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ।বেতন স্কেল: (গ্রেড-১৬) ৯,৩০০-২২,৪৯০ টাকা।পদের নাম ও সংখ্যা: ড্রাফটসম্যান (অটোক্যাড অপারেটর) ৩টি।শিক্ষাগত যোগ্যতা: এসএসসি বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ।বেতন স্কেল: (গ্রেড-১৭) ৯,০০০-২১,৮০০ টাকা।বয়সসীমা: ১ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে ১৮-৩২ বছরের মধ্যে থাকতে হবে।আবেদনের প্রক্রিয়া: পরীক্ষায় অংশগ্রহণে ইচ্ছুক প্রার্থীরা এই ওয়েবসাইটে আবেদনপত্র পূরণ করবেন।আবেদন ফি: ১ থেকে ৮ নম্বর পদের জন্য আবেদন ফি সার্ভিস চার্জ বাবদ ১২ টাকাসহ মোট ১১২ টাকা। ৯ নম্বর পদের জন্য আবেদন ফি সার্ভিস চার্জ বাবদ ৬ টাকাসহ মোট ৫৬ টাকা।আবেদনের শেষ সময় ২৬ এপ্রিল ২০২৬ পর্যন্ত।

সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের অধীনে চাকরি

সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের অধীনে চাকরি

সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের আওতাধীন ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষ (ডিটিসিএ) তাদের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। ১৩তম থেকে ১৭ গ্রেডে মোট ২৩টি পদে জনবল নিয়োগ দেবে  প্রতিষ্ঠানটি। আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনের মাধ্যমে এখানে আবেদন করতে পারবেন।পদের নাম ও সংখ্যা: ব্যক্তিগত সহকারী ৪টি।শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্নাতক ডিগ্রি।বেতন স্কেল: (গ্রেড-১৩) ১১,০০০-২৬,৫৯০ টাকা।পদের নাম ও সংখ্যা: কম্পিউটার অপারেটর ৭টি।শিক্ষাগত যোগ্যতা: বিজ্ঞান বিভাগে স্নাতক ও সমমানের ডিগ্রি।বেতন স্কেল: (গ্রেড-১৪) ১০,২০০-২৪,৬৮০ টাকা।পদের নাম ও সংখ্যা: স্টোরকিপার ১টি।শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্নাতক ডিগ্রি।বেতন স্কেল: (গ্রেড-১৫) ৯,৭০০-২৩,৪৯০ টাকা।পদের নাম ও সংখ্যা: অ্যাকাউন্টস ক্লার্ক ১টি।শিক্ষাগত যোগ্যতা: বাণিজ্য বিভাগে স্নাতক ডিগ্রি।বেতন স্কেল: (গ্রেড-১৬) ৯,৩০০-২২,৪৯০ টাকা।পদের নাম ও সংখ্যা: সহকারী স্টোরকিপার ১টি।শিক্ষাগত যোগ্যতা: এইচএসসি বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ।বেতন স্কেল: (গ্রেড-১৬) ৯,৩০০-২২,৪৯০ টাকা।পদের নাম ও সংখ্যা: অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক ৪টি।শিক্ষাগত যোগ্যতা: এইচএসসি বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ।বেতন স্কেল: (গ্রেড-১৬) ৯,৩০০-২২,৪৯০ টাকা।পদের নাম ও সংখ্যা: সার্ভেয়ার ১টিশিক্ষাগত যোগ্যতা: ডিপ্লোমা ইন সার্ভে কোর্স সাটিফিকেটধারী এবং জিআইএস বিষয়ে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত।বেতন স্কেল: (গ্রেড-১৬) ৯,৩০০-২২,৪৯০ টাকা।পদের নাম ও সংখ্যা: ডেটা এন্ট্রি অপারেটর ১টি।শিক্ষাগত যোগ্যতা: এইচএসসি বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ।বেতন স্কেল: (গ্রেড-১৬) ৯,৩০০-২২,৪৯০ টাকা।পদের নাম ও সংখ্যা: ড্রাফটসম্যান (অটোক্যাড অপারেটর) ৩টি।শিক্ষাগত যোগ্যতা: এসএসসি বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ।বেতন স্কেল: (গ্রেড-১৭) ৯,০০০-২১,৮০০ টাকা।বয়সসীমা: ১ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে ১৮-৩২ বছরের মধ্যে থাকতে হবে।আবেদনের প্রক্রিয়া: পরীক্ষায় অংশগ্রহণে ইচ্ছুক প্রার্থীরা এই ওয়েবসাইটে আবেদনপত্র পূরণ করবেন।আবেদন ফি: ১ থেকে ৮ নম্বর পদের জন্য আবেদন ফি সার্ভিস চার্জ বাবদ ১২ টাকাসহ মোট ১১২ টাকা। ৯ নম্বর পদের জন্য আবেদন ফি সার্ভিস চার্জ বাবদ ৬ টাকাসহ মোট ৫৬ টাকা।আবেদনের শেষ সময় ২৬ এপ্রিল ২০২৬ পর্যন্ত।

সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের অধীনে চাকরি

সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের অধীনে চাকরি

সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের আওতাধীন ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষ (ডিটিসিএ) তাদের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। ১৩তম থেকে ১৭ গ্রেডে মোট ২৩টি পদে জনবল নিয়োগ দেবে  প্রতিষ্ঠানটি। আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনের মাধ্যমে এখানে আবেদন করতে পারবেন।পদের নাম ও সংখ্যা: ব্যক্তিগত সহকারী ৪টি।শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্নাতক ডিগ্রি।বেতন স্কেল: (গ্রেড-১৩) ১১,০০০-২৬,৫৯০ টাকা।পদের নাম ও সংখ্যা: কম্পিউটার অপারেটর ৭টি।শিক্ষাগত যোগ্যতা: বিজ্ঞান বিভাগে স্নাতক ও সমমানের ডিগ্রি।বেতন স্কেল: (গ্রেড-১৪) ১০,২০০-২৪,৬৮০ টাকা।পদের নাম ও সংখ্যা: স্টোরকিপার ১টি।শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্নাতক ডিগ্রি।বেতন স্কেল: (গ্রেড-১৫) ৯,৭০০-২৩,৪৯০ টাকা।পদের নাম ও সংখ্যা: অ্যাকাউন্টস ক্লার্ক ১টি।শিক্ষাগত যোগ্যতা: বাণিজ্য বিভাগে স্নাতক ডিগ্রি।বেতন স্কেল: (গ্রেড-১৬) ৯,৩০০-২২,৪৯০ টাকা।পদের নাম ও সংখ্যা: সহকারী স্টোরকিপার ১টি।শিক্ষাগত যোগ্যতা: এইচএসসি বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ।বেতন স্কেল: (গ্রেড-১৬) ৯,৩০০-২২,৪৯০ টাকা।পদের নাম ও সংখ্যা: অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক ৪টি।শিক্ষাগত যোগ্যতা: এইচএসসি বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ।বেতন স্কেল: (গ্রেড-১৬) ৯,৩০০-২২,৪৯০ টাকা।পদের নাম ও সংখ্যা: সার্ভেয়ার ১টিশিক্ষাগত যোগ্যতা: ডিপ্লোমা ইন সার্ভে কোর্স সাটিফিকেটধারী এবং জিআইএস বিষয়ে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত।বেতন স্কেল: (গ্রেড-১৬) ৯,৩০০-২২,৪৯০ টাকা।পদের নাম ও সংখ্যা: ডেটা এন্ট্রি অপারেটর ১টি।শিক্ষাগত যোগ্যতা: এইচএসসি বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ।বেতন স্কেল: (গ্রেড-১৬) ৯,৩০০-২২,৪৯০ টাকা।পদের নাম ও সংখ্যা: ড্রাফটসম্যান (অটোক্যাড অপারেটর) ৩টি।শিক্ষাগত যোগ্যতা: এসএসসি বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ।বেতন স্কেল: (গ্রেড-১৭) ৯,০০০-২১,৮০০ টাকা।বয়সসীমা: ১ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে ১৮-৩২ বছরের মধ্যে থাকতে হবে।আবেদনের প্রক্রিয়া: পরীক্ষায় অংশগ্রহণে ইচ্ছুক প্রার্থীরা এই ওয়েবসাইটে আবেদনপত্র পূরণ করবেন।আবেদন ফি: ১ থেকে ৮ নম্বর পদের জন্য আবেদন ফি সার্ভিস চার্জ বাবদ ১২ টাকাসহ মোট ১১২ টাকা। ৯ নম্বর পদের জন্য আবেদন ফি সার্ভিস চার্জ বাবদ ৬ টাকাসহ মোট ৫৬ টাকা।আবেদনের শেষ সময় ২৬ এপ্রিল ২০২৬ পর্যন্ত।

স্বাধীনতার ৫৫ বছরেও বহু প্রত্যাশা অপূর্ণ: শফিকুর রহমান

স্বাধীনতার ৫৫ বছরেও বহু প্রত্যাশা অপূর্ণ: শফিকুর রহমান

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, স্বাধীনতার ৫৫ বছর পরও দেশের মানুষের বহু প্রত্যাশা এখনো পূরণ হয়নি।মঙ্গলবার রাতে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এ কথা বলেন। বিবৃতিতে শফিকুর রহমান বলেন, ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ বীর মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিকামী জনতা গণতন্ত্র, আইনের শাসন, ন্যায়বিচার, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে তৎকালীন শাসকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে। মহান মুক্তিযুদ্ধের মূল প্রত্যাশা ছিল সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচার প্রতিষ্ঠা। ক্ষুধা, দারিদ্র্য, বেকারত্ব ও দুঃশাসনমুক্ত একটি রাষ্ট্র গঠনের লক্ষ্যেই সর্বস্তরের মানুষ মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেয়।তিনি বলেন, ‘লাখো শহীদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে দেশ স্বাধীনতা লাভ করে। কিন্তু স্বাধীনতার ৫৫ বছর পর মানুষের প্রত্যাশা ও প্রাপ্তির হিসাব করলে দেখা যায়, বহু প্রত্যাশা এখনো অপূর্ণ রয়ে গেছে।’বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, ২০২৪ সালের জুলাইয়ে ছাত্র-জনতার গণআন্দোলনের মাধ্যমে দীর্ঘ ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান ঘটেছে এবং দেশে একটি ফ্যাসিবাদমুক্ত পরিবেশে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়ে নতুন সরকার গঠিত হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এমন প্রেক্ষাপটে আর কেউ ফ্যাসিবাদী আচরণে ফিরে যাবে না।তিনি বলেন, দেশের মানুষ ভয়ভীতিমুক্তভাবে চলাফেরা ও মতপ্রকাশ করতে চায়। নাগরিকদের জানমাল ও সম্মানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে এবং ঘুস, দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও দখলবাজিমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে হবে। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই যেন শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করতে পারে, সেই প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেন তিনি।ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫’ বাস্তবায়নে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল স্বাক্ষর করেছে এবং গণভোটে প্রায় ৭০ শতাংশ নাগরিক এর পক্ষে মত দিয়েছে। তবে এ সনদ বাস্তবায়নে সরকারের অনীহা দেখা যাচ্ছে বলে তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন।তিনি বলেন, ‘জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে কোনো ধরনের টালবাহানা জনগণ মেনে নেবে না। সরকারকে অবিলম্বে এ সনদ বাস্তবায়নে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে।’স্বাধীনতা দিবসে তিনি বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান এবং ২০২৪ সালের জুলাইয়ের গণআন্দোলনে নিহতদের স্মরণ করেন। আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা এবং শহীদ পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান তিনি।

আজকের স্বর্ণের দাম: ০৮ এপ্রিল ২০২৬

আজকের স্বর্ণের দাম: ০৮ এপ্রিল ২০২৬

দেশের বাজারে টানা চার দফা বাড়ার পর কমেছে স্বর্ণের দাম। সোমবার (৬ এপ্রিল) সকালে কমানো ওই দামেই আজ বুধবার (৮ এপ্রিল) স্বর্ণ বিক্রি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন।বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম ২ হাজার ১৫৮ টাকা কমানো হয়েছে। এতে দেশের বাজারে এক ভরি স্বর্ণের দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৪৫ হাজার ৮১৯ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণ ২ হাজার ১০০ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ৩৪ হাজার ৬২১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আর ১৮ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণ ১ হাজার ৭৪৯ টাকা কমিয়ে নতুন দাম ২ লাখ ১ হাজার ১৪৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। অন্যদিকে সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণ ১ হাজার ৪৫৮ টাকা কমিয়ে দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৬৩ হাজার ৮২১ টাকা।এ নিয়ে চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ৫২ বার সমন্বয় করা হয়েছে স্বর্ণের দাম। যেখানে দাম ৩০ দফা বাড়ানো হয়েছে; কমানো হয়েছে ২২ দফা। আর গত ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল; যেখানে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল, আর কমানো হয়েছিল ২৯ বার। স্বর্ণের দাম কমানোর সঙ্গে এবার দেশের বাজারে কমানো হয়েছে রুপার দামও। এবার ভরিতে ১৭৫ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ হাজার ৫৪০ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৫ হাজার ৩০৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ৫৪৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ৩ হাজার ৩৮৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।এ নিয়ে চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ৩১ দফা সমন্বয় করা হয়েছে রুপার দাম। যেখানে দাম ১৭ দফা বাড়ানো হয়েছে; কমানো হয়েছে বাকি ১৪ দফা। আর ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ১৩ বার সমন্বয় করা হয়েছিল রুপার দাম। যার মধ্যে বেড়েছিল ১০ বার, আর কমেছিল মাত্র ৩ বার।

স্বাধীনতার ৫৫ বছরেও বহু প্রত্যাশা অপূর্ণ: শফিকুর রহমান

স্বাধীনতার ৫৫ বছরেও বহু প্রত্যাশা অপূর্ণ: শফিকুর রহমান

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, স্বাধীনতার ৫৫ বছর পরও দেশের মানুষের বহু প্রত্যাশা এখনো পূরণ হয়নি।মঙ্গলবার রাতে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এ কথা বলেন। বিবৃতিতে শফিকুর রহমান বলেন, ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ বীর মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিকামী জনতা গণতন্ত্র, আইনের শাসন, ন্যায়বিচার, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে তৎকালীন শাসকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে। মহান মুক্তিযুদ্ধের মূল প্রত্যাশা ছিল সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচার প্রতিষ্ঠা। ক্ষুধা, দারিদ্র্য, বেকারত্ব ও দুঃশাসনমুক্ত একটি রাষ্ট্র গঠনের লক্ষ্যেই সর্বস্তরের মানুষ মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেয়।তিনি বলেন, ‘লাখো শহীদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে দেশ স্বাধীনতা লাভ করে। কিন্তু স্বাধীনতার ৫৫ বছর পর মানুষের প্রত্যাশা ও প্রাপ্তির হিসাব করলে দেখা যায়, বহু প্রত্যাশা এখনো অপূর্ণ রয়ে গেছে।’বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, ২০২৪ সালের জুলাইয়ে ছাত্র-জনতার গণআন্দোলনের মাধ্যমে দীর্ঘ ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান ঘটেছে এবং দেশে একটি ফ্যাসিবাদমুক্ত পরিবেশে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়ে নতুন সরকার গঠিত হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এমন প্রেক্ষাপটে আর কেউ ফ্যাসিবাদী আচরণে ফিরে যাবে না।তিনি বলেন, দেশের মানুষ ভয়ভীতিমুক্তভাবে চলাফেরা ও মতপ্রকাশ করতে চায়। নাগরিকদের জানমাল ও সম্মানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে এবং ঘুস, দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও দখলবাজিমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে হবে। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই যেন শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করতে পারে, সেই প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেন তিনি।ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫’ বাস্তবায়নে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল স্বাক্ষর করেছে এবং গণভোটে প্রায় ৭০ শতাংশ নাগরিক এর পক্ষে মত দিয়েছে। তবে এ সনদ বাস্তবায়নে সরকারের অনীহা দেখা যাচ্ছে বলে তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন।তিনি বলেন, ‘জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে কোনো ধরনের টালবাহানা জনগণ মেনে নেবে না। সরকারকে অবিলম্বে এ সনদ বাস্তবায়নে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে।’স্বাধীনতা দিবসে তিনি বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান এবং ২০২৪ সালের জুলাইয়ের গণআন্দোলনে নিহতদের স্মরণ করেন। আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা এবং শহীদ পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান তিনি।

বৈদ্যুতিক স্কুল বাস আমদানিতে শুল্ক মওকুফের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার: এনবিআর চেয়ারম্যান

জ্বালানি সাশ্রয় ও শিক্ষা খাতের উন্নয়নে স্কুলের জন্য ব্যবহৃত বৈদ্যুতিক বাস আমদানিতে শুল্ক মওকুফের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান আবদুর রহমান খান এ ঘোষণা দেন।এনবিআর কার্যালয়ে পরিবহন খাতের একাধিক সংগঠনের সঙ্গে প্রাক-বাজেট পরামর্শ সভায় তিনি বলেন, গণপরিবহনে জ্বালানি খরচ কমানোর বৃহত্তর পরিকল্পনার অংশ হিসেবে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।তিনি বলেন, পরিবহন খাতে জ্বালানির ব্যবহার কমাতে চায় সরকার। প্রথম ধাপ হিসেবে শিক্ষার্থীদের জন্য ব্যবহৃত বৈদ্যুতিক স্কুল বাস আমদানিতে শুল্ক শূন্যে নামানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি আরও জানান, আসন্ন জাতীয় বাজেটের জন্য অপেক্ষা না করেই এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হবে।এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, ইভি (বৈদ্যুতিক যানবাহন) খাতে বাজেটে অনেক পরিবর্তন আসবে, তবে এই উদ্যোগের জন্য আমরা অপেক্ষা করব না। খুব শিগগিরই শুল্ক অব্যাহতি দিতে এসআরও জারি করা হবে।

সারা দেশে রাত ৮টার মধ্যে দোকান-শপিংমল বন্ধের সিদ্ধান্ত

দেশের সব দোকান, বাণিজ্য বিতান ও শপিংমল রাত ৮টার মধ্যে বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতি। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনটি এ তথ্য জানিয়েছে।মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধাবস্থায় দেশে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ের প্রচেষ্টায় সরকারকে সহযোগিতা করতে এই বিশেষ সিদ্ধান্তটি নেওয়া হয়েছে।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতি ও ঢাকা মহানগর দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতির স্ট্যান্ডিং কমিটির যৌথ সভায় আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংকটের কারণে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ে সরকারকে সহযোগিতার লক্ষ্যে ঢাকাসহ বাংলাদেশের সব দোকান, বাণিজ্য বিতান এবং শপিংমল রাত ৮টার মধ্যে বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।তবে হোটেল, ফার্মেসি ও জরুরি প্রয়োজনীয় সেবার দোকান, কাঁচাবাজার এর আওতাবহির্ভূত থাকবে বলেও জানানো হয়েছে।

কিসের দেশ, নিজেরটা আগে

প্রবল গণঅভ্যুত্থানের মুখে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর আন্দোলনের নেতাদের ডাকে সাড়া দেন ‘মুরুব্বি’ প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ‘দেশ উদ্ধারের স্বার্থে’র কথা বলে অন্তর্বর্তী সরকারের হাল ধরেন তিনি। সে সময় তাঁকে ঘিরে আশার বীজ বুনেছিল জাতি। অনেকেই বিশ্বাস করেছিলেন-তাঁর ‘জাদুর ছোঁয়ায়’ বিশ্বের দুয়ারে আরো উজ্জ্বল হবে বাংলাদেশের মুখ, বাড়বে মানুষের মর্যাদা, খুলে যাবে দীর্ঘদিনের অবরুদ্ধ সম্ভাবনার দুয়ার।কিন্তু ২০২৪ সালের ৮ আগস্ট দায়িত্ব গ্রহণের পর ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতা হস্তান্তরের আগ পর্যন্ত প্রায় দেড় বছরে জনগণের স্বপ্ন কতটা পূরণ করতে পেরেছেন নোবেলজয়ী? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতেই অনুসন্ধানে নামে কালের কণ্ঠ। অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, দেশের বারোটা বাজলেও কীভাবে নিজের স্বার্থ ষোলআনা হাসিল করেছেন শান্তিতে নোবেলজয়ী। ষোলআনার অন্যতম হলো গ্রামীণ বিশ্ববিদ্যালয়। সদ্যবিদায়ী অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দেড় বছরের মেয়াদে দেশে এই একটিমাত্র বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদন দেওয়া হয়।বিশ্ববিদ্যালয়টি গ্রামীণ ট্রাস্টের একটি উদ্যোগ। আর এই গ্রামীণ ট্রাস্টের প্রতিষ্ঠাতা হলেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস। আগে থেকে ২২টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের আবেদন বছর বছর ধরে ঝুলে থাকলেও গ্রামীণ বিশ্ববিদ্যালয় আবেদন করার ৩ মাসের মধ্যেই পেয়ে যায় অনুমোদন। এই রকেট গতি এখন আর কারো কাছে বিস্ময় নয়; কারণ, ওই সময়ে ড. মুহাম্মদ ইউনূস ছিলেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা।অনুসন্ধানে দেখা গেছে, নিজের ক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে আরো অনেক সুবিধা আদায় করে নিয়েছেন ড. ইউনূস। বিশেষ করে গ্রামীণ ব্যাংককে ৫ বছরের জন্য আয়কর অব্যাহতি দেন, যাতে সরকার অন্তত এক হাজার কোটি টাকা রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হবে। গ্রামীণ কল্যাণ ট্রাস্টের এক হাজার ৪৩ কোটি টাকা ফাঁকির পাশাপাশি ৬৬৬ কোটি টাকা কর মওকূফের মতো ব্যাপক সুবিধাও নিয়েছেন তিনি। শুধু তাই নয়, ক্ষমতার চেয়ারে বসে গুণে গুণে সাতটি মামলা থেকে মুক্তি দিয়েছেন নিজেকে, যার মধ্যে আলোচিত দুর্নীতি মামলাও রয়েছে। এর পাশাপাশি অস্বাভাবিক দ্রুততায় বাগিয়ে নিয়েছেন রিক্রুটিং এজেন্সির লাইসেন্স।সমাধান করে ফেলেছেন ‘সমাধান সার্ভিসেস লিমিটেড’ নামক ই-ওয়ালেটের লাইসেন্স না পাওয়ার জটিলতারও। এর সবই ঘটে তাঁর ক্ষমতা গ্রহণের পর। জানা গেছে, এই প্রতিষ্ঠানগুলো ড. ইউনূসের প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ট্রাষ্টের অধীনে পরিচালিত। আইনগত বাধ্যবাধকতার কারণে প্রধান উপদেষ্টার শপথ গ্রহণের আগে প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে সরে দাঁড়ালেও দায়িত্ব ছাড়ার পর আবার সেসব প্রতিষ্ঠানে সক্রিয় হয়ে ওঠেন তিনি। ফলে ক্ষমতার আলোয় আসার সঙ্গে সঙ্গে এই সুবিধাগুলো নেওয়ার মধ্য দিয়ে কার্যত তিনি ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন বলেই মত দিয়েছেন আইন বিশেষজ্ঞরা। জানতে চাইলে সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনজিল মোরসেদ কালের কণ্ঠকে বলেন, যারা রাষ্ট্র পরিচালনা করবেন, তাদের সঙ্গে যাতে জনগণ, দেশের স্বার্থের সংঘাত না ঘটে সে জন্য শপথ নিতে হয়। শুধু সরকার না, সরকারি অনেক পদে বসার শর্তই থাকে যে, কোনো লাভজনক পদে থাকলে তা ছেড়ে দিতে হবে। মনজিল মোরসেদ আরো বলেন, ‘ড. মুহাম্মদ ইউনূস রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ নির্বাহী পদে ছিলেন। সেখানে বসে তিনি তাঁর স্বার্থে যেসব কর্মকাণ্ড করেছেন, সেগুলো নিয়ে রাজনৈতিকভাবে বেশ সমালোচনা হয়েছে, এখনো হচ্ছে। উনি ব্যক্তিগত স্বার্থে এই পদকে (প্রধান উপদেষ্টা) ব্যবহার করেছেন। শুধু তাই না, কনফ্লিক্ট অব ইন্টারেস্টে তিনি দায়ী হয়ে গেছেন। এর মধ্য দিয়ে প্রধান উপদেষ্টা হিসেবেতিনি শপথ ভঙ্গ করেছেন। আর সবকিছু মিলে তিনি জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করেছেন।’পাঁচ কোটির আইনে দেড় কোটির বৃদ্ধাঙ্গুলি : গ্রামীণ ট্রাস্টের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত ‘গ্রামীণ বিশ্ববিদ্যালয়’ মাত্র তিন মাসের মধ্যে অনুমোদন পায়—যেখানে দেশে আগে থেকেই আবেদন করা অন্তত ২২টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় বছরের পর বছর ধরে অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। এই দ্রুত অনুমোদন নিয়ে শুরু থেকেই প্রশ্ন উঠেছে। অনুসন্ধানে দেখা যায়, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০১০ অনুযায়ী ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকায় বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের জন্য কমপক্ষে ৫ কোটি টাকা সংরক্ষিত তহবিল থাকার কথা। কিন্তু গ্রামীণ বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদনপত্রে দেড় কোটি টাকার শর্ত উল্লেখ করা হয়েছে, যা আইনের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ বলে অভিযোগ উঠেছে।এ বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও ইউজিসির বর্তমান ও সাবেক কর্মকর্তাদের কেউই স্পষ্ট ব্যাখ্যা দিতে পারেননি—কেউ দায়িত্বে না থাকার কথা বলেছেন, আবার কেউ বিষয়টি মনে নেই বলে এড়িয়ে গেছেন। অন্যদিকে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে, তারা সরকারি নির্দেশনা মেনেই প্রয়োজনীয় অর্থ জমা দিয়েছে এবং এটি একটি সামাজিক উদ্যোগ, লাভের উদ্দেশ্যে নয়।সাধারণত দীর্ঘ ও জটিল প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় অনুমোদন দেওয়া হলেও এ ক্ষেত্রে অস্বাভাবিক দ্রুততা, আইনি শর্তে বিভ্রান্তি এবং অন্যান্য আবেদন ঝুলে থাকার প্রেক্ষাপটে পুরো প্রক্রিয়া নিয়ে স্বচ্ছতা ও ন্যায্যতা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।এ বিষয়ে কালের কণ্ঠের বিশেষ প্রতিনিধি শরীফুল আলম সুমনের করা অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে বিস্তারিত পড়ুন। ক্ষমতার গরমে রাজস্ব উধাও :২০২৪ সালের ১০ অক্টোবর জারি করা গেজেট অনুযায়ী গ্রামীণ ব্যাংককে ২০২৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ৫ বছরের জন্য আয়কর অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। ফলে এই সময়ে প্রতিষ্ঠানটির সব ধরনের আয় করমুক্ত থাকবে। পূর্ববর্তী কর তথ্য অনুযায়ী, বছরে গড়ে প্রায় ২০০ কোটি টাকা কর দিত গ্রামীণ ব্যাংক। সেই হিসাবে আগামী পাঁচ বছরে সরকারের রাজস্ব ক্ষতি অন্তত ১ হাজার কোটি টাকার বেশি হতে পারে—যা বড় রাজস্ব ঘাটতির সময়ে বিতর্ক সৃষ্টি করেছে।বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কর-জিডিপি অনুপাত কম থাকা অবস্থায় এমন অব্যাহতি পুনর্বিবেচনা প্রয়োজন। এছাড়া আইএমএফের শর্ত ছিল কর অব্যাহতি কমানো, কিন্তু বাস্তবে নতুন করে সুবিধা দেওয়া হয়েছে। পরে আইন পরিবর্তন করে বলা হয়, ভবিষ্যতে কর অব্যাহতির জন্য সংসদের অনুমোদন লাগবে—তবে গ্রামীণ ব্যাংক এই সুবিধা পেয়েছে তার আগেই।অন্যদিকে, গ্রামীণ ডিস্ট্রিবিউশন ভ্যাট সুবিধা পেলেও শর্ত অনুযায়ী উৎপাদন না করে আমদানিনির্ভর থেকেছে—এ নিয়ে তদন্তে অসঙ্গতি ধরা পড়লেও কার্যকর ব্যবস্থা দেখা যায়নি।এছাড়া গ্রামীণ কল্যাণ ট্রাস্টের বিরুদ্ধে প্রায় ১,০৪৩ কোটি টাকার কর ফাঁকির অভিযোগ রয়েছে, যা নিয়ে মামলা এখনও চলমান। একই সঙ্গে ঋণের সুদকে লভ্যাংশ হিসেবে দেখিয়ে কম কর দেওয়ার ঘটনায় ৬৬৬ কোটি টাকার কর নির্ধারণ হলেও পরবর্তীতে আদালতের রায়ে তা বাতিল হয়ে যায়।সব মিলিয়ে কর অব্যাহতি, শর্ত লঙ্ঘন ও কর সংক্রান্ত বিরোধকে ঘিরে গ্রামীণ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো নিয়ে আর্থিক স্বচ্ছতা ও ন্যায়সংগত সুবিধা প্রদান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এ বিষয়ে মো. জাহিদুল আলমের করা বিস্তারিত প্রতিবেদন।সাত মামলা নিষ্পত্তিসহ আরো সুবিধা আদায় :অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো বিভিন্ন সুবিধা পেয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে থাকা অন্তত ৭টি মামলা থেকে অব্যাহতি, ই-ওয়ালেট লাইসেন্স অনুমোদন এবং জনশক্তি রপ্তানির লাইসেন্স প্রাপ্তি—যেগুলো অস্বাভাবিক দ্রুততায় সম্পন্ন হয়েছে বলে অভিযোগ।গ্রামীণ এমপ্লয়মেন্ট সার্ভিসেস লিমিটেড ১৬ বছর ঝুলে থাকার পর ২০২৫ সালে জনশক্তি রপ্তানির লাইসেন্স ও বায়রার সদস্যপদ পায়। একইভাবে, দীর্ঘদিন আটকে থাকা ‘সমাধান সার্ভিসেস লিমিটেড’ মাত্র কয়েক মাসের মধ্যে ই-ওয়ালেট লাইসেন্স পায়। এসব প্রতিষ্ঠান গ্রামীণ ট্রাস্টের সঙ্গে সম্পৃক্ত।অন্যদিকে, ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে শ্রম আইন ও দুর্নীতিসহ বিভিন্ন অভিযোগে দায়ের করা মামলাগুলো রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর দ্রুত নিষ্পত্তি বা প্রত্যাহার হয়ে যায়। এর মধ্যে শ্রম আইন লঙ্ঘনের মামলায় সাজা বাতিল এবং দুদকের অর্থ আত্মসাতের মামলা প্রত্যাহার উল্লেখযোগ্য।আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, রাষ্ট্রীয় দায়িত্বে থেকে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সুবিধা আদায় করা স্বার্থের সংঘাত তৈরি করে এবং এটি শপথের পরিপন্থী হতে পারে। যদিও সংশ্লিষ্টরা দাবি করেছেন, সব প্রক্রিয়া আইন মেনেই সম্পন্ন হয়েছে।\সব মিলিয়ে, ক্ষমতায় থাকার সময় দ্রুত লাইসেন্স অনুমোদন, মামলা নিষ্পত্তি এবং নীতিগত সুবিধা প্রাপ্তির ঘটনায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও ন্যায্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এ বিষয়ে আমাদের আরেকটি প্রতিবেদনে বিস্তারিত তথ্য রয়েছে।অন্তর্বর্তী আমলে দেশে শনির দশা :অন্তর্বর্তী সরকারের প্রায় ১৮ মাসে দেশে আইনশৃঙ্খলা, অর্থনীতি, বিনিয়োগ ও জনজীবনে বড় ধরনের অবনতি ঘটে। লেখকের ভাষ্য অনুযায়ী, এ সময়ে মব সন্ত্রাস, রাজনৈতিক সহিংসতা, হত্যা, নির্যাতন, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাট বেড়ে যায়; একই সঙ্গে সাংবাদিক নির্যাতনের ঘটনাও উদ্বেগজনক মাত্রায় পৌঁছায়। খেলাপি ঋণ, বৈদেশিক ঋণ, সুদের হার ও বিনিয়োগ-স্থবিরতা বেড়েছে। বহু কারখানা বন্ধ হয়ে শ্রমিক চাকরি হারিয়েছেন, ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আস্থাহীনতা তৈরি হয়েছে, আর উচ্চ মূল্যস্ফীতি সাধারণ মানুষের জীবনকে আরও কঠিন করেছে। বড় উন্নয়ন প্রকল্পগুলো থমকে যায়, বিদেশি চুক্তিগুলো বিতর্ক তৈরি করে এবং রোহিঙ্গা ইস্যুতেও কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি হয়নি। সব মিলিয়ে লেখাটির বক্তব্য হলো, অন্তর্বর্তী সময়টি দেশে স্থিতিশীলতা, অর্থনৈতিক গতি ও জননিরাপত্তা—সব ক্ষেত্রেই নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। এ বিষয়ে বিস্তারিত পড়ুন আরেকটি বিশেষ প্রতিবেদনে।সবগুলো কাজ বেআইনি :সুপ্রিম কোর্টের দুজর জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে স্বার্থের সংঘাত ও সংবিধান লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে মতামত দিয়েছেন। তাঁদের মতে, রাষ্ট্রীয় পদে থেকে কোনো ব্যক্তি নিজের বা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের জন্য সুবিধা নেওয়া শপথের পরিপন্থী এবং ক্ষমতার অপব্যবহার। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মনজিল মোরসেদ বলেন, প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে ব্যক্তিগত স্বার্থ সংশ্লিষ্ট সিদ্ধান্ত নেওয়া “কনফ্লিক্ট অব ইন্টারেস্ট” তৈরি করে এবং তা শপথ ভঙ্গের শামিল। তিনি এসব কার্যক্রমকে বেআইনি দাবি করে সেগুলো বাতিল এবং প্রয়োজন হলে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান। অন্যদিকে, আইনজীবী ড. শাহদীন মালিক বলেন, সংবিধানের ১৪৭ ধারা অনুযায়ী সাংবিধানিক পদে থেকে লাভজনক কর্মকাণ্ডে যুক্ত হওয়া নিষিদ্ধ। তাঁর মতে, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো সুবিধা পাওয়ার ঘটনায় সেই বিধান লঙ্ঘনের প্রশ্ন উঠেছে। সব মিলিয়ে, আইন বিশেষজ্ঞদের মতে এসব কর্মকাণ্ডে নৈতিকতা, জবাবদিহি ও সাংবিধানিক সীমা লঙ্ঘনের অভিযোগ রয়েছে।দুজন আইনজীবীর অভিমত নিয়ে বিস্তারিত পড়ুন আলাদা প্রতিবেদনে।