আত্রাই বার্তা
তারেক রহমানের নেতৃত্বে শহীদ জিয়ার খাল খনন কর্মসূচি নতুনভাবে শুরু হয়েছে: পানিসম্পদমন্ত্রী
পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান খাল খননের যে কর্মসূচি শুরু করেছিলেন, তা শুধু একটি উন্নয়ন প্রকল্প ছিল না; এটি ছিল একটি আন্দোলন ও বিপ্লব। আজ তারেক রহমানের নেতৃত্বে সেই কার্যক্রম আবারও নতুনভাবে শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৭ মে) সকালে মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার হোসেন্দী ইউনিয়নের জামাল্দী এলাকায় খাল খনন কার্যক্রমের উদ্বোধন করতে এসে এসব কথা বলেন তিনি। আরও পড়ুনআরও পড়ুনমাদারীপুরে হত্যা-ধর্ষণসহ ১৭ মামলার আসামি গ্রেফতার উদ্বোধন শেষে মন্ত্রী কাজলী নদী পরিদর্শন করেন। এসময় নদীর বিভিন্ন স্থানে শিল্পকারখানার বর্জ্য দেখতে পেয়ে তিনি অসন্তোষ প্রকাশ করেন এবং নদী দূষণ রোধে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। মন্ত্রী এ্যানি বলেন, খাল খননের মাধ্যমে জনগণের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক বৃদ্ধি পাচ্ছে। সাধারণ মানুষের মধ্যে যোগাযোগ ও সম্পৃক্ততার সুযোগ তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে এই কার্যক্রম মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করছে এবং গ্রামীণ অর্থনীতিকে চাঙ্গা করছে। তিনি আরও বলেন, নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে সরকার সারাদেশে খাল পুনঃখনন ও নদী রক্ষায় কাজ করে যাচ্ছে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান রতন, মুন্সীগঞ্জ জেলার ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক মৌসুমী মাহবুব, জেলা পুলিশ সুপার মো. জাহিদুল ইসলাম, গজারিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাহমুদুল হাসান, গজারিয়া থানা ওসি মো. হাসান আলী, উপজেলা নির্বাহী প্রকৌশলী সামিউল আরেফিনসহ স্থানীয় প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।
‘রিয়ালের ড্রেসিংরুমে সমস্যার অন্যতম বড় কারণ ভিনিসিয়ুস’
জীবনের প্রথম নির্বাচনেই বাজিমাত করেছেন দক্ষিণী সুপারস্টার ববিজয় থালাপতি। তার দল তামিলাগা ভেট্টি কাজাগাম (টিভিকে) একক বৃহত্তম দল হিসেবে উঠে এলেও সরকার গঠনের জন্য এখনও প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা থেকে কিছুটা দূরে। ফলে এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন সংখ্যার সমীকরণ মিলিয়ে কি সরকার গঠন করতে পারবেন বিজয়?ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি বলছে, ২৩৪ সদস্যের তামিলনাড়ু বিধানসভায় ১০৭টি আসন নিয়ে অভিনেতা-থেকে-রাজনীতিবিদ সি জোসেফ বিজয় এবং তার দল তামিলাগা ভেট্টি কাজাগাম (টিভিকে) সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যা থেকে ১১টি আসন পিছিয়ে রয়েছে। এখন মূল প্রশ্ন হলো এই ঘাটতি পূরণে প্রয়োজনীয় সমর্থন কোথা থেকে আসবে। একক বৃহত্তম দল হিসেবে টিভিকেকে সরকার গঠনের জন্য গভর্নর আমন্ত্রণ জানাতে পারেন, এমনকি শুরুতে সংখ্যালঘু সরকার হিসেবেও। দলটির ভেতরের নেতারা অবশ্য আশাবাদী যে তারা বাইরের সমর্থন পাবে। তাদের মতে, বর্তমানে দ্রাবিড় মুনেত্র কাজাগাম (ডিএমকে)-র সঙ্গে থাকা কয়েকটি দল থেকে সমর্থন মিলতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে কংগ্রেস, যারা পাঁচটি আসন পেয়েছে এবং কমিউনিস্ট পার্টি অব ইন্ডিয়া (সিপিআই), কমিউনিস্ট পার্টি অব ইন্ডিয়া (মার্কসবাদী) (সিপিআইএম) ও বিদুথালাই চিরুথাইগাল কাচ্চি (ভিসিকে); প্রতিটি দল দুটি করে আসন পেয়েছে।ভারতের একজন জ্যেষ্ঠ নেতা ২০০৬ সালের উদাহরণ টেনে বলেন, সে সময় সংখ্যালঘু ডিএমকে সরকার বাইরের সমর্থন নিয়েই টিকে ছিল। এমন পরিস্থিতি ডিএমকে জোটের ভেতরে নতুন সমীকরণ তৈরি করতে পারে। বিশেষ করে কংগ্রেস নির্বাচন-পূর্ব সময়ে টিভিকের সঙ্গে জোটের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখেছিল এবং সেই প্রেক্ষাপটে ডিএমকের কাছ থেকে বেশি আসন আদায় করেছিল যা জোটের ভেতরের টানাপোড়েনের ইঙ্গিত দেয়।টিভিকের জন্য আরেকটি সম্ভাবনা হতে পারে পাট্টালি মাক্কাল কাচ্চি (পিএমকে)-র সমর্থন, যাদের হাতে রয়েছে পাঁচটি আসন। তবে অল ইন্ডিয়া আন্না দ্রাবিড় মুনেত্র কাজাগাম (এআইএডিএমকে)-র সঙ্গে সরাসরি সমঝোতার সম্ভাবনা কম, কারণ তারা বিজেপি’র মিত্র, যাদের বিজয় তার আদর্শগত প্রতিপক্ষ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।অন্যদিকে, টিভিকের মাদুরাভয়াল আসনের প্রার্থী রেভান্থ চরণ, যিনি রাজ্যের অন্যতম কনিষ্ঠ বিধায়ক হতে যাচ্ছেন। সরকারের গঠন নিয়ে তিনি আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, কোনও ভয় নেই। আমরা সরকার গঠন করব। জোট বা সমর্থন নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দলীয় শীর্ষ নেতৃত্ব নেবে বলেও জানান তিনি। শিগগিরই সরকার গঠন ও সংশ্লিষ্ট তারিখ নিয়ে স্পষ্ট ঘোষণা আসতে পারে বলেও ইঙ্গিত দেন। এই রাজনৈতিক পরিস্থিতির পেছনে রয়েছে টিভিকের ঐতিহাসিক অভিষেক। নির্বাচনী রাজনীতিতে প্রথমবার অংশ নিয়েই বিজয় বড় সাফল্য পেয়েছেন এবং তার দল একক বৃহত্তম শক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে। তিনি নিজেও পেরাম্বুর ও ত্রিচি ইস্ট দুটি আসনেই জয় পেয়েছেন। পাশাপাশি, দীর্ঘদিন ধরে ডিএমকের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত চেন্নাইয়েও টিভিকে বড় সাফল্য দেখিয়েছে, যেখানে ১৬টির মধ্যে ১৪টি আসন তারা জিতেছে। পুরো নির্বাচনী প্রচারে বিজয় এই লড়াইকে ডিএমকের বিরুদ্ধে সরাসরি প্রতিদ্বন্দ্বিতা হিসেবে তুলে ধরেন। তিনি জোটে না গিয়ে একাই লড়ার সিদ্ধান্ত নেন, কারণ কোনও দল ক্ষমতা ভাগাভাগিতে রাজি হয়নি। নির্বাচনের ফলাফল বলছে, তার এই কৌশল সফল হয়েছে। তবে সরকার গঠন নির্ভর করবে নির্বাচনের পরবর্তী এই সংখ্যার সমীকরণ কতটা দক্ষতার সঙ্গে তিনি সামলাতে পারেন তার ওপর।এছাড়াও, আগামী ৭ মে-র মধ্যেই শপথ গ্রহণ হতে পারে। এরই মধ্যে পর্দার আড়ালে জোর আলোচনা চলছে টিভিকে কি সংখ্যাগরিষ্ঠতার সীমা অতিক্রম করতে পারবে, তা নিয়েই এখন সব নজর।
ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় রাশিয়ায় শিশুসহ আহত ১৩
জীবনের প্রথম নির্বাচনেই বাজিমাত করেছেন দক্ষিণী সুপারস্টার ববিজয় থালাপতি। তার দল তামিলাগা ভেট্টি কাজাগাম (টিভিকে) একক বৃহত্তম দল হিসেবে উঠে এলেও সরকার গঠনের জন্য এখনও প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা থেকে কিছুটা দূরে। ফলে এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন সংখ্যার সমীকরণ মিলিয়ে কি সরকার গঠন করতে পারবেন বিজয়?ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি বলছে, ২৩৪ সদস্যের তামিলনাড়ু বিধানসভায় ১০৭টি আসন নিয়ে অভিনেতা-থেকে-রাজনীতিবিদ সি জোসেফ বিজয় এবং তার দল তামিলাগা ভেট্টি কাজাগাম (টিভিকে) সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যা থেকে ১১টি আসন পিছিয়ে রয়েছে। এখন মূল প্রশ্ন হলো এই ঘাটতি পূরণে প্রয়োজনীয় সমর্থন কোথা থেকে আসবে। একক বৃহত্তম দল হিসেবে টিভিকেকে সরকার গঠনের জন্য গভর্নর আমন্ত্রণ জানাতে পারেন, এমনকি শুরুতে সংখ্যালঘু সরকার হিসেবেও। দলটির ভেতরের নেতারা অবশ্য আশাবাদী যে তারা বাইরের সমর্থন পাবে। তাদের মতে, বর্তমানে দ্রাবিড় মুনেত্র কাজাগাম (ডিএমকে)-র সঙ্গে থাকা কয়েকটি দল থেকে সমর্থন মিলতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে কংগ্রেস, যারা পাঁচটি আসন পেয়েছে এবং কমিউনিস্ট পার্টি অব ইন্ডিয়া (সিপিআই), কমিউনিস্ট পার্টি অব ইন্ডিয়া (মার্কসবাদী) (সিপিআইএম) ও বিদুথালাই চিরুথাইগাল কাচ্চি (ভিসিকে); প্রতিটি দল দুটি করে আসন পেয়েছে।ভারতের একজন জ্যেষ্ঠ নেতা ২০০৬ সালের উদাহরণ টেনে বলেন, সে সময় সংখ্যালঘু ডিএমকে সরকার বাইরের সমর্থন নিয়েই টিকে ছিল। এমন পরিস্থিতি ডিএমকে জোটের ভেতরে নতুন সমীকরণ তৈরি করতে পারে। বিশেষ করে কংগ্রেস নির্বাচন-পূর্ব সময়ে টিভিকের সঙ্গে জোটের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখেছিল এবং সেই প্রেক্ষাপটে ডিএমকের কাছ থেকে বেশি আসন আদায় করেছিল যা জোটের ভেতরের টানাপোড়েনের ইঙ্গিত দেয়।টিভিকের জন্য আরেকটি সম্ভাবনা হতে পারে পাট্টালি মাক্কাল কাচ্চি (পিএমকে)-র সমর্থন, যাদের হাতে রয়েছে পাঁচটি আসন। তবে অল ইন্ডিয়া আন্না দ্রাবিড় মুনেত্র কাজাগাম (এআইএডিএমকে)-র সঙ্গে সরাসরি সমঝোতার সম্ভাবনা কম, কারণ তারা বিজেপি’র মিত্র, যাদের বিজয় তার আদর্শগত প্রতিপক্ষ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।অন্যদিকে, টিভিকের মাদুরাভয়াল আসনের প্রার্থী রেভান্থ চরণ, যিনি রাজ্যের অন্যতম কনিষ্ঠ বিধায়ক হতে যাচ্ছেন। সরকারের গঠন নিয়ে তিনি আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, কোনও ভয় নেই। আমরা সরকার গঠন করব। জোট বা সমর্থন নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দলীয় শীর্ষ নেতৃত্ব নেবে বলেও জানান তিনি। শিগগিরই সরকার গঠন ও সংশ্লিষ্ট তারিখ নিয়ে স্পষ্ট ঘোষণা আসতে পারে বলেও ইঙ্গিত দেন। এই রাজনৈতিক পরিস্থিতির পেছনে রয়েছে টিভিকের ঐতিহাসিক অভিষেক। নির্বাচনী রাজনীতিতে প্রথমবার অংশ নিয়েই বিজয় বড় সাফল্য পেয়েছেন এবং তার দল একক বৃহত্তম শক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে। তিনি নিজেও পেরাম্বুর ও ত্রিচি ইস্ট দুটি আসনেই জয় পেয়েছেন। পাশাপাশি, দীর্ঘদিন ধরে ডিএমকের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত চেন্নাইয়েও টিভিকে বড় সাফল্য দেখিয়েছে, যেখানে ১৬টির মধ্যে ১৪টি আসন তারা জিতেছে। পুরো নির্বাচনী প্রচারে বিজয় এই লড়াইকে ডিএমকের বিরুদ্ধে সরাসরি প্রতিদ্বন্দ্বিতা হিসেবে তুলে ধরেন। তিনি জোটে না গিয়ে একাই লড়ার সিদ্ধান্ত নেন, কারণ কোনও দল ক্ষমতা ভাগাভাগিতে রাজি হয়নি। নির্বাচনের ফলাফল বলছে, তার এই কৌশল সফল হয়েছে। তবে সরকার গঠন নির্ভর করবে নির্বাচনের পরবর্তী এই সংখ্যার সমীকরণ কতটা দক্ষতার সঙ্গে তিনি সামলাতে পারেন তার ওপর।এছাড়াও, আগামী ৭ মে-র মধ্যেই শপথ গ্রহণ হতে পারে। এরই মধ্যে পর্দার আড়ালে জোর আলোচনা চলছে টিভিকে কি সংখ্যাগরিষ্ঠতার সীমা অতিক্রম করতে পারবে, তা নিয়েই এখন সব নজর।
আহত খুদে ফুটবলার সোহাদার পাশে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল ইসলাম ও এমপি ফজলুল হক মিলন
জীবনের প্রথম নির্বাচনেই বাজিমাত করেছেন দক্ষিণী সুপারস্টার ববিজয় থালাপতি। তার দল তামিলাগা ভেট্টি কাজাগাম (টিভিকে) একক বৃহত্তম দল হিসেবে উঠে এলেও সরকার গঠনের জন্য এখনও প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা থেকে কিছুটা দূরে। ফলে এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন সংখ্যার সমীকরণ মিলিয়ে কি সরকার গঠন করতে পারবেন বিজয়?ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি বলছে, ২৩৪ সদস্যের তামিলনাড়ু বিধানসভায় ১০৭টি আসন নিয়ে অভিনেতা-থেকে-রাজনীতিবিদ সি জোসেফ বিজয় এবং তার দল তামিলাগা ভেট্টি কাজাগাম (টিভিকে) সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যা থেকে ১১টি আসন পিছিয়ে রয়েছে। এখন মূল প্রশ্ন হলো এই ঘাটতি পূরণে প্রয়োজনীয় সমর্থন কোথা থেকে আসবে। একক বৃহত্তম দল হিসেবে টিভিকেকে সরকার গঠনের জন্য গভর্নর আমন্ত্রণ জানাতে পারেন, এমনকি শুরুতে সংখ্যালঘু সরকার হিসেবেও। দলটির ভেতরের নেতারা অবশ্য আশাবাদী যে তারা বাইরের সমর্থন পাবে। তাদের মতে, বর্তমানে দ্রাবিড় মুনেত্র কাজাগাম (ডিএমকে)-র সঙ্গে থাকা কয়েকটি দল থেকে সমর্থন মিলতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে কংগ্রেস, যারা পাঁচটি আসন পেয়েছে এবং কমিউনিস্ট পার্টি অব ইন্ডিয়া (সিপিআই), কমিউনিস্ট পার্টি অব ইন্ডিয়া (মার্কসবাদী) (সিপিআইএম) ও বিদুথালাই চিরুথাইগাল কাচ্চি (ভিসিকে); প্রতিটি দল দুটি করে আসন পেয়েছে।ভারতের একজন জ্যেষ্ঠ নেতা ২০০৬ সালের উদাহরণ টেনে বলেন, সে সময় সংখ্যালঘু ডিএমকে সরকার বাইরের সমর্থন নিয়েই টিকে ছিল। এমন পরিস্থিতি ডিএমকে জোটের ভেতরে নতুন সমীকরণ তৈরি করতে পারে। বিশেষ করে কংগ্রেস নির্বাচন-পূর্ব সময়ে টিভিকের সঙ্গে জোটের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখেছিল এবং সেই প্রেক্ষাপটে ডিএমকের কাছ থেকে বেশি আসন আদায় করেছিল যা জোটের ভেতরের টানাপোড়েনের ইঙ্গিত দেয়।টিভিকের জন্য আরেকটি সম্ভাবনা হতে পারে পাট্টালি মাক্কাল কাচ্চি (পিএমকে)-র সমর্থন, যাদের হাতে রয়েছে পাঁচটি আসন। তবে অল ইন্ডিয়া আন্না দ্রাবিড় মুনেত্র কাজাগাম (এআইএডিএমকে)-র সঙ্গে সরাসরি সমঝোতার সম্ভাবনা কম, কারণ তারা বিজেপি’র মিত্র, যাদের বিজয় তার আদর্শগত প্রতিপক্ষ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।অন্যদিকে, টিভিকের মাদুরাভয়াল আসনের প্রার্থী রেভান্থ চরণ, যিনি রাজ্যের অন্যতম কনিষ্ঠ বিধায়ক হতে যাচ্ছেন। সরকারের গঠন নিয়ে তিনি আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, কোনও ভয় নেই। আমরা সরকার গঠন করব। জোট বা সমর্থন নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দলীয় শীর্ষ নেতৃত্ব নেবে বলেও জানান তিনি। শিগগিরই সরকার গঠন ও সংশ্লিষ্ট তারিখ নিয়ে স্পষ্ট ঘোষণা আসতে পারে বলেও ইঙ্গিত দেন। এই রাজনৈতিক পরিস্থিতির পেছনে রয়েছে টিভিকের ঐতিহাসিক অভিষেক। নির্বাচনী রাজনীতিতে প্রথমবার অংশ নিয়েই বিজয় বড় সাফল্য পেয়েছেন এবং তার দল একক বৃহত্তম শক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে। তিনি নিজেও পেরাম্বুর ও ত্রিচি ইস্ট দুটি আসনেই জয় পেয়েছেন। পাশাপাশি, দীর্ঘদিন ধরে ডিএমকের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত চেন্নাইয়েও টিভিকে বড় সাফল্য দেখিয়েছে, যেখানে ১৬টির মধ্যে ১৪টি আসন তারা জিতেছে। পুরো নির্বাচনী প্রচারে বিজয় এই লড়াইকে ডিএমকের বিরুদ্ধে সরাসরি প্রতিদ্বন্দ্বিতা হিসেবে তুলে ধরেন। তিনি জোটে না গিয়ে একাই লড়ার সিদ্ধান্ত নেন, কারণ কোনও দল ক্ষমতা ভাগাভাগিতে রাজি হয়নি। নির্বাচনের ফলাফল বলছে, তার এই কৌশল সফল হয়েছে। তবে সরকার গঠন নির্ভর করবে নির্বাচনের পরবর্তী এই সংখ্যার সমীকরণ কতটা দক্ষতার সঙ্গে তিনি সামলাতে পারেন তার ওপর।এছাড়াও, আগামী ৭ মে-র মধ্যেই শপথ গ্রহণ হতে পারে। এরই মধ্যে পর্দার আড়ালে জোর আলোচনা চলছে টিভিকে কি সংখ্যাগরিষ্ঠতার সীমা অতিক্রম করতে পারবে, তা নিয়েই এখন সব নজর।
সবাইকে কাঁদিয়ে না ফেরার দেশে চলে গেলেন মাওলানা আবদুল খালেক জানাজায় শোকার্ত মানুষের ঢল
অফিস সময়ে তালাবদ্ধ ইউনিয়ন পরিষদ,উড়ছে জাতীয় পতাকা—নেই কর্মকর্তা-কর্মচারী
মানবিকতায় এগিয়ে ‘গো ফ্যাভলো ফাউন্ডেশন'
নীলফামারী জেলার ৪ জন এমপির সংবর্ধনা ঈদ উৎসব ও মনোজ্ঞ সংস্কৃতিক অনুষ্ঠান
ডিমলায় কৃষি বিভাগের উদ্যোগে চরাঞ্চলের কৃষকদের মাঝে এলএলপি সেট ও পাইপ বিতরণ
গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে জামায়াতের এমপি ডিমলায় লিফলেট বিতরণ করেন
খানসামায় রক্তরেখা ব্লাড ব্যাংকের উদ্যোগে ২৩৯ কপি কুরআন মাজিদ বিতরণ কর্মসূচী ২০২৫ অনুষ্ঠিত ।
ডিমলা প্রশাসনের উদ্যোগে ফুয়েল কার্ড বিতরণ শুরু
সৈয়দপুরে বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
ঈদের আনন্দের ভিড়ে এক পরিবারের নীরব কান্না: রাতের আঁধারে চুরি গেল জীবিকার একমাত্র ভ্যান
তারেক রহমানের নেতৃত্বে শহীদ জিয়ার খাল খনন কর্মসূচি নতুনভাবে শুরু হয়েছে: পানিসম্পদমন্ত্রী
মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় দুই বন্ধু আহত, হাসপাতালে একজনের মৃত্যু
ব্যক্তিগত জীবনের কোনো বিশেষ অধ্যায় নিয়ে ভাইরাল হতে চাই না: মিথিলা
‘রিয়ালের ড্রেসিংরুমে সমস্যার অন্যতম বড় কারণ ভিনিসিয়ুস’
ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় রাশিয়ায় শিশুসহ আহত ১৩
নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (নোবিপ্রবি)
তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে সিনেমার তারকাদের সফলতার রহস্য
খুলে নেওয়া হলো মমতার বাড়ির গলির মুখের ‘সিজার ব্যারিকেড’
আহত খুদে ফুটবলার সোহাদার পাশে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল ইসলাম ও এমপি ফজলুল হক মিলন
দেশের ক্রীড়াঙ্গনকে উন্নত করতে স্পোর্টস ডিপ্লোমেসি করবেন জাইমা রহমান
ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় রাশিয়ায় শিশুসহ আহত ১৩
রাশিয়ার সীমান্তবর্তী ব্রিয়ানস্ক শহরে ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় এক শিশুসহ ১৩ জন আহত হয়েছেন। অঞ্চলটির গভর্নর আলেকজান্ডার বোগোমাজ বৃহস্পতিবার (৭ মে) এ তথ্য জানিয়েছেন। খবর এএফপি। তিনি টেলিগ্রামে জানান, রাতের হামলায় বেজিৎসকি জেলায় দু’টি আবাসিক ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া ২০টির বেশি ফ্ল্যাট ও প্রায় ৪০টি যানবাহনের ক্ষতি হয়েছে। রাশিয়া ৮ ও ৯ মে ইউক্রেনের সঙ্গে একতরফা যুদ্ধবিরতি ঘোষণার আগে এ হামলার ঘটনা ঘটল। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের বিজয় দিবস উপলক্ষে মস্কোয় আয়োজিত অনুষ্ঠানের প্রেক্ষাপটে এই যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দেওয়া হয়। এর আগে ৬ মে ইউক্রেন নিজেদের পক্ষ থেকে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দিয়েছিল। তবে রাশিয়া তা উপেক্ষা করে। আরও পড়ুনআরও পড়ুনরাশিয়ার হামলায় ইউক্রেনে নিহত ২৬ মস্কোর মেয়র সের্গেই সোবিয়ানিন বৃহস্পতিবার জানান, মস্কোর দিকে উড়ে আসা অন্তত তিনটি ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে। অন্যদিকে রুশ হামলায় ইউক্রেনের দনিপ্রো এলাকায় একজন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন আঞ্চলিক প্রশাসনের প্রধান ওলেক্সান্দর গানঝা। এদিকে রাশিয়া কিয়েভে অবস্থানরত বিদেশি কূটনীতিকদের সতর্ক করে জানিয়েছে, শনিবারের স্মরণানুষ্ঠানে ইউক্রেন কোনো ধরনের বিঘ্ন ঘটালে রাজধানী কিয়েভে ‘প্রতিশোধমূলক হামলা’ চালানো হবে। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বুধবার অভিযোগ করেন, যুদ্ধ বন্ধ ও প্রাণহানি রোধের প্রচেষ্টা রাশিয়া প্রত্যাখ্যান করছে।
টিকাদান কর্মসূচি: হামের টিকা সরবরাহে ঘাটতি ৭৩ শতাংশ
টিকাদান কর্মসূচি: হামের টিকা সরবরাহে ঘাটতি ৭৩ শতাংশ