আত্রাই বার্তা
- ট্রেন্ডিং :
- ভাঙচুর
- তেল সংকট
- মাগুরা
- আগুন
- সংঘর্ষ
- খুলনা বিভাগ
- আহত
- শ্রীপুর (মাগুরা)
- জেলার খবর
- বাংলা নাটক
মেহরাব হোসেন অপির এনসিপিতে যোগ দেওয়া নিয়ে যা জানা গেল
বাংলাদেশের ওয়ানডে ক্রিকেটে প্রথম সেঞ্চুরিয়ান মেহরাব হোসেন অপি জাতীয় নাগরিক পার্টিতে (এনসিপি) যোগ দিচ্ছেন এমন এক গুঞ্জন সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছিল। তবে শেষ পর্যন্ত নিজেই মুখ খুললেন এই সাবেক ক্রিকেটার। গত শনিবার (২ মে) নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি এই গুজব সম্পূর্ণ নাকচ করে দেন।৪৭ বছর বয়সী এই সাবেক ওপেনার তার পোস্টে লেখেন, ‘আসসালামু ওয়ালাইকুম। আমি সাবেক জাতীয় দলের ক্রিকেটার মেহরাব হোসেন অপি। বর্তমানে আমি কোনও রাজনৈতিক দলের সাথে জড়িত হই নাই এবং কোনও রাজনৈতিক দলের সাথে যুক্ত হচ্ছি না।’ একই সঙ্গে তিনি সবাইকে এ ধরনের গুজবে বিভ্রান্ত না হওয়ার অনুরোধ জানান। তার এই বক্তব্যের পর কয়েক দিন ধরে চলা জল্পনা-কল্পনার অবসান হয়েছে।আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অনেক আগে বিদায় নিলেও অপি এখনও ক্রিকেটের সঙ্গেই যুক্ত আছেন। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) বয়সভিত্তিক দলের নির্বাচকের দায়িত্ব পালন করছেন।১৯৯৮ সালে জাতীয় দলে অভিষেক হওয়া অপি বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে আছেন ১৯৯৯ সালে ঢাকার বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে ত্রিদেশীয় সিরিজে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ১০১ রানের ইনিংসটির জন্য, যা ছিল আন্তর্জাতিক ওয়ানডেতে বাংলাদেশের প্রথম সেঞ্চুরি। ক্যারিয়ারে তিনি বাংলাদেশের হয়ে ৯টি টেস্ট ও ১৮টি ওয়ানডে ম্যাচ খেলেছেন।
ট্রাকের ধাক্কায় প্রাণ গেল দুই মোটরসাইকেল আরোহীর
বিশ্বের বিভিন্ন দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক সাম্প্রতিক সময়ে ব্যাপক হারে স্বর্ণের মজুত বাড়াচ্ছে। এর পেছনে বড় কারণ হিসেবে কাজ করছে বাড়তে থাকা ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা ও মুদ্রাস্ফীতির উদ্বেগ। ফলে আবারও নিরাপদ সম্পদ হিসেবে স্বর্ণের প্রতি আগ্রহ বাড়ছে, যদিও এটি সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনায় কিছু জটিলতা রয়েছে।চলতি বছরে প্রথমবারের মতো স্বর্ণের দাম প্রতি ট্রয় আউন্স ৫ হাজার ডলার ছাড়িয়েছে। গত দেড় বছরে দাম প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে, যার বড় একটি কারণ উদীয়মান অর্থনীতির দেশগুলোর বাড়তি চাহিদা। পোল্যান্ড, তুরস্ক, ভারত ও চীনের কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় ক্রেতাদের মধ্যে রয়েছে।মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত বৈশ্বিক অর্থনীতিতে অনিশ্চয়তা বাড়িয়ে দিয়েছে, যার ফলে আবারও সংকটের সময়ে স্বর্ণের গুরুত্ব সামনে এসেছে। ওয়ার্ল্ড গোল্ড কাউন্সিলের তথ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক সংঘাতের পর চীন, পোল্যান্ড, চেক প্রজাতন্ত্র ও উজবেকিস্তান তাদের স্বর্ণের রিজার্ভ বাড়িয়েছে। এমনকি চীন এক বছরে সর্বোচ্চ পরিমাণ স্বর্ণ কিনেছে, আর গুয়াতেমালাও কয়েক মাস পর আবার স্বর্ণ কেনা শুরু করেছে।পোল্যান্ডের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর অ্যাডাম গ্লাপিনস্কি জানিয়েছেন, বৈশ্বিক অস্থিতিশীলতা এখন অর্থনীতির প্রধান বৈশিষ্ট্য হয়ে উঠেছে। তাই বৈদেশিক রিজার্ভে বৈচিত্র্য আনা এবং কৌশলগত সম্পদ হিসেবে স্বর্ণের গুরুত্ব বাড়ানো জরুরি।মুদ্রাস্ফীতির সময় স্বর্ণকে মূল্য সংরক্ষণের নিরাপদ মাধ্যম হিসেবে দেখা হয় এবং প্রয়োজনে সহজেই নগদে রূপান্তর করা যায়। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, এটি কোনো নির্দিষ্ট মুদ্রার ওপর নির্ভরশীল নয় এবং অন্য দেশ সহজে এর ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে পারে না।২০২২ সালে ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসনের পর এই প্রবণতা আরও জোরালো হয়। পশ্চিমা দেশগুলো রাশিয়ার বৈদেশিক রিজার্ভ জব্দ করায় অনেক দেশ বুঝতে পারে, ডলার বা ইউরোর ওপর নির্ভরতা ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। এরপর থেকেই কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো দ্রুত স্বর্ণের মজুত বাড়াতে থাকে।ওয়ার্ল্ড গোল্ড কাউন্সিলের মতে, টানা তিন বছর ধরে কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো বছরে ১ হাজার মেট্রিক টনের বেশি স্বর্ণ কিনছে, যা আগের তুলনায় অনেক বেশি। সাম্প্রতিক সংঘাতগুলোও দেখিয়েছে, অর্থনৈতিক চাপ মোকাবিলায় স্বর্ণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।উদাহরণ হিসেবে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলার পর তুরস্ক তাদের রিজার্ভ থেকে বিপুল পরিমাণ স্বর্ণ বিক্রি বা ব্যবহার করেছে, যাতে তাদের মুদ্রার মান স্থিতিশীল রাখা যায়। কারণ দুর্বল মুদ্রা আমদানি খরচ বাড়িয়ে মুদ্রাস্ফীতি আরও বাড়ায়।যদিও একসময় স্বর্ণের গুরুত্ব কমে গিয়েছিল এবং দেশগুলো ডলার বা ইউরোতে রিজার্ভ রাখতেই বেশি আগ্রহী ছিল, এখন পরিস্থিতি বদলেছে। যদিও স্বর্ণ থেকে কোনো সুদ বা আয় আসে না এবং এটি সংরক্ষণে লজিস্টিক সমস্যা রয়েছে, তবুও এটি আর্থিক ব্যবস্থার বাইরে থাকায় দেশগুলোকে স্বাধীনতা দেয়।বিশেষজ্ঞদের মতে, স্বর্ণ একটি বৈশ্বিকভাবে গ্রহণযোগ্য ও তরল সম্পদ, যা অন্য কোনো দেশের দায় নয়। তাই অনেক দেশই এখন তাদের অর্থনৈতিক শক্তি ও স্থিতিশীলতার প্রতীক হিসেবে স্বর্ণের মজুত বাড়াতে আগ্রহী।পোল্যান্ড ইতোমধ্যে তাদের স্বর্ণের মজুত উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়েছে এবং ভবিষ্যতে আরও বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে। চেক প্রজাতন্ত্রও একই পথে এগোচ্ছে এবং আগামী কয়েক বছরে তাদের স্বর্ণের রিজার্ভ বড় করার লক্ষ্য নিয়েছে।সব মিলিয়ে, বৈশ্বিক অনিশ্চয়তা ও আর্থিক ঝুঁকির প্রেক্ষাপটে স্বর্ণ আবারও কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর জন্য গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ হয়ে উঠেছে। বিশ্লেষকদের মতে, ভবিষ্যতেও এই প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে এবং স্বর্ণের বাজারে কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো বড় ভূমিকা রাখবে।
কুমিল্লায় হাম আক্রান্ত শিশুর মৃত্যু
বিশ্বের বিভিন্ন দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক সাম্প্রতিক সময়ে ব্যাপক হারে স্বর্ণের মজুত বাড়াচ্ছে। এর পেছনে বড় কারণ হিসেবে কাজ করছে বাড়তে থাকা ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা ও মুদ্রাস্ফীতির উদ্বেগ। ফলে আবারও নিরাপদ সম্পদ হিসেবে স্বর্ণের প্রতি আগ্রহ বাড়ছে, যদিও এটি সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনায় কিছু জটিলতা রয়েছে।চলতি বছরে প্রথমবারের মতো স্বর্ণের দাম প্রতি ট্রয় আউন্স ৫ হাজার ডলার ছাড়িয়েছে। গত দেড় বছরে দাম প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে, যার বড় একটি কারণ উদীয়মান অর্থনীতির দেশগুলোর বাড়তি চাহিদা। পোল্যান্ড, তুরস্ক, ভারত ও চীনের কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় ক্রেতাদের মধ্যে রয়েছে।মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত বৈশ্বিক অর্থনীতিতে অনিশ্চয়তা বাড়িয়ে দিয়েছে, যার ফলে আবারও সংকটের সময়ে স্বর্ণের গুরুত্ব সামনে এসেছে। ওয়ার্ল্ড গোল্ড কাউন্সিলের তথ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক সংঘাতের পর চীন, পোল্যান্ড, চেক প্রজাতন্ত্র ও উজবেকিস্তান তাদের স্বর্ণের রিজার্ভ বাড়িয়েছে। এমনকি চীন এক বছরে সর্বোচ্চ পরিমাণ স্বর্ণ কিনেছে, আর গুয়াতেমালাও কয়েক মাস পর আবার স্বর্ণ কেনা শুরু করেছে।পোল্যান্ডের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর অ্যাডাম গ্লাপিনস্কি জানিয়েছেন, বৈশ্বিক অস্থিতিশীলতা এখন অর্থনীতির প্রধান বৈশিষ্ট্য হয়ে উঠেছে। তাই বৈদেশিক রিজার্ভে বৈচিত্র্য আনা এবং কৌশলগত সম্পদ হিসেবে স্বর্ণের গুরুত্ব বাড়ানো জরুরি।মুদ্রাস্ফীতির সময় স্বর্ণকে মূল্য সংরক্ষণের নিরাপদ মাধ্যম হিসেবে দেখা হয় এবং প্রয়োজনে সহজেই নগদে রূপান্তর করা যায়। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, এটি কোনো নির্দিষ্ট মুদ্রার ওপর নির্ভরশীল নয় এবং অন্য দেশ সহজে এর ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে পারে না।২০২২ সালে ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসনের পর এই প্রবণতা আরও জোরালো হয়। পশ্চিমা দেশগুলো রাশিয়ার বৈদেশিক রিজার্ভ জব্দ করায় অনেক দেশ বুঝতে পারে, ডলার বা ইউরোর ওপর নির্ভরতা ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। এরপর থেকেই কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো দ্রুত স্বর্ণের মজুত বাড়াতে থাকে।ওয়ার্ল্ড গোল্ড কাউন্সিলের মতে, টানা তিন বছর ধরে কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো বছরে ১ হাজার মেট্রিক টনের বেশি স্বর্ণ কিনছে, যা আগের তুলনায় অনেক বেশি। সাম্প্রতিক সংঘাতগুলোও দেখিয়েছে, অর্থনৈতিক চাপ মোকাবিলায় স্বর্ণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।উদাহরণ হিসেবে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলার পর তুরস্ক তাদের রিজার্ভ থেকে বিপুল পরিমাণ স্বর্ণ বিক্রি বা ব্যবহার করেছে, যাতে তাদের মুদ্রার মান স্থিতিশীল রাখা যায়। কারণ দুর্বল মুদ্রা আমদানি খরচ বাড়িয়ে মুদ্রাস্ফীতি আরও বাড়ায়।যদিও একসময় স্বর্ণের গুরুত্ব কমে গিয়েছিল এবং দেশগুলো ডলার বা ইউরোতে রিজার্ভ রাখতেই বেশি আগ্রহী ছিল, এখন পরিস্থিতি বদলেছে। যদিও স্বর্ণ থেকে কোনো সুদ বা আয় আসে না এবং এটি সংরক্ষণে লজিস্টিক সমস্যা রয়েছে, তবুও এটি আর্থিক ব্যবস্থার বাইরে থাকায় দেশগুলোকে স্বাধীনতা দেয়।বিশেষজ্ঞদের মতে, স্বর্ণ একটি বৈশ্বিকভাবে গ্রহণযোগ্য ও তরল সম্পদ, যা অন্য কোনো দেশের দায় নয়। তাই অনেক দেশই এখন তাদের অর্থনৈতিক শক্তি ও স্থিতিশীলতার প্রতীক হিসেবে স্বর্ণের মজুত বাড়াতে আগ্রহী।পোল্যান্ড ইতোমধ্যে তাদের স্বর্ণের মজুত উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়েছে এবং ভবিষ্যতে আরও বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে। চেক প্রজাতন্ত্রও একই পথে এগোচ্ছে এবং আগামী কয়েক বছরে তাদের স্বর্ণের রিজার্ভ বড় করার লক্ষ্য নিয়েছে।সব মিলিয়ে, বৈশ্বিক অনিশ্চয়তা ও আর্থিক ঝুঁকির প্রেক্ষাপটে স্বর্ণ আবারও কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর জন্য গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ হয়ে উঠেছে। বিশ্লেষকদের মতে, ভবিষ্যতেও এই প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে এবং স্বর্ণের বাজারে কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো বড় ভূমিকা রাখবে।
হরমুজে নিয়ন্ত্রণ দৃঢ় করতে সামরিক পদক্ষেপ নিচ্ছে ইরান
বিশ্বের বিভিন্ন দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক সাম্প্রতিক সময়ে ব্যাপক হারে স্বর্ণের মজুত বাড়াচ্ছে। এর পেছনে বড় কারণ হিসেবে কাজ করছে বাড়তে থাকা ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা ও মুদ্রাস্ফীতির উদ্বেগ। ফলে আবারও নিরাপদ সম্পদ হিসেবে স্বর্ণের প্রতি আগ্রহ বাড়ছে, যদিও এটি সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনায় কিছু জটিলতা রয়েছে।চলতি বছরে প্রথমবারের মতো স্বর্ণের দাম প্রতি ট্রয় আউন্স ৫ হাজার ডলার ছাড়িয়েছে। গত দেড় বছরে দাম প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে, যার বড় একটি কারণ উদীয়মান অর্থনীতির দেশগুলোর বাড়তি চাহিদা। পোল্যান্ড, তুরস্ক, ভারত ও চীনের কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় ক্রেতাদের মধ্যে রয়েছে।মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত বৈশ্বিক অর্থনীতিতে অনিশ্চয়তা বাড়িয়ে দিয়েছে, যার ফলে আবারও সংকটের সময়ে স্বর্ণের গুরুত্ব সামনে এসেছে। ওয়ার্ল্ড গোল্ড কাউন্সিলের তথ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক সংঘাতের পর চীন, পোল্যান্ড, চেক প্রজাতন্ত্র ও উজবেকিস্তান তাদের স্বর্ণের রিজার্ভ বাড়িয়েছে। এমনকি চীন এক বছরে সর্বোচ্চ পরিমাণ স্বর্ণ কিনেছে, আর গুয়াতেমালাও কয়েক মাস পর আবার স্বর্ণ কেনা শুরু করেছে।পোল্যান্ডের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর অ্যাডাম গ্লাপিনস্কি জানিয়েছেন, বৈশ্বিক অস্থিতিশীলতা এখন অর্থনীতির প্রধান বৈশিষ্ট্য হয়ে উঠেছে। তাই বৈদেশিক রিজার্ভে বৈচিত্র্য আনা এবং কৌশলগত সম্পদ হিসেবে স্বর্ণের গুরুত্ব বাড়ানো জরুরি।মুদ্রাস্ফীতির সময় স্বর্ণকে মূল্য সংরক্ষণের নিরাপদ মাধ্যম হিসেবে দেখা হয় এবং প্রয়োজনে সহজেই নগদে রূপান্তর করা যায়। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, এটি কোনো নির্দিষ্ট মুদ্রার ওপর নির্ভরশীল নয় এবং অন্য দেশ সহজে এর ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে পারে না।২০২২ সালে ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসনের পর এই প্রবণতা আরও জোরালো হয়। পশ্চিমা দেশগুলো রাশিয়ার বৈদেশিক রিজার্ভ জব্দ করায় অনেক দেশ বুঝতে পারে, ডলার বা ইউরোর ওপর নির্ভরতা ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। এরপর থেকেই কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো দ্রুত স্বর্ণের মজুত বাড়াতে থাকে।ওয়ার্ল্ড গোল্ড কাউন্সিলের মতে, টানা তিন বছর ধরে কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো বছরে ১ হাজার মেট্রিক টনের বেশি স্বর্ণ কিনছে, যা আগের তুলনায় অনেক বেশি। সাম্প্রতিক সংঘাতগুলোও দেখিয়েছে, অর্থনৈতিক চাপ মোকাবিলায় স্বর্ণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।উদাহরণ হিসেবে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলার পর তুরস্ক তাদের রিজার্ভ থেকে বিপুল পরিমাণ স্বর্ণ বিক্রি বা ব্যবহার করেছে, যাতে তাদের মুদ্রার মান স্থিতিশীল রাখা যায়। কারণ দুর্বল মুদ্রা আমদানি খরচ বাড়িয়ে মুদ্রাস্ফীতি আরও বাড়ায়।যদিও একসময় স্বর্ণের গুরুত্ব কমে গিয়েছিল এবং দেশগুলো ডলার বা ইউরোতে রিজার্ভ রাখতেই বেশি আগ্রহী ছিল, এখন পরিস্থিতি বদলেছে। যদিও স্বর্ণ থেকে কোনো সুদ বা আয় আসে না এবং এটি সংরক্ষণে লজিস্টিক সমস্যা রয়েছে, তবুও এটি আর্থিক ব্যবস্থার বাইরে থাকায় দেশগুলোকে স্বাধীনতা দেয়।বিশেষজ্ঞদের মতে, স্বর্ণ একটি বৈশ্বিকভাবে গ্রহণযোগ্য ও তরল সম্পদ, যা অন্য কোনো দেশের দায় নয়। তাই অনেক দেশই এখন তাদের অর্থনৈতিক শক্তি ও স্থিতিশীলতার প্রতীক হিসেবে স্বর্ণের মজুত বাড়াতে আগ্রহী।পোল্যান্ড ইতোমধ্যে তাদের স্বর্ণের মজুত উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়েছে এবং ভবিষ্যতে আরও বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে। চেক প্রজাতন্ত্রও একই পথে এগোচ্ছে এবং আগামী কয়েক বছরে তাদের স্বর্ণের রিজার্ভ বড় করার লক্ষ্য নিয়েছে।সব মিলিয়ে, বৈশ্বিক অনিশ্চয়তা ও আর্থিক ঝুঁকির প্রেক্ষাপটে স্বর্ণ আবারও কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর জন্য গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ হয়ে উঠেছে। বিশ্লেষকদের মতে, ভবিষ্যতেও এই প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে এবং স্বর্ণের বাজারে কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো বড় ভূমিকা রাখবে।
সবাইকে কাঁদিয়ে না ফেরার দেশে চলে গেলেন মাওলানা আবদুল খালেক জানাজায় শোকার্ত মানুষের ঢল
অফিস সময়ে তালাবদ্ধ ইউনিয়ন পরিষদ,উড়ছে জাতীয় পতাকা—নেই কর্মকর্তা-কর্মচারী
মানবিকতায় এগিয়ে ‘গো ফ্যাভলো ফাউন্ডেশন'
নীলফামারী জেলার ৪ জন এমপির সংবর্ধনা ঈদ উৎসব ও মনোজ্ঞ সংস্কৃতিক অনুষ্ঠান
ডিমলায় কৃষি বিভাগের উদ্যোগে চরাঞ্চলের কৃষকদের মাঝে এলএলপি সেট ও পাইপ বিতরণ
গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে জামায়াতের এমপি ডিমলায় লিফলেট বিতরণ করেন
খানসামায় রক্তরেখা ব্লাড ব্যাংকের উদ্যোগে ২৩৯ কপি কুরআন মাজিদ বিতরণ কর্মসূচী ২০২৫ অনুষ্ঠিত ।
ডিমলা প্রশাসনের উদ্যোগে ফুয়েল কার্ড বিতরণ শুরু
সৈয়দপুরে বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
ঈদের আনন্দের ভিড়ে এক পরিবারের নীরব কান্না: রাতের আঁধারে চুরি গেল জীবিকার একমাত্র ভ্যান
মেহরাব হোসেন অপির এনসিপিতে যোগ দেওয়া নিয়ে যা জানা গেল
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ আজ
কবি সুকান্তের আদর্শে মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে হবে: এস এম জিলানী
ট্রাকের ধাক্কায় প্রাণ গেল দুই মোটরসাইকেল আরোহীর
কুমিল্লায় হাম আক্রান্ত শিশুর মৃত্যু
আধিপত্য বিস্তার নিয়ে সংঘর্ষে শতাধিক বাড়িঘরে ভাঙচুর-লুটপাট, আহত ১০
শেষ হলো ‘এটা আমাদেরই গল্প’র শুটিং
হরমুজে নিয়ন্ত্রণ দৃঢ় করতে সামরিক পদক্ষেপ নিচ্ছে ইরান
কেন হঠাৎ স্বর্ণের মজুত বাড়াচ্ছে বিশ্ব
ঢাকায় আজ যেসব কর্মসূচি রয়েছে
হরমুজে নিয়ন্ত্রণ দৃঢ় করতে সামরিক পদক্ষেপ নিচ্ছে ইরান
হরমুজ প্রণালিতে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ আরও শক্ত করতে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে ইরানের অভিজাত সামরিক বাহিনী ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)। খবর গালফ নিউজের।ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম প্রেস টিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আইআরজিসি নৌবাহিনী জানিয়েছে আরব উপসাগর ও কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালীর ইরানি উপকূলীয় প্রায় ২ হাজার কিলোমিটার অঞ্চলে পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। শিগগিরই এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় সামরিক ও কৌশলগত পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করা হবে।বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এ উদ্যোগের লক্ষ্য হলো হরমুজ প্রণালিকে ইরানের জনগণের জন্য গর্ব ও শক্তির প্রতীক হিসেবে গড়ে তোলা এবং একইসঙ্গে অঞ্চলটিকে নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা।উল্লেখ্য, আরব সাগর ও পারস্য উপসাগরকে যুক্ত করা প্রায় ১৬৭ কিলোমিটার দীর্ঘ হরমুজ প্রণালি বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক জলপথ। বৈশ্বিক জ্বালানি বাণিজ্যের প্রায় ২০ শতাংশ এই পথ দিয়ে পরিবাহিত হয়।এর আগে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সঙ্গে উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এই অঞ্চলে সামরিক অবস্থান আরও কঠোর করে ইরান। দেশটি জানায়, শত্রুভাবাপন্ন দেশগুলোর জাহাজ হরমুজ প্রণালি ব্যবহার করলে তা লক্ষ্যবস্তু হতে পারে, তবে নিরপেক্ষ দেশগুলো ইরানের অনুমতি ও শর্তসাপেক্ষে এই জলপথ ব্যবহার করতে পারবে।এই প্রণালির নিরাপত্তা ও নিয়ন্ত্রণ দেখভালের দায়িত্বে রয়েছে আইআরজিসি। সাম্প্রতিক এক বক্তব্যে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি ইঙ্গিত দিয়েছেন, হরমুজ প্রণালি ইস্যুতে নতুন কৌশলগত অধ্যায়ে প্রবেশ করতে যাচ্ছে দেশটি।
টিকাদান কর্মসূচি: হামের টিকা সরবরাহে ঘাটতি ৭৩ শতাংশ
টিকাদান কর্মসূচি: হামের টিকা সরবরাহে ঘাটতি ৭৩ শতাংশ