আত্রাই বার্তা
বিজিবির অভিযানে হরিপুর সীমান্তে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় নেশাজাতীয় ট্যাবলেট উদ্ধার
দিনাজপুর ব্যাটালিয়ন (৪২ বিজিবির অভিযানে হরিপুর সীমান্তে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় নেশাজাতীয় ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে।দিনাজপুর ব্যাটালিয়ন (৪২ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এম এম জিল্লুর রহমান এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানা যায়,সীমান্তপথে মাদকের অবৈধ প্রবেশ ঠেকাতে দিনাজপুর ব্যাটালিয়ন (৪২ বিজিবি)র সতর্ক অবস্থান ও তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। তাই সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে গত ২ নভেম্বর দিবাগত রাতে দিনাজপুর ব্যাটালিয়ন (৪২ বিজিবি)-এর অধীনস্থ ঠাকুরগাঁও জেলার হরিপুর উপজেলাধীন সীমান্তবর্তী এলাকার কারিগাঁও বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে মালিকবিহীন অবস্থায় ৪১৬ পিস ভারতীয়নেশাজাতীয় ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। যার মূল্য ৮৩ হাজার ২ শ টাকা।এ সব উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্যের বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। একই সঙ্গে মাদক পাচারের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।
খানসামায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালিত
দিনাজপুরের খানসামা উপজেলায় ২০২৬ সালের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষার ফলাফলে সামগ্রিকভাবে হতাশাজনক চিত্র দেখা গেছে। উপজেলার ১১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে এবার মোট ৮৬৪ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে উত্তীর্ণ হয়েছেন ২৮৭ জন। সে হিসাবে উপজেলার সামগ্রিক পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৩৩ দশমিক ২২ শতাংশ। এসব প্রতিষ্ঠানে জিপিএ-৫ পেয়েছেন মাত্র চারজন শিক্ষার্থী।প্রতিষ্ঠানভিত্তিক ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, পাসের হারের দিক থেকে জমির উদ্দিন শাহ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ ৪৫ দশমিক ৮০ শতাংশ নিয়ে তালিকার শীর্ষে রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি থেকে ১৩১ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৬০ জন এবং জিপিএ-৫ পেয়েছেন একজন।পাকেরহাট সরকারি কলেজ থেকে ১৬৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছেন ৭০ জন। পাসের হার ৪১ দশমিক ৯২ শতাংশ। এ প্রতিষ্ঠান থেকেও একজন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছেন।খানসামা মহিলা কলেজ থেকে ১২৫ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৫০ জন উত্তীর্ণ হয়েছেন। প্রদত্ত পরীক্ষার্থী ও উত্তীর্ণের সংখ্যা অনুযায়ী পাসের হার ৪০ শতাংশ। এ প্রতিষ্ঠান থেকে একজন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছেন।শাপলা গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ৪৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১৫ জন পাস করেছেন। পাসের হার ৩৪ দশমিক ৮৮ শতাংশ।কাচিনিয়া আদর্শ মহিলা কলেজ থেকে তিনজন পরীক্ষার্থীর মধ্যে একজন উত্তীর্ণ হয়েছেন। পাসের হার ৩৩ দশমিক ৩৩ শতাংশ।হোসেনপুর ডিগ্রি কলেজ থেকে ৪৬ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১২ জন পাস করেছেন। পাসের হার ২৬ দশমিক ০৯ শতাংশ।খানসামা ডিগ্রি কলেজ থেকে ৮৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ২২ জন উত্তীর্ণ হয়েছেন। পাসের হার ২৫ দশমিক ২৯ শতাংশ।কাচিনিয়া উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ থেকে ১৯৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৪৬ জন পাস করেছেন। পাসের হার ২৩ দশমিক ৮৩ শতাংশ। প্রতিষ্ঠানটি থেকে একজন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছেন।ছাতিয়ানগড় স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ১৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে তিনজন উত্তীর্ণ হয়েছেন। পাসের হার ২৩ দশমিক ০৮ শতাংশ।বাংলা ভাষা কলেজ থেকে ৩৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে মাত্র সাতজন পাস করেছেন। পাসের হার ১৭ দশমিক ৯৫ শতাংশ।অন্যদিকে, আলোকডিহি আইডিয়াল কলেজ থেকে ১৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে মাত্র একজন উত্তীর্ণ হয়েছেন। প্রতিষ্ঠানটির পাসের হার ৫ দশমিক ৮৮ শতাংশ।সামগ্রিক ফলাফলে দেখা যায়, উপজেলার ১১টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে তিনটি প্রতিষ্ঠান থেকে একজন করে মোট তিনজন এবং কাচিনিয়া উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ থেকে একজনসহ সর্বমোট চারজন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করেছেন।শিক্ষা সংশ্লিষ্টদের মতে, এবারের ফলাফল উপজেলার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর পাঠদান, শিক্ষার্থীদের প্রস্তুতি, নিয়মিত পাঠচর্চা এবং শিক্ষার সার্বিক মান নিয়ে নতুন করে ভাবনার অবকাশ তৈরি করেছে। বিশেষ করে কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে পাসের হার ২০ শতাংশের নিচে নেমে আসা উদ্বেগের বিষয়।সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, ফলাফলের দুর্বল দিকগুলো চিহ্নিত করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষা প্রশাসনের সমন্বিত উদ্যোগে পাঠদানের মান উন্নয়নে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
দিনাজপুরে আত্রাই বার্তার ১০ বছর পূর্তি উদযাপিত
দিনাজপুরের খানসামা উপজেলায় ২০২৬ সালের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষার ফলাফলে সামগ্রিকভাবে হতাশাজনক চিত্র দেখা গেছে। উপজেলার ১১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে এবার মোট ৮৬৪ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে উত্তীর্ণ হয়েছেন ২৮৭ জন। সে হিসাবে উপজেলার সামগ্রিক পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৩৩ দশমিক ২২ শতাংশ। এসব প্রতিষ্ঠানে জিপিএ-৫ পেয়েছেন মাত্র চারজন শিক্ষার্থী।প্রতিষ্ঠানভিত্তিক ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, পাসের হারের দিক থেকে জমির উদ্দিন শাহ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ ৪৫ দশমিক ৮০ শতাংশ নিয়ে তালিকার শীর্ষে রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি থেকে ১৩১ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৬০ জন এবং জিপিএ-৫ পেয়েছেন একজন।পাকেরহাট সরকারি কলেজ থেকে ১৬৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছেন ৭০ জন। পাসের হার ৪১ দশমিক ৯২ শতাংশ। এ প্রতিষ্ঠান থেকেও একজন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছেন।খানসামা মহিলা কলেজ থেকে ১২৫ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৫০ জন উত্তীর্ণ হয়েছেন। প্রদত্ত পরীক্ষার্থী ও উত্তীর্ণের সংখ্যা অনুযায়ী পাসের হার ৪০ শতাংশ। এ প্রতিষ্ঠান থেকে একজন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছেন।শাপলা গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ৪৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১৫ জন পাস করেছেন। পাসের হার ৩৪ দশমিক ৮৮ শতাংশ।কাচিনিয়া আদর্শ মহিলা কলেজ থেকে তিনজন পরীক্ষার্থীর মধ্যে একজন উত্তীর্ণ হয়েছেন। পাসের হার ৩৩ দশমিক ৩৩ শতাংশ।হোসেনপুর ডিগ্রি কলেজ থেকে ৪৬ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১২ জন পাস করেছেন। পাসের হার ২৬ দশমিক ০৯ শতাংশ।খানসামা ডিগ্রি কলেজ থেকে ৮৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ২২ জন উত্তীর্ণ হয়েছেন। পাসের হার ২৫ দশমিক ২৯ শতাংশ।কাচিনিয়া উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ থেকে ১৯৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৪৬ জন পাস করেছেন। পাসের হার ২৩ দশমিক ৮৩ শতাংশ। প্রতিষ্ঠানটি থেকে একজন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছেন।ছাতিয়ানগড় স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ১৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে তিনজন উত্তীর্ণ হয়েছেন। পাসের হার ২৩ দশমিক ০৮ শতাংশ।বাংলা ভাষা কলেজ থেকে ৩৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে মাত্র সাতজন পাস করেছেন। পাসের হার ১৭ দশমিক ৯৫ শতাংশ।অন্যদিকে, আলোকডিহি আইডিয়াল কলেজ থেকে ১৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে মাত্র একজন উত্তীর্ণ হয়েছেন। প্রতিষ্ঠানটির পাসের হার ৫ দশমিক ৮৮ শতাংশ।সামগ্রিক ফলাফলে দেখা যায়, উপজেলার ১১টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে তিনটি প্রতিষ্ঠান থেকে একজন করে মোট তিনজন এবং কাচিনিয়া উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ থেকে একজনসহ সর্বমোট চারজন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করেছেন।শিক্ষা সংশ্লিষ্টদের মতে, এবারের ফলাফল উপজেলার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর পাঠদান, শিক্ষার্থীদের প্রস্তুতি, নিয়মিত পাঠচর্চা এবং শিক্ষার সার্বিক মান নিয়ে নতুন করে ভাবনার অবকাশ তৈরি করেছে। বিশেষ করে কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে পাসের হার ২০ শতাংশের নিচে নেমে আসা উদ্বেগের বিষয়।সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, ফলাফলের দুর্বল দিকগুলো চিহ্নিত করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষা প্রশাসনের সমন্বিত উদ্যোগে পাঠদানের মান উন্নয়নে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
সবুজে ফিরছে খানসামার মাঠ, ব্যস্ত সময় পার করছেন আমন চাষিরা
দিনাজপুরের খানসামা উপজেলায় ২০২৬ সালের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষার ফলাফলে সামগ্রিকভাবে হতাশাজনক চিত্র দেখা গেছে। উপজেলার ১১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে এবার মোট ৮৬৪ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে উত্তীর্ণ হয়েছেন ২৮৭ জন। সে হিসাবে উপজেলার সামগ্রিক পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৩৩ দশমিক ২২ শতাংশ। এসব প্রতিষ্ঠানে জিপিএ-৫ পেয়েছেন মাত্র চারজন শিক্ষার্থী।প্রতিষ্ঠানভিত্তিক ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, পাসের হারের দিক থেকে জমির উদ্দিন শাহ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ ৪৫ দশমিক ৮০ শতাংশ নিয়ে তালিকার শীর্ষে রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি থেকে ১৩১ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৬০ জন এবং জিপিএ-৫ পেয়েছেন একজন।পাকেরহাট সরকারি কলেজ থেকে ১৬৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছেন ৭০ জন। পাসের হার ৪১ দশমিক ৯২ শতাংশ। এ প্রতিষ্ঠান থেকেও একজন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছেন।খানসামা মহিলা কলেজ থেকে ১২৫ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৫০ জন উত্তীর্ণ হয়েছেন। প্রদত্ত পরীক্ষার্থী ও উত্তীর্ণের সংখ্যা অনুযায়ী পাসের হার ৪০ শতাংশ। এ প্রতিষ্ঠান থেকে একজন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছেন।শাপলা গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ৪৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১৫ জন পাস করেছেন। পাসের হার ৩৪ দশমিক ৮৮ শতাংশ।কাচিনিয়া আদর্শ মহিলা কলেজ থেকে তিনজন পরীক্ষার্থীর মধ্যে একজন উত্তীর্ণ হয়েছেন। পাসের হার ৩৩ দশমিক ৩৩ শতাংশ।হোসেনপুর ডিগ্রি কলেজ থেকে ৪৬ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১২ জন পাস করেছেন। পাসের হার ২৬ দশমিক ০৯ শতাংশ।খানসামা ডিগ্রি কলেজ থেকে ৮৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ২২ জন উত্তীর্ণ হয়েছেন। পাসের হার ২৫ দশমিক ২৯ শতাংশ।কাচিনিয়া উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ থেকে ১৯৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৪৬ জন পাস করেছেন। পাসের হার ২৩ দশমিক ৮৩ শতাংশ। প্রতিষ্ঠানটি থেকে একজন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছেন।ছাতিয়ানগড় স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ১৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে তিনজন উত্তীর্ণ হয়েছেন। পাসের হার ২৩ দশমিক ০৮ শতাংশ।বাংলা ভাষা কলেজ থেকে ৩৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে মাত্র সাতজন পাস করেছেন। পাসের হার ১৭ দশমিক ৯৫ শতাংশ।অন্যদিকে, আলোকডিহি আইডিয়াল কলেজ থেকে ১৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে মাত্র একজন উত্তীর্ণ হয়েছেন। প্রতিষ্ঠানটির পাসের হার ৫ দশমিক ৮৮ শতাংশ।সামগ্রিক ফলাফলে দেখা যায়, উপজেলার ১১টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে তিনটি প্রতিষ্ঠান থেকে একজন করে মোট তিনজন এবং কাচিনিয়া উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ থেকে একজনসহ সর্বমোট চারজন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করেছেন।শিক্ষা সংশ্লিষ্টদের মতে, এবারের ফলাফল উপজেলার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর পাঠদান, শিক্ষার্থীদের প্রস্তুতি, নিয়মিত পাঠচর্চা এবং শিক্ষার সার্বিক মান নিয়ে নতুন করে ভাবনার অবকাশ তৈরি করেছে। বিশেষ করে কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে পাসের হার ২০ শতাংশের নিচে নেমে আসা উদ্বেগের বিষয়।সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, ফলাফলের দুর্বল দিকগুলো চিহ্নিত করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষা প্রশাসনের সমন্বিত উদ্যোগে পাঠদানের মান উন্নয়নে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
সবাইকে কাঁদিয়ে না ফেরার দেশে চলে গেলেন মাওলানা আবদুল খালেক জানাজায় শোকার্ত মানুষের ঢল
অফিস সময়ে তালাবদ্ধ ইউনিয়ন পরিষদ,উড়ছে জাতীয় পতাকা—নেই কর্মকর্তা-কর্মচারী
মানবিকতায় এগিয়ে ‘গো ফ্যাভলো ফাউন্ডেশন'
নীলফামারী জেলার ৪ জন এমপির সংবর্ধনা ঈদ উৎসব ও মনোজ্ঞ সংস্কৃতিক অনুষ্ঠান
ডিমলায় কৃষি বিভাগের উদ্যোগে চরাঞ্চলের কৃষকদের মাঝে এলএলপি সেট ও পাইপ বিতরণ
খানসামায় রক্তরেখা ব্লাড ব্যাংকের উদ্যোগে ২৩৯ কপি কুরআন মাজিদ বিতরণ কর্মসূচী ২০২৫ অনুষ্ঠিত ।
গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে জামায়াতের এমপি ডিমলায় লিফলেট বিতরণ করেন
ডিমলা প্রশাসনের উদ্যোগে ফুয়েল কার্ড বিতরণ শুরু
ঈদের আনন্দের ভিড়ে এক পরিবারের নীরব কান্না: রাতের আঁধারে চুরি গেল জীবিকার একমাত্র ভ্যান
সৈয়দপুরে বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
বিজিবির অভিযানে হরিপুর সীমান্তে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় নেশাজাতীয় ট্যাবলেট উদ্ধার
এলপিজির ১২ কেজি সিলিন্ডারে দাম বাড়ল ২২৩ টাকা, নতুন মূল্য ২ হাজার ৬০ টাকা
জাতীয় যুব দিবস উপলক্ষে খানসামায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি
ঠাকুরগাঁওয়ে চেক জালিয়াতির মামলায় পীরগঞ্জের প্রধান শিক্ষক আটক
ডিমলায় ৫২ বছর বয়সে এইচএসসি পাশ করল শেফালী
ডিমলায় জাতীয় যুব উন্নয়ন দিবস উদযাপন
এইচএসসির ফলাফলে খানসামায় হতাশার চিত্র, ১১ প্রতিষ্ঠানে পাসের হার ৩৩.২২ শতাংশ
ডিমলায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক কার্যক্রম ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান
ডিমলায় শতবর্ষী গাছবাড়ি খেলার মাঠ ৬ ঘন্টায় দখল মুক্ত হল
ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে বিএনপির মির্জা ফয়সল আমীনের বিপুল ভোটে জয়
শত্রুকে ‘স্মরণীয় শিক্ষা’ দেব, ৯০% পর্যন্ত ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করার হুমকি ইরানের
ইরান সতর্ক করে বলেছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যদি আবার তাদের ভূখণ্ডে হামলা চালায়, তাহলে তেহরানের সম্ভাব্য জবাবগুলোর একটি হতে পারে ইউরেনিয়াম ৯০ শতাংশ পর্যন্ত সমৃদ্ধকরণ। সোজা কথায় পরমাণু অস্ত্র তৈরির সক্ষমতা অর্জন। একই সঙ্গে, ফের হামলা হলে ইরান শত্রুকে এমন শিক্ষা দেবে যা তারা সবসময় ‘স্মরণ’ রাখবে। ইরানের পার্লামেন্টের পররাষ্ট্রনীতি ও জাতীয় নিরাপত্তা কমিটির মুখপাত্র ইব্রাহিম রেজায়ী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে এই বিষয়ে বলেন, ‘আমরা এটি পার্লামেন্টে পর্যালোচনা করব।’ এর আগে, গত রোববার ইরান যুদ্ধের অবসান ঘটাতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবের জবাব পাকিস্তানের মাধ্যমে পাঠায়। কিন্তু ট্রাম্প সেটিকে ‘পুরোপুরি অগ্রহণযোগ্য’ বলে প্রত্যাখ্যান করেন। এর পর সোমবার ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ বলেন, যেকোনো আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ইরান ‘স্মরণীয় শিক্ষা’ দিতে প্রস্তুত। তিনি এক্সে দেওয়া এক পোস্টে লেখেন, ‘আমাদের সশস্ত্র বাহিনী যেকোনো আগ্রাসনের জবাবে স্মরণীয় শিক্ষা দিতে প্রস্তুত।’ তিনি আরও বলেন, ‘ভুল কৌশল ও ভুল সিদ্ধান্ত সব সময় ভুল ফলাফল তৈরি করে। পুরো বিশ্ব ইতিমধ্যেই এটি বুঝে গেছে।’ গালিবাফ সতর্ক করে বলেন, ইরান ‘সব ধরনের বিকল্পের’ জন্য প্রস্তুত এবং প্রতিপক্ষরা ‘বিস্মিত হবে।’ এক্সে শেয়ার করা আরেক পোস্টে তিনি বলেন, তেহরানের ১৪ দফা প্রস্তাবে বর্ণিত ইরানি জনগণের অধিকার মেনে নেওয়া ছাড়া ‘আর কোনো বিকল্প নেই।’ গালিবাফ লেখেন, ‘অন্য যেকোনো পন্থা পুরোপুরি ব্যর্থ হবে। একের পর এক ব্যর্থতা ছাড়া কিছুই আসবে না।’ তিনি আরও বলেন, ‘তারা যত বেশি সময়ক্ষেপণ করবে, মার্কিন করদাতাদের তত বেশি মূল্য দিতে হবে।’ এদিকে ইরানের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম গরিবাবাদি হরমুজ প্রণালি নিয়ে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে সম্ভাব্য একটি খসড়া প্রস্তাবের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন উদ্যোগের সমালোচনা করেন। এক্সে দেওয়া এক পোস্টে গরিবাবাদি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও কয়েকটি আঞ্চলিক অংশীদারের এই খসড়া প্রস্তাব এগিয়ে নেওয়ার প্রচেষ্টা আসলে ‘বাস্তবতাকে বিকৃত’ করার চেষ্টা। তাঁর ভাষায়, এটি ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক আগ্রাসন ও অবৈধ অবরোধের বাস্তবতা আড়াল করার উদ্যোগ। তিনি বলেন, নৌ চলাচলের স্বাধীনতাকে জাতিসংঘ সনদ থেকে আলাদা করে বা বেছে বেছে ব্যাখ্যা করা যায় না। তাঁর মতে, ‘বলপ্রয়োগ, নৌ অবরোধ এবং ধারাবাহিক হুমকি’ উপেক্ষা করে সামুদ্রিক নিরাপত্তা নিয়ে যেকোনো উদ্যোগ নিরপেক্ষতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা হারাবে। গরিবাবাদি আরও বলেন, হরমুজ প্রণালি নিয়ে এমন কোনো প্রস্তাব, যেখানে ইরানের ভাষ্য অনুযায়ী আগ্রাসনের বিষয়টি এবং নিজেদের নিরাপত্তা স্বার্থ রক্ষায় তেহরানের ‘বৈধ অধিকার’ স্বীকার করা হবে না, সেটি হবে ‘পক্ষপাতদুষ্ট, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং ব্যর্থ হতে বাধ্য।’ প্রসঙ্গত, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে হামলা চালানোর পর তেহরান পাল্টা জবাব দেয়। ইসরায়েলের পাশাপাশি উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্রদের লক্ষ্যবস্তু করা হয় এবং হরমুজ প্রণালিও বন্ধ করে দেওয়া হয়। পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ৮ এপ্রিল যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলেও ইসলামাবাদের আলোচনা স্থায়ী সমঝোতা আনতে ব্যর্থ হয়। পরে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নির্দিষ্ট কোনো সময়সীমা ছাড়াই যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়িয়ে দেন।
টিকাদান কর্মসূচি: হামের টিকা সরবরাহে ঘাটতি ৭৩ শতাংশ
টিকাদান কর্মসূচি: হামের টিকা সরবরাহে ঘাটতি ৭৩ শতাংশ