আত্রাই বার্তা
এইচএসসির ফলাফলে খানসামায় হতাশার চিত্র, ১১ প্রতিষ্ঠানে পাসের হার ৩৩.২২ শতাংশ
দিনাজপুরের খানসামা উপজেলায় ২০২৬ সালের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষার ফলাফলে সামগ্রিকভাবে হতাশাজনক চিত্র দেখা গেছে। উপজেলার ১১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে এবার মোট ৮৬৪ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে উত্তীর্ণ হয়েছেন ২৮৭ জন। সে হিসাবে উপজেলার সামগ্রিক পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৩৩ দশমিক ২২ শতাংশ। এসব প্রতিষ্ঠানে জিপিএ-৫ পেয়েছেন মাত্র চারজন শিক্ষার্থী।প্রতিষ্ঠানভিত্তিক ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, পাসের হারের দিক থেকে জমির উদ্দিন শাহ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ ৪৫ দশমিক ৮০ শতাংশ নিয়ে তালিকার শীর্ষে রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি থেকে ১৩১ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৬০ জন এবং জিপিএ-৫ পেয়েছেন একজন।পাকেরহাট সরকারি কলেজ থেকে ১৬৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছেন ৭০ জন। পাসের হার ৪১ দশমিক ৯২ শতাংশ। এ প্রতিষ্ঠান থেকেও একজন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছেন।খানসামা মহিলা কলেজ থেকে ১২৫ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৫০ জন উত্তীর্ণ হয়েছেন। প্রদত্ত পরীক্ষার্থী ও উত্তীর্ণের সংখ্যা অনুযায়ী পাসের হার ৪০ শতাংশ। এ প্রতিষ্ঠান থেকে একজন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছেন।শাপলা গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ৪৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১৫ জন পাস করেছেন। পাসের হার ৩৪ দশমিক ৮৮ শতাংশ।কাচিনিয়া আদর্শ মহিলা কলেজ থেকে তিনজন পরীক্ষার্থীর মধ্যে একজন উত্তীর্ণ হয়েছেন। পাসের হার ৩৩ দশমিক ৩৩ শতাংশ।হোসেনপুর ডিগ্রি কলেজ থেকে ৪৬ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১২ জন পাস করেছেন। পাসের হার ২৬ দশমিক ০৯ শতাংশ।খানসামা ডিগ্রি কলেজ থেকে ৮৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ২২ জন উত্তীর্ণ হয়েছেন। পাসের হার ২৫ দশমিক ২৯ শতাংশ।কাচিনিয়া উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ থেকে ১৯৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৪৬ জন পাস করেছেন। পাসের হার ২৩ দশমিক ৮৩ শতাংশ। প্রতিষ্ঠানটি থেকে একজন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছেন।ছাতিয়ানগড় স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ১৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে তিনজন উত্তীর্ণ হয়েছেন। পাসের হার ২৩ দশমিক ০৮ শতাংশ।বাংলা ভাষা কলেজ থেকে ৩৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে মাত্র সাতজন পাস করেছেন। পাসের হার ১৭ দশমিক ৯৫ শতাংশ।অন্যদিকে, আলোকডিহি আইডিয়াল কলেজ থেকে ১৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে মাত্র একজন উত্তীর্ণ হয়েছেন। প্রতিষ্ঠানটির পাসের হার ৫ দশমিক ৮৮ শতাংশ।সামগ্রিক ফলাফলে দেখা যায়, উপজেলার ১১টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে তিনটি প্রতিষ্ঠান থেকে একজন করে মোট তিনজন এবং কাচিনিয়া উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ থেকে একজনসহ সর্বমোট চারজন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করেছেন।শিক্ষা সংশ্লিষ্টদের মতে, এবারের ফলাফল উপজেলার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর পাঠদান, শিক্ষার্থীদের প্রস্তুতি, নিয়মিত পাঠচর্চা এবং শিক্ষার সার্বিক মান নিয়ে নতুন করে ভাবনার অবকাশ তৈরি করেছে। বিশেষ করে কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে পাসের হার ২০ শতাংশের নিচে নেমে আসা উদ্বেগের বিষয়।সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, ফলাফলের দুর্বল দিকগুলো চিহ্নিত করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষা প্রশাসনের সমন্বিত উদ্যোগে পাঠদানের মান উন্নয়নে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
দিনাজপুরে আত্রাই বার্তার ১০ বছর পূর্তি উদযাপিত
দিনাজপুরের খানসামা উপজেলার ৩ নম্বর আঙ্গারপাড়া ইউনিয়নের গ্রামীণ শহর পাকেরহাটের গুরুত্বপূর্ণ স্থান শাপলা চত্বরে স্থাপিত একটি মাইলফলকে ইংরেজি বানান ভুল থাকলেও দীর্ঘদিন ধরে তা সংশোধনের কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। মাইলফলকটির উপরের অংশে বাংলায় ‘খানসামা’ লেখা সঠিক থাকলেও নিচে ইংরেজিতে ‘Khansama’-এর পরিবর্তে ‘Khansana’ লেখা রয়েছে।স্থানীয়ভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই চত্বর দিয়ে প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ ও যানবাহন চলাচল করে। ফলে মাইলফলকের মতো একটি নির্দেশক স্থাপনায় এমন বানান ভুল শুধু দৃষ্টিকটুই নয়, বরং এলাকার নামের সঠিক বানান ও পরিচিতি তুলে ধরার ক্ষেত্রেও অসংগতির সৃষ্টি করছে।স্থানীয়দের মতে, একটি জনবহুল ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানে স্থাপিত মাইলফলকে দীর্ঘদিন ধরে এমন ভুল থাকা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারি ও রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রম নিয়ে প্রশ্নের অবকাশ তৈরি করে। জনসাধারণের ব্যবহারের জন্য স্থাপিত সরকারি বা জনসেবামূলক স্থাপনায় সঠিক তথ্য নিশ্চিত করা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দায়িত্বের অংশ।এতদিনেও মাইলফলকটির ইংরেজি বানান সংশোধনে দৃশ্যমান কোনো উদ্যোগ চোখে না পড়ায় স্থানীয়দের মধ্যে অসন্তোষ রয়েছে। বিষয়টি উপজেলা প্রশাসন, সংশ্লিষ্ট জনপ্রতিনিধি এবং মাইলফলকটির রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে থাকা কর্তৃপক্ষের নজরে আনা জরুরি বলে মনে করছেন সচেতন মহল।একটি এলাকার নামের সঠিক বানান নিশ্চিত করা নিছক আনুষ্ঠানিকতা নয়; এটি এলাকার পরিচিতি, ঐতিহ্য ও প্রশাসনিক শুদ্ধতার সঙ্গে সম্পর্কিত। বিশেষ করে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও জনসমাগমস্থলে থাকা নির্দেশকগুলোতে বাংলা ও ইংরেজি—উভয় ভাষায় নির্ভুল তথ্য থাকা অত্যন্ত জরুরি।তাই পাকেরহাট শাপলা চত্বরের মাইলফলকটির ইংরেজি বানান ‘Khansana’ সংশোধন করে ‘Khansama’ লেখার জন্য দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণে উপজেলা প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হচ্ছে। পাশাপাশি উপজেলার বিভিন্ন সড়ক, মোড় ও জনসমাগমস্থলে থাকা মাইলফলক ও দিকনির্দেশনামূলক সাইনবোর্ডগুলো পরীক্ষা করে এ ধরনের ভুল থাকলে তা সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন সচেতন নাগরিকেরা।সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত পদক্ষেপের মাধ্যমে ভুল বানানটি সংশোধন করা হবে—এমনটাই প্রত্যাশা স্থানীয়দের।
সবুজে ফিরছে খানসামার মাঠ, ব্যস্ত সময় পার করছেন আমন চাষিরা
দিনাজপুরের খানসামা উপজেলার ৩ নম্বর আঙ্গারপাড়া ইউনিয়নের গ্রামীণ শহর পাকেরহাটের গুরুত্বপূর্ণ স্থান শাপলা চত্বরে স্থাপিত একটি মাইলফলকে ইংরেজি বানান ভুল থাকলেও দীর্ঘদিন ধরে তা সংশোধনের কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। মাইলফলকটির উপরের অংশে বাংলায় ‘খানসামা’ লেখা সঠিক থাকলেও নিচে ইংরেজিতে ‘Khansama’-এর পরিবর্তে ‘Khansana’ লেখা রয়েছে।স্থানীয়ভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই চত্বর দিয়ে প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ ও যানবাহন চলাচল করে। ফলে মাইলফলকের মতো একটি নির্দেশক স্থাপনায় এমন বানান ভুল শুধু দৃষ্টিকটুই নয়, বরং এলাকার নামের সঠিক বানান ও পরিচিতি তুলে ধরার ক্ষেত্রেও অসংগতির সৃষ্টি করছে।স্থানীয়দের মতে, একটি জনবহুল ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানে স্থাপিত মাইলফলকে দীর্ঘদিন ধরে এমন ভুল থাকা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারি ও রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রম নিয়ে প্রশ্নের অবকাশ তৈরি করে। জনসাধারণের ব্যবহারের জন্য স্থাপিত সরকারি বা জনসেবামূলক স্থাপনায় সঠিক তথ্য নিশ্চিত করা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দায়িত্বের অংশ।এতদিনেও মাইলফলকটির ইংরেজি বানান সংশোধনে দৃশ্যমান কোনো উদ্যোগ চোখে না পড়ায় স্থানীয়দের মধ্যে অসন্তোষ রয়েছে। বিষয়টি উপজেলা প্রশাসন, সংশ্লিষ্ট জনপ্রতিনিধি এবং মাইলফলকটির রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে থাকা কর্তৃপক্ষের নজরে আনা জরুরি বলে মনে করছেন সচেতন মহল।একটি এলাকার নামের সঠিক বানান নিশ্চিত করা নিছক আনুষ্ঠানিকতা নয়; এটি এলাকার পরিচিতি, ঐতিহ্য ও প্রশাসনিক শুদ্ধতার সঙ্গে সম্পর্কিত। বিশেষ করে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও জনসমাগমস্থলে থাকা নির্দেশকগুলোতে বাংলা ও ইংরেজি—উভয় ভাষায় নির্ভুল তথ্য থাকা অত্যন্ত জরুরি।তাই পাকেরহাট শাপলা চত্বরের মাইলফলকটির ইংরেজি বানান ‘Khansana’ সংশোধন করে ‘Khansama’ লেখার জন্য দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণে উপজেলা প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হচ্ছে। পাশাপাশি উপজেলার বিভিন্ন সড়ক, মোড় ও জনসমাগমস্থলে থাকা মাইলফলক ও দিকনির্দেশনামূলক সাইনবোর্ডগুলো পরীক্ষা করে এ ধরনের ভুল থাকলে তা সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন সচেতন নাগরিকেরা।সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত পদক্ষেপের মাধ্যমে ভুল বানানটি সংশোধন করা হবে—এমনটাই প্রত্যাশা স্থানীয়দের।
কালীগঞ্জে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর উন্নয়ন ও কৃষি প্রণোদনা বিতরণ
দিনাজপুরের খানসামা উপজেলার ৩ নম্বর আঙ্গারপাড়া ইউনিয়নের গ্রামীণ শহর পাকেরহাটের গুরুত্বপূর্ণ স্থান শাপলা চত্বরে স্থাপিত একটি মাইলফলকে ইংরেজি বানান ভুল থাকলেও দীর্ঘদিন ধরে তা সংশোধনের কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। মাইলফলকটির উপরের অংশে বাংলায় ‘খানসামা’ লেখা সঠিক থাকলেও নিচে ইংরেজিতে ‘Khansama’-এর পরিবর্তে ‘Khansana’ লেখা রয়েছে।স্থানীয়ভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই চত্বর দিয়ে প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ ও যানবাহন চলাচল করে। ফলে মাইলফলকের মতো একটি নির্দেশক স্থাপনায় এমন বানান ভুল শুধু দৃষ্টিকটুই নয়, বরং এলাকার নামের সঠিক বানান ও পরিচিতি তুলে ধরার ক্ষেত্রেও অসংগতির সৃষ্টি করছে।স্থানীয়দের মতে, একটি জনবহুল ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানে স্থাপিত মাইলফলকে দীর্ঘদিন ধরে এমন ভুল থাকা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারি ও রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রম নিয়ে প্রশ্নের অবকাশ তৈরি করে। জনসাধারণের ব্যবহারের জন্য স্থাপিত সরকারি বা জনসেবামূলক স্থাপনায় সঠিক তথ্য নিশ্চিত করা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দায়িত্বের অংশ।এতদিনেও মাইলফলকটির ইংরেজি বানান সংশোধনে দৃশ্যমান কোনো উদ্যোগ চোখে না পড়ায় স্থানীয়দের মধ্যে অসন্তোষ রয়েছে। বিষয়টি উপজেলা প্রশাসন, সংশ্লিষ্ট জনপ্রতিনিধি এবং মাইলফলকটির রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে থাকা কর্তৃপক্ষের নজরে আনা জরুরি বলে মনে করছেন সচেতন মহল।একটি এলাকার নামের সঠিক বানান নিশ্চিত করা নিছক আনুষ্ঠানিকতা নয়; এটি এলাকার পরিচিতি, ঐতিহ্য ও প্রশাসনিক শুদ্ধতার সঙ্গে সম্পর্কিত। বিশেষ করে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও জনসমাগমস্থলে থাকা নির্দেশকগুলোতে বাংলা ও ইংরেজি—উভয় ভাষায় নির্ভুল তথ্য থাকা অত্যন্ত জরুরি।তাই পাকেরহাট শাপলা চত্বরের মাইলফলকটির ইংরেজি বানান ‘Khansana’ সংশোধন করে ‘Khansama’ লেখার জন্য দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণে উপজেলা প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হচ্ছে। পাশাপাশি উপজেলার বিভিন্ন সড়ক, মোড় ও জনসমাগমস্থলে থাকা মাইলফলক ও দিকনির্দেশনামূলক সাইনবোর্ডগুলো পরীক্ষা করে এ ধরনের ভুল থাকলে তা সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন সচেতন নাগরিকেরা।সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত পদক্ষেপের মাধ্যমে ভুল বানানটি সংশোধন করা হবে—এমনটাই প্রত্যাশা স্থানীয়দের।
সবাইকে কাঁদিয়ে না ফেরার দেশে চলে গেলেন মাওলানা আবদুল খালেক জানাজায় শোকার্ত মানুষের ঢল
অফিস সময়ে তালাবদ্ধ ইউনিয়ন পরিষদ,উড়ছে জাতীয় পতাকা—নেই কর্মকর্তা-কর্মচারী
মানবিকতায় এগিয়ে ‘গো ফ্যাভলো ফাউন্ডেশন'
নীলফামারী জেলার ৪ জন এমপির সংবর্ধনা ঈদ উৎসব ও মনোজ্ঞ সংস্কৃতিক অনুষ্ঠান
ডিমলায় কৃষি বিভাগের উদ্যোগে চরাঞ্চলের কৃষকদের মাঝে এলএলপি সেট ও পাইপ বিতরণ
খানসামায় রক্তরেখা ব্লাড ব্যাংকের উদ্যোগে ২৩৯ কপি কুরআন মাজিদ বিতরণ কর্মসূচী ২০২৫ অনুষ্ঠিত ।
গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে জামায়াতের এমপি ডিমলায় লিফলেট বিতরণ করেন
ডিমলা প্রশাসনের উদ্যোগে ফুয়েল কার্ড বিতরণ শুরু
ঈদের আনন্দের ভিড়ে এক পরিবারের নীরব কান্না: রাতের আঁধারে চুরি গেল জীবিকার একমাত্র ভ্যান
সৈয়দপুরে বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
এইচএসসির ফলাফলে খানসামায় হতাশার চিত্র, ১১ প্রতিষ্ঠানে পাসের হার ৩৩.২২ শতাংশ
ডিমলায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক কার্যক্রম ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান
ডিমলায় শতবর্ষী গাছবাড়ি খেলার মাঠ ৬ ঘন্টায় দখল মুক্ত হল
ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে বিএনপির মির্জা ফয়সল আমীনের বিপুল ভোটে জয়
ঠাকুরগাঁও- ১ আসন উপনির্বাচনে ৩ ভুয়া ভোটার আটক
প্রিজাইডিং কর্মকর্তার পরিচয়পত্রে ছবি না থাকার অভিযোগ জামায়াত প্রার্থীর
পাকেরহাট শাপলা চত্বরে মাইলফলকে বানান ভুল, দীর্ঘদিনেও সংশোধনের উদ্যোগ নেই
ডিজেলের দাম বাড়ল ২০ টাকা, জমি চাষের ভাড়া বাড়লো ৩০০–৪০০ টাকা কৃষকদের পাশে দাঁড়াবে কে?
খানসামায় ৫০ মৌজার গেজেট প্রকাশ, তবু অনলাইনে মিলছে না ভূমির তথ্য
খানসামায় ট্রলির চাকায় পিষ্ট হয়ে ৪ বছরের শিশুর মৃত্যু, ক্ষুব্ধ জনতার আগুনে পুড়ল ট্রলি
শত্রুকে ‘স্মরণীয় শিক্ষা’ দেব, ৯০% পর্যন্ত ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করার হুমকি ইরানের
ইরান সতর্ক করে বলেছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যদি আবার তাদের ভূখণ্ডে হামলা চালায়, তাহলে তেহরানের সম্ভাব্য জবাবগুলোর একটি হতে পারে ইউরেনিয়াম ৯০ শতাংশ পর্যন্ত সমৃদ্ধকরণ। সোজা কথায় পরমাণু অস্ত্র তৈরির সক্ষমতা অর্জন। একই সঙ্গে, ফের হামলা হলে ইরান শত্রুকে এমন শিক্ষা দেবে যা তারা সবসময় ‘স্মরণ’ রাখবে। ইরানের পার্লামেন্টের পররাষ্ট্রনীতি ও জাতীয় নিরাপত্তা কমিটির মুখপাত্র ইব্রাহিম রেজায়ী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে এই বিষয়ে বলেন, ‘আমরা এটি পার্লামেন্টে পর্যালোচনা করব।’ এর আগে, গত রোববার ইরান যুদ্ধের অবসান ঘটাতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবের জবাব পাকিস্তানের মাধ্যমে পাঠায়। কিন্তু ট্রাম্প সেটিকে ‘পুরোপুরি অগ্রহণযোগ্য’ বলে প্রত্যাখ্যান করেন। এর পর সোমবার ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ বলেন, যেকোনো আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ইরান ‘স্মরণীয় শিক্ষা’ দিতে প্রস্তুত। তিনি এক্সে দেওয়া এক পোস্টে লেখেন, ‘আমাদের সশস্ত্র বাহিনী যেকোনো আগ্রাসনের জবাবে স্মরণীয় শিক্ষা দিতে প্রস্তুত।’ তিনি আরও বলেন, ‘ভুল কৌশল ও ভুল সিদ্ধান্ত সব সময় ভুল ফলাফল তৈরি করে। পুরো বিশ্ব ইতিমধ্যেই এটি বুঝে গেছে।’ গালিবাফ সতর্ক করে বলেন, ইরান ‘সব ধরনের বিকল্পের’ জন্য প্রস্তুত এবং প্রতিপক্ষরা ‘বিস্মিত হবে।’ এক্সে শেয়ার করা আরেক পোস্টে তিনি বলেন, তেহরানের ১৪ দফা প্রস্তাবে বর্ণিত ইরানি জনগণের অধিকার মেনে নেওয়া ছাড়া ‘আর কোনো বিকল্প নেই।’ গালিবাফ লেখেন, ‘অন্য যেকোনো পন্থা পুরোপুরি ব্যর্থ হবে। একের পর এক ব্যর্থতা ছাড়া কিছুই আসবে না।’ তিনি আরও বলেন, ‘তারা যত বেশি সময়ক্ষেপণ করবে, মার্কিন করদাতাদের তত বেশি মূল্য দিতে হবে।’ এদিকে ইরানের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম গরিবাবাদি হরমুজ প্রণালি নিয়ে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে সম্ভাব্য একটি খসড়া প্রস্তাবের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন উদ্যোগের সমালোচনা করেন। এক্সে দেওয়া এক পোস্টে গরিবাবাদি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও কয়েকটি আঞ্চলিক অংশীদারের এই খসড়া প্রস্তাব এগিয়ে নেওয়ার প্রচেষ্টা আসলে ‘বাস্তবতাকে বিকৃত’ করার চেষ্টা। তাঁর ভাষায়, এটি ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক আগ্রাসন ও অবৈধ অবরোধের বাস্তবতা আড়াল করার উদ্যোগ। তিনি বলেন, নৌ চলাচলের স্বাধীনতাকে জাতিসংঘ সনদ থেকে আলাদা করে বা বেছে বেছে ব্যাখ্যা করা যায় না। তাঁর মতে, ‘বলপ্রয়োগ, নৌ অবরোধ এবং ধারাবাহিক হুমকি’ উপেক্ষা করে সামুদ্রিক নিরাপত্তা নিয়ে যেকোনো উদ্যোগ নিরপেক্ষতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা হারাবে। গরিবাবাদি আরও বলেন, হরমুজ প্রণালি নিয়ে এমন কোনো প্রস্তাব, যেখানে ইরানের ভাষ্য অনুযায়ী আগ্রাসনের বিষয়টি এবং নিজেদের নিরাপত্তা স্বার্থ রক্ষায় তেহরানের ‘বৈধ অধিকার’ স্বীকার করা হবে না, সেটি হবে ‘পক্ষপাতদুষ্ট, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং ব্যর্থ হতে বাধ্য।’ প্রসঙ্গত, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে হামলা চালানোর পর তেহরান পাল্টা জবাব দেয়। ইসরায়েলের পাশাপাশি উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্রদের লক্ষ্যবস্তু করা হয় এবং হরমুজ প্রণালিও বন্ধ করে দেওয়া হয়। পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ৮ এপ্রিল যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলেও ইসলামাবাদের আলোচনা স্থায়ী সমঝোতা আনতে ব্যর্থ হয়। পরে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নির্দিষ্ট কোনো সময়সীমা ছাড়াই যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়িয়ে দেন।
টিকাদান কর্মসূচি: হামের টিকা সরবরাহে ঘাটতি ৭৩ শতাংশ
টিকাদান কর্মসূচি: হামের টিকা সরবরাহে ঘাটতি ৭৩ শতাংশ