আত্রাই বার্তা
কারিগরি প্রশিক্ষণকেন্দ্রে কোর্চ পরিচালনায় ৯৯ ভাষা প্রশিক্ষক নিয়োগ
সরকারি কারিগরি প্রশিক্ষণকেন্দ্রগুলোতে (টিটিসি) ভাষা শিক্ষা কোর্স পরিচালনার জন্য ৯৯ জন অতিথি ভাষা প্রশিক্ষক নিয়োগ দেবে জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি)।জাপানিজ, কোরিয়ান, আরবি, জার্মান, ইটালিয়ান ও ইংরেজি—এই ছয় ভাষায় দক্ষ প্রার্থীরা প্যানেল তৈরির এই প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে পারবেন। আগ্রহী প্রার্থীদের ১৮ মার্চের মধ্যে ডাকযোগে আবেদন করতে হবে।পদের বিবরণ ও সংখ্যা—মোট ৯৯টি পদের মধ্যে রয়েছে:জাপানিজ ভাষা: ৫০ জন।ইংরেজি ভাষা: ২০ জন।আরবি ভাষা: ৮ জন।ইটালিয়ান ভাষা: ৮ জন।জার্মান ভাষা: ৭ জন।কোরিয়ান ভাষা: ৬ জন।যোগ্যতা ও সম্মানী- জাপানিজ, কোরিয়ান, জার্মান ও ইটালিয়ান ভাষার ক্ষেত্রে ন্যূনতম এইচএসসি পাসসহ সংশ্লিষ্ট ভাষার নির্দিষ্ট লেভেল (যেমন: JLPT N3, TOPIK Level-3 ইত্যাদি) উত্তীর্ণ হতে হবে। ইংরেজি ও আরবির ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি থাকতে হবে। সংশ্লিষ্ট দেশে অবস্থানকারী বা অভিজ্ঞদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।নিযুক্ত প্রশিক্ষকেরা প্রতি ঘণ্টার জন্য ৮০০ টাকা সম্মানী পাবেন। তবে এক দিনে সর্বোচ্চ ৪ ঘণ্টার সম্মানী প্রাপ্য হবেন।আবেদনপ্রক্রিয়া- আগ্রহী প্রার্থীদের বিএমইটির ওয়েবসাইট থেকে নির্ধারিত ফরম ডাউনলোড করে পূরণ করতে হবে। আবেদনপত্রের স্ক্যান কপি অনলাইনে পাঠানোর পাশাপাশি শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতার সব সনদের সত্যায়িত অনুলিপিসহ মূল আবেদনপত্র ডাকযোগে পাঠাতে হবে। সরাসরি কোনো আবেদন গ্রহণ করা হবে না।আবেদনের ঠিকানা: মহাপরিচালক, জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি), ৮৯/২, কাকরাইল, ঢাকা।পরীক্ষার সময়সূচি- জাপানিজ ভাষা বাদে অন্য সব ভাষার লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা আগামী ৩ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হবে। জাপানিজ ভাষার পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ১০ এপ্রিল। উভয় পরীক্ষাই ঢাকার মিরপুরের ‘ঢাকা টেকনিক্যাল টিচার্স ট্রেনিং ইনস্টিটিউট’ (DTTTI) কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে।
ডিটক্স ওয়াটার— কতটা উপকারী, কিভাবে খাবেন
ঈদের সময় স্বাভাবিকভাবেই খাবারের তালিকায় থাকে নানারকম ভারি ও তেল-মসলাযুক্ত খাবার। এসব খাবার বেশি খেলে হজম প্রক্রিয়া ধীর হয়ে যেতে পারে। ফলে পেট ফাঁপা, বদহজম, পেটে ব্যথা, এমনকি বমির মতো সমস্যাও দেখা দেয়, যা সামগ্রিক সুস্থতার ওপর প্রভাব ফেলে।হজম একটি জটিল প্রক্রিয়া, যেখানে শরীরকে অতিরিক্ত শক্তি ব্যয় করতে হয়। খাবার গ্রহণের পর পাকস্থলী ও অন্ত্রে বেশি পরিমাণে রক্ত প্রবাহিত হয়। একই সঙ্গে অ্যাসিড, এনজাইম এবং পুষ্টি ভাঙার জন্য প্রয়োজনীয় উপাদান নিঃসৃত হয়। কিন্তু বয়স, পুষ্টির ঘাটতি বা অতিরিক্ত খাবার গ্রহণের কারণে এনজাইম উৎপাদন কমে গেলে খাবার দীর্ঘ সময় পেটে অবস্থান করে। তখনই পেট ভারি লাগা শুরু হয়।বিশেষ করে অতিরিক্ত তেল-মসলাযুক্ত খাবার, স্যাচুরেটেড ফ্যাট, ভাজাপোড়া ও প্রক্রিয়াজাত খাবার বেশি খেলে গ্যাস ও অ্যাসিডিটির সমস্যা বাড়ে। তাই প্রতিটি খাবারের মাঝে অন্তত ২ থেকে ৩ ঘণ্টা বিরতি রাখা জরুরি। মনে রাখতে হবে, অতিরিক্ত ভারী খাবার শুধু শারীরিক নয়, মানসিক স্বাস্থ্যের ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে।এবার জেনে নেওয়া যাক, ভারি খাবার খাওয়ার পর কী করবেন—হালকা গরম পানি পান করুন—খাওয়ার ৩০–৪০ মিনিট পর হালকা গরম পানি পান করতে পারেন। এর সঙ্গে সামান্য লেবুর রস ও এক চিমটি লবণ মিশিয়ে খেলে বিপাকক্রিয়া বাড়ে এবং শরীরের টক্সিন বের হতে সাহায্য করে। তবে খাওয়ার সময় পানি পান না করাই ভালো। খাওয়ার পর চা বা কফিও এড়িয়ে চলুন; কারণ এতে থাকা ফেনোলিক যৌগ ও ক্যাফেইন পুষ্টি শোষণে বাধা দেয়।টকদই—ভারি খাবারের ১৫–২০ মিনিট পর প্রোবায়োটিক খাবার হিসেবে টকদই খেতে পারেন। এটি হজমে সহায়তা করার পাশাপাশি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বাড়ায়। দইয়ের সঙ্গে ভাজা জিরা মিশিয়ে খেলে উপকার আরও বেশি পাওয়া যায়।বোরহানি—খাবারের শেষে বোরহানি, লাচ্ছি বা মাঠা পান করলে হজমে উপকার পাওয়া যায়।আদা ও জিরা ভেজানো পানি—আদায় থাকা জিঞ্জেরল দ্রুত খাবার ভাঙতে সাহায্য করে এবং বমি ভাব কমায়। অন্যদিকে জিরা পেটের গ্যাস কমাতে কার্যকর। তবে জিরা পানি তৈরিতে প্যাকেটজাত জিরা ব্যবহার না করাই ভালো।মৌরি বীজ—মৌরি হজমতন্ত্রের পেশিকে শিথিল করে, ফলে বদহজম, পেট ফাঁপা ও গ্যাসের অস্বস্তি কমে। ভারি খাবারের পর এক চা চামচ মৌরি চিবিয়ে খেতে পারেন।আপেল সাইডার ভিনেগার—এটি হজমে সহায়ক একটি উপাদান। এক গ্লাস পানিতে এক চা চামচ আপেল সাইডার ভিনেগার মিশিয়ে খেলে পাকস্থলীতে অ্যাসিড উৎপাদন বাড়ে, যা খাবার ভাঙতে সাহায্য করে। ভারী খাবারের আগে বা পরে এটি পান করা যেতে পারে।ফল—হজমশক্তি বাড়াতে এনজাইমসমৃদ্ধ ফল যেমন পেঁপে বা আনারস খেতে পারেন। পেঁপের পাপাইন ও আনারসের ব্রোমেলেন প্রোটিন ভাঙতে সহায়তা করে। তবে যাদের আগে থেকেই পেটের সমস্যা (যেমন আইবিএস) রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে এসব ফল সবসময় উপযোগী নাও হতে পারে। তারা বিকাল বা সন্ধ্যায় এসব ফল খেতে পারেন।ডিটক্স পানীয়—ভারি খাবারের পর পানিতে লেবু, শসা, পুদিনা বা তেঁতুল মিশিয়ে পান করতে পারেন। এটি শরীরকে ডিটক্স করতে এবং হজমশক্তি উন্নত করতে সাহায্য করে।হাঁটাহাঁটি—খাবারের পরপরই ভারি শরীরচর্চা না করে হালকা হাঁটাহাঁটি করুন। গবেষণায় দেখা গেছে, খাবারের পর ১৫–২০ মিনিট হাঁটলে হজমশক্তি বাড়ে এবং রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে থাকে।
কিডনির পাথর দূর করতে যেসব ফল উপকারী
ঈদের সময় স্বাভাবিকভাবেই খাবারের তালিকায় থাকে নানারকম ভারি ও তেল-মসলাযুক্ত খাবার। এসব খাবার বেশি খেলে হজম প্রক্রিয়া ধীর হয়ে যেতে পারে। ফলে পেট ফাঁপা, বদহজম, পেটে ব্যথা, এমনকি বমির মতো সমস্যাও দেখা দেয়, যা সামগ্রিক সুস্থতার ওপর প্রভাব ফেলে।হজম একটি জটিল প্রক্রিয়া, যেখানে শরীরকে অতিরিক্ত শক্তি ব্যয় করতে হয়। খাবার গ্রহণের পর পাকস্থলী ও অন্ত্রে বেশি পরিমাণে রক্ত প্রবাহিত হয়। একই সঙ্গে অ্যাসিড, এনজাইম এবং পুষ্টি ভাঙার জন্য প্রয়োজনীয় উপাদান নিঃসৃত হয়। কিন্তু বয়স, পুষ্টির ঘাটতি বা অতিরিক্ত খাবার গ্রহণের কারণে এনজাইম উৎপাদন কমে গেলে খাবার দীর্ঘ সময় পেটে অবস্থান করে। তখনই পেট ভারি লাগা শুরু হয়।বিশেষ করে অতিরিক্ত তেল-মসলাযুক্ত খাবার, স্যাচুরেটেড ফ্যাট, ভাজাপোড়া ও প্রক্রিয়াজাত খাবার বেশি খেলে গ্যাস ও অ্যাসিডিটির সমস্যা বাড়ে। তাই প্রতিটি খাবারের মাঝে অন্তত ২ থেকে ৩ ঘণ্টা বিরতি রাখা জরুরি। মনে রাখতে হবে, অতিরিক্ত ভারী খাবার শুধু শারীরিক নয়, মানসিক স্বাস্থ্যের ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে।এবার জেনে নেওয়া যাক, ভারি খাবার খাওয়ার পর কী করবেন—হালকা গরম পানি পান করুন—খাওয়ার ৩০–৪০ মিনিট পর হালকা গরম পানি পান করতে পারেন। এর সঙ্গে সামান্য লেবুর রস ও এক চিমটি লবণ মিশিয়ে খেলে বিপাকক্রিয়া বাড়ে এবং শরীরের টক্সিন বের হতে সাহায্য করে। তবে খাওয়ার সময় পানি পান না করাই ভালো। খাওয়ার পর চা বা কফিও এড়িয়ে চলুন; কারণ এতে থাকা ফেনোলিক যৌগ ও ক্যাফেইন পুষ্টি শোষণে বাধা দেয়।টকদই—ভারি খাবারের ১৫–২০ মিনিট পর প্রোবায়োটিক খাবার হিসেবে টকদই খেতে পারেন। এটি হজমে সহায়তা করার পাশাপাশি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বাড়ায়। দইয়ের সঙ্গে ভাজা জিরা মিশিয়ে খেলে উপকার আরও বেশি পাওয়া যায়।বোরহানি—খাবারের শেষে বোরহানি, লাচ্ছি বা মাঠা পান করলে হজমে উপকার পাওয়া যায়।আদা ও জিরা ভেজানো পানি—আদায় থাকা জিঞ্জেরল দ্রুত খাবার ভাঙতে সাহায্য করে এবং বমি ভাব কমায়। অন্যদিকে জিরা পেটের গ্যাস কমাতে কার্যকর। তবে জিরা পানি তৈরিতে প্যাকেটজাত জিরা ব্যবহার না করাই ভালো।মৌরি বীজ—মৌরি হজমতন্ত্রের পেশিকে শিথিল করে, ফলে বদহজম, পেট ফাঁপা ও গ্যাসের অস্বস্তি কমে। ভারি খাবারের পর এক চা চামচ মৌরি চিবিয়ে খেতে পারেন।আপেল সাইডার ভিনেগার—এটি হজমে সহায়ক একটি উপাদান। এক গ্লাস পানিতে এক চা চামচ আপেল সাইডার ভিনেগার মিশিয়ে খেলে পাকস্থলীতে অ্যাসিড উৎপাদন বাড়ে, যা খাবার ভাঙতে সাহায্য করে। ভারী খাবারের আগে বা পরে এটি পান করা যেতে পারে।ফল—হজমশক্তি বাড়াতে এনজাইমসমৃদ্ধ ফল যেমন পেঁপে বা আনারস খেতে পারেন। পেঁপের পাপাইন ও আনারসের ব্রোমেলেন প্রোটিন ভাঙতে সহায়তা করে। তবে যাদের আগে থেকেই পেটের সমস্যা (যেমন আইবিএস) রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে এসব ফল সবসময় উপযোগী নাও হতে পারে। তারা বিকাল বা সন্ধ্যায় এসব ফল খেতে পারেন।ডিটক্স পানীয়—ভারি খাবারের পর পানিতে লেবু, শসা, পুদিনা বা তেঁতুল মিশিয়ে পান করতে পারেন। এটি শরীরকে ডিটক্স করতে এবং হজমশক্তি উন্নত করতে সাহায্য করে।হাঁটাহাঁটি—খাবারের পরপরই ভারি শরীরচর্চা না করে হালকা হাঁটাহাঁটি করুন। গবেষণায় দেখা গেছে, খাবারের পর ১৫–২০ মিনিট হাঁটলে হজমশক্তি বাড়ে এবং রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে থাকে।
অ্যাপ্লাস্টিক অ্যানিমিয়ার যেসব লক্ষণ দেখলে সতর্ক হওয়া উচিত
ঈদের সময় স্বাভাবিকভাবেই খাবারের তালিকায় থাকে নানারকম ভারি ও তেল-মসলাযুক্ত খাবার। এসব খাবার বেশি খেলে হজম প্রক্রিয়া ধীর হয়ে যেতে পারে। ফলে পেট ফাঁপা, বদহজম, পেটে ব্যথা, এমনকি বমির মতো সমস্যাও দেখা দেয়, যা সামগ্রিক সুস্থতার ওপর প্রভাব ফেলে।হজম একটি জটিল প্রক্রিয়া, যেখানে শরীরকে অতিরিক্ত শক্তি ব্যয় করতে হয়। খাবার গ্রহণের পর পাকস্থলী ও অন্ত্রে বেশি পরিমাণে রক্ত প্রবাহিত হয়। একই সঙ্গে অ্যাসিড, এনজাইম এবং পুষ্টি ভাঙার জন্য প্রয়োজনীয় উপাদান নিঃসৃত হয়। কিন্তু বয়স, পুষ্টির ঘাটতি বা অতিরিক্ত খাবার গ্রহণের কারণে এনজাইম উৎপাদন কমে গেলে খাবার দীর্ঘ সময় পেটে অবস্থান করে। তখনই পেট ভারি লাগা শুরু হয়।বিশেষ করে অতিরিক্ত তেল-মসলাযুক্ত খাবার, স্যাচুরেটেড ফ্যাট, ভাজাপোড়া ও প্রক্রিয়াজাত খাবার বেশি খেলে গ্যাস ও অ্যাসিডিটির সমস্যা বাড়ে। তাই প্রতিটি খাবারের মাঝে অন্তত ২ থেকে ৩ ঘণ্টা বিরতি রাখা জরুরি। মনে রাখতে হবে, অতিরিক্ত ভারী খাবার শুধু শারীরিক নয়, মানসিক স্বাস্থ্যের ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে।এবার জেনে নেওয়া যাক, ভারি খাবার খাওয়ার পর কী করবেন—হালকা গরম পানি পান করুন—খাওয়ার ৩০–৪০ মিনিট পর হালকা গরম পানি পান করতে পারেন। এর সঙ্গে সামান্য লেবুর রস ও এক চিমটি লবণ মিশিয়ে খেলে বিপাকক্রিয়া বাড়ে এবং শরীরের টক্সিন বের হতে সাহায্য করে। তবে খাওয়ার সময় পানি পান না করাই ভালো। খাওয়ার পর চা বা কফিও এড়িয়ে চলুন; কারণ এতে থাকা ফেনোলিক যৌগ ও ক্যাফেইন পুষ্টি শোষণে বাধা দেয়।টকদই—ভারি খাবারের ১৫–২০ মিনিট পর প্রোবায়োটিক খাবার হিসেবে টকদই খেতে পারেন। এটি হজমে সহায়তা করার পাশাপাশি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বাড়ায়। দইয়ের সঙ্গে ভাজা জিরা মিশিয়ে খেলে উপকার আরও বেশি পাওয়া যায়।বোরহানি—খাবারের শেষে বোরহানি, লাচ্ছি বা মাঠা পান করলে হজমে উপকার পাওয়া যায়।আদা ও জিরা ভেজানো পানি—আদায় থাকা জিঞ্জেরল দ্রুত খাবার ভাঙতে সাহায্য করে এবং বমি ভাব কমায়। অন্যদিকে জিরা পেটের গ্যাস কমাতে কার্যকর। তবে জিরা পানি তৈরিতে প্যাকেটজাত জিরা ব্যবহার না করাই ভালো।মৌরি বীজ—মৌরি হজমতন্ত্রের পেশিকে শিথিল করে, ফলে বদহজম, পেট ফাঁপা ও গ্যাসের অস্বস্তি কমে। ভারি খাবারের পর এক চা চামচ মৌরি চিবিয়ে খেতে পারেন।আপেল সাইডার ভিনেগার—এটি হজমে সহায়ক একটি উপাদান। এক গ্লাস পানিতে এক চা চামচ আপেল সাইডার ভিনেগার মিশিয়ে খেলে পাকস্থলীতে অ্যাসিড উৎপাদন বাড়ে, যা খাবার ভাঙতে সাহায্য করে। ভারী খাবারের আগে বা পরে এটি পান করা যেতে পারে।ফল—হজমশক্তি বাড়াতে এনজাইমসমৃদ্ধ ফল যেমন পেঁপে বা আনারস খেতে পারেন। পেঁপের পাপাইন ও আনারসের ব্রোমেলেন প্রোটিন ভাঙতে সহায়তা করে। তবে যাদের আগে থেকেই পেটের সমস্যা (যেমন আইবিএস) রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে এসব ফল সবসময় উপযোগী নাও হতে পারে। তারা বিকাল বা সন্ধ্যায় এসব ফল খেতে পারেন।ডিটক্স পানীয়—ভারি খাবারের পর পানিতে লেবু, শসা, পুদিনা বা তেঁতুল মিশিয়ে পান করতে পারেন। এটি শরীরকে ডিটক্স করতে এবং হজমশক্তি উন্নত করতে সাহায্য করে।হাঁটাহাঁটি—খাবারের পরপরই ভারি শরীরচর্চা না করে হালকা হাঁটাহাঁটি করুন। গবেষণায় দেখা গেছে, খাবারের পর ১৫–২০ মিনিট হাঁটলে হজমশক্তি বাড়ে এবং রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে থাকে।
অফিস সময়ে তালাবদ্ধ ইউনিয়ন পরিষদ,উড়ছে জাতীয় পতাকা—নেই কর্মকর্তা-কর্মচারী
মানবিকতায় এগিয়ে ‘গো ফ্যাভলো ফাউন্ডেশন'
খানসামায় রক্তরেখা ব্লাড ব্যাংকের উদ্যোগে ২৩৯ কপি কুরআন মাজিদ বিতরণ কর্মসূচী ২০২৫ অনুষ্ঠিত ।
সৈয়দপুরে বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
কদমতলীতে যুবদল নেতাকর্মীদের বিক্ষোভ ও পিকেটিং
সবাইকে কাঁদিয়ে না ফেরার দেশে চলে গেলেন মাওলানা আবদুল খালেক জানাজায় শোকার্ত মানুষের ঢল
ঈদযাত্রায় কমলাপুরে বাড়ছে চাপ, প্রতিদিন ৬৫ হাজার যাত্রী
খানসামা উপজেলায় আরাফারত রহমান কোকো ক্রীয়া সংসদ এর আহ্বায়ক কমিটি গঠন
ঈদের আনন্দের ভিড়ে এক পরিবারের নীরব কান্না: রাতের আঁধারে চুরি গেল জীবিকার একমাত্র ভ্যান
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের বেলাল এখন ছাত্রদলের মুখোশে খুনিয়া পালংয়ে রূপ পাল্টানো রাজনীতি!
আগুনে পুড়ল গরু-ছাগল ও মোটরসাইকেল, খানসামায় শোকের ছায়া
ঈদের আনন্দের ভিড়ে এক পরিবারের নীরব কান্না: রাতের আঁধারে চুরি গেল জীবিকার একমাত্র ভ্যান
কারিগরি প্রশিক্ষণকেন্দ্রে কোর্চ পরিচালনায় ৯৯ ভাষা প্রশিক্ষক নিয়োগ
একশনএইডে ১০ পদে চাকরি
মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকে চাকরির সুযোগ
ডিটক্স ওয়াটার— কতটা উপকারী, কিভাবে খাবেন
কিডনির পাথর দূর করতে যেসব ফল উপকারী
অ্যাপ্লাস্টিক অ্যানিমিয়ার যেসব লক্ষণ দেখলে সতর্ক হওয়া উচিত
ঈদে ভারি খাবার খেয়ে সুস্থ থাকবেন যেভাবে
ঘুম থেকে উঠেই ফোন দেখার অভ্যাস? মস্তিষ্কের যে বিপদ ডেকে আনছেন
হরমুজ প্রণালী পুনরায় চালুতে ন্যাটোর সহায়তা প্রশ্নে শীতল প্রতিক্রিয়া পশ্চিমের
গুরুত্বপূর্ণ তেল পরিবহন পথ হরমুজ প্রণালী পুনরায় চালু করতে ন্যাটো সদস্যদের সহায়তা চাওয়ার বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আহ্বানের জবাবে সোমবার ন্যাটো মিত্র ও অন্যান্য পশ্চিমা দেশগুলো আপত্তি জানিয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধে ইরান কার্যত এই গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথটি বন্ধ করে দিয়েছে।লন্ডন থেকে এএফপি জানায়, যুক্তরাজ্যর প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার বলেছেন, লন্ডন মিত্রদের সঙ্গে কাজ করছে যাতে নৌপথটি পুনরায় চালুর জন্য একটি ‘কার্যকর’ পরিকল্পনা তৈরি করা যায়। তবে তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, এটি কোনো ন্যাটো মিশন হবে না। অন্যদিকে বার্লিন জানিয়েছে, এটি ‘ন্যাটোর যুদ্ধ নয়’।পোল্যান্ডের পররাষ্ট্রমন্ত্রী রাদোস্লাভ সিকোরস্কি বলেন, দেশটির প্রেসিডেন্ট ইতোমধ্যে ‘এই অভিযানে পোলিশ সশস্ত্র বাহিনীর অংশগ্রহণ’ নাকচ করে দিয়েছেন। আর স্পেনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী মার্গারিতা রব্লেস বলেন, মাদ্রিদ ‘কোনোভাবেই’ সামরিক অবদান রাখার বিষয়টি বিবেচনা করছে না।ইউরোপীয় দেশগুলোর এই শীতল প্রতিক্রিয়া আসে এমন সময়, যখন সোমবার এর আগে জাপান ও অস্ট্রেলিয়া একই ধরনের অবস্থান জানিয়েছে। ক্যানবেরা স্পষ্ট করে বলেছে, তারা হরমুজ প্রণালীতে কোনো নৌযান পাঠাবে না।সপ্তাহান্তে ট্রাম্প চীন, ফ্রান্স, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া ও ব্রিটেনসহ বিভিন্ন দেশকে প্রণালী দিয়ে ট্যাঙ্কার চলাচল নিরাপদ রাখতে যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর আহ্বান জানান। তিনি সতর্ক করে বলেন, এ আহ্বান প্রত্যাখ্যান করা হলে তা ‘ন্যাটোর ভবিষ্যতের জন্য খুবই খারাপ’ হবে।প্রণালীটি বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর তেলের দাম বেড়ে গেছে এবং ইরান যুদ্ধ তৃতীয় সপ্তাহে প্রবেশ করায় সোমবারও তা ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারের ওপরে অবস্থান করছে। এই অস্থিরতা গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথ দিয়ে ট্যাঙ্কার চলাচল নিরাপদ রাখার প্রয়োজনীয়তাকে আরও স্পষ্ট করেছে।স্টারমার, যিনি ইরানের বিরুদ্ধে আক্রমণাত্মক অভিযানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সঙ্গে যোগ না দেওয়ায় ট্রাম্পের তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছেন, সাংবাদিকদের বলেন তিনি রোববার মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা করেছেন।তিনি ডাউনিং স্ট্রিটে সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা আমাদের সব মিত্র দেশের সঙ্গে, ইউরোপীয় অংশীদারদেরও অন্তর্ভুক্ত করে, একটি কার্যকর যৌথ পরিকল্পনা তৈরির জন্য কাজ করছি—যাতে যত দ্রুত সম্ভব ওই অঞ্চলে নৌ-চলাচলের স্বাধীনতা পুনরুদ্ধার করা যায় এবং অর্থনৈতিক প্রভাব কমানো যায়।’স্টারমার বলেন, ‘স্পষ্ট করে বলতে চাই, এটি ন্যাটো মিশন হবে না এবং কখনো এমনভাবে পরিকল্পনাও করা হয়নি।’ একই সঙ্গে তিনি জোর দিয়ে বলেন, ব্রিটেন ‘বৃহত্তর যুদ্ধে জড়িয়ে পড়বে না’।তিনি আরও বলেন, হরমুজ প্রণালী সংক্রান্ত যে কোনো উদ্যোগ ‘অংশীদার দেশগুলোর একটি জোটের মাধ্যমে’ পরিচালিত হতে পারে।উত্তেজনা প্রশমনের আহ্বানবার্লিনে জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিশ মের্ৎসের মুখপাত্র বলেন, এই সংঘাতের সঙ্গে ন্যাটোর ‘কোনো সম্পর্ক নেই’।মুখপাত্র স্টেফান কর্নেলিয়ুস সাংবাদিকদের বলেন, ‘ন্যাটো মূলত ভূখণ্ড রক্ষার জন্য একটি প্রতিরক্ষা জোট’ এবং বর্তমান পরিস্থিতিতে ন্যাটো মোতায়েনের কোনো ম্যান্ডেট নেই।এদিকে জার্মান প্রতিরক্ষামন্ত্রী বোরিস পিস্তোরিয়ুস বলেন, তার দেশ এই যুদ্ধে ‘কোনো সামরিক অংশগ্রহণ’ করবে না। তবে হরমুজ প্রণালী দিয়ে নিরাপদ নৌযান চলাচল নিশ্চিত করতে কূটনৈতিক প্রচেষ্টাকে সমর্থন দিতে জার্মানি প্রস্তুত।ট্রাম্পের সামরিক সহায়তার আহ্বানের পর ইউরোপের কয়েকটি দেশ সতর্ক অবস্থান নেয়, যেখানে তারা একদিকে আলোচনা উন্মুক্ত রাখলেও সরাসরি প্রতিশ্রুতি দেয়নি।ডেনমার্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী লার্স লোক্কে রাসমুসেন ব্রাসেলসে ইউরোপীয় ইউনিয়ন পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকের আগে ড্যানিশ গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আমরা এই যুদ্ধ চাইনি। শুরু থেকেই আমরা উত্তেজনা প্রশমনের আহ্বান জানিয়েছি।’তিনি বলেন, ‘তবে আমাদের খোলা মনে ভাবতে হবে এবং কীভাবে আমরা অবদান রাখতে পারি তা দেখতে হবে।’ পরিস্থিতিকে তিনি ‘অত্যন্ত, অত্যন্ত গুরুতর’ বলে উল্লেখ করেন।লিথুয়ানিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী কেস্তুতিস বুদরিস বলেন, ন্যাটো দেশগুলো যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তার অনুরোধ ‘বিবেচনা করতে পারে’। তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, ‘আমাদের পুরো অপারেশনাল পরিবেশ এবং আমরা কী সক্ষমতা দিয়ে অবদান রাখতে পারি তা আগে দেখতে হবে।’একই ধরনের অবস্থান নিয়েছেন এস্তোনিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কুস সাখনা। তিনি বলেন, তালিন ‘যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করতে সব সময় প্রস্তুত, বিশেষ করে এখন হরমুজ প্রণালীর পরিস্থিতি নিয়ে।’তবে তিনি যোগ করেন, ‘এর অর্থ হলো, চলমান সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্য ও পরিকল্পনা কী, তা আগে আমাদের স্পষ্টভাবে বুঝতে হবে।’