ঢাকা   শনিবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৬
আত্রাই বার্তা

আত্রাই বার্তা

সর্বশেষ

চরমোনাইয়ে দেশের সর্ববৃহৎ জুমার নামাজ আদায়, আগামীকাল শনিবার আখেরী মোনাজাত

বরিশাল কীর্তনখোলা নদীর তীরে ঐতিহ্যবাহী চরমোনাই’র বার্ষিক মাহফিলের ৩য় দিনে শুক্রবার সর্ববৃহৎ জামাতে জুমার নামাজ আদায় করেছেন ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা। চরমোনাই’র ময়দানে দেশ-বিদেশের লাখ লাখ ধর্মপ্রাণ মুসল্লির উপস্থিতিতে শুক্রবার অনুষ্ঠিত হয়েছে স্মরণকালের বৃহত্তম জুমার জামাত। ধর্মপ্রাণ মুসলমান দলে দলে আল্লাহর সন্তুষ্ঠি লাভের আশায় ও গুনাহ মাপের জন্য কিছু সময় সৃষ্টি কর্তার আনুকূল্য পেতে সিজদায় মগ্ন হন।মুসল্লিদের ঢল নেমেছিল ছোট ছোট যন্ত্রচালিত টলার ও নৌকায়  ও বিভিন্ন বাহনে মুসল্লিরা মাঠে এসেছেন। আল্লাহ জিকিরের ধ্বণিতে মুখরিত হয়ে উঠেছে ময়দান। আর এই জুমার নামাজে দেশি-বিদেশি অগণিত মানুষ ময়দানে কাতারে কাতারে শামিল হয়ে নামাজ আদায় এবং মোনাজাতে শরিক হন। জুমার নামাজের খুতবা পাঠ ও নামাজের ইমামতি করেন  নায়েবে আমিরুল মুজাহিদ্বীন শায়েখে চরমোনাই’ মুফতি সৈয়দ মোঃ ফয়জুল  করীম। নামাজে বরিশালের অনেক গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন বলে জানা যায়। প্রতি বছরের ন্যায় চারটি মাঠে মুসল্লিরা বৃহত্তম জুমার জামাতে শরিক হয়ে নামাজ আদায় করতে শুক্রবার সকাল থেকেই বরিশাল শহর ও পার্শ্ববর্তী এলাকা থেকে চরমোনাই’র দিকে ঢল নেমেছিল টুপি-পাঞ্জাবি পরা লাখ লাখ মানুষের। কীর্তনখোলা নদীর তীরের চারপাশে যেদিকে চোখ যায় সেদিকেই দেখা যায় শুধু সাদা পাঞ্জাবি আর টুপি পরা মানুষের ভিড়। নামাজের সময় মূল প্যান্ডেলের বাইরে পাকা রাস্তা পর্যন্ত মুসল্লিদের নামাজে অংশ গ্রহণ করতে দেখা গেছে। নামাজের সময় আইন শৃঙ্খলা বাহিনী স্বেচ্ছাসেবক ছিল বিশেষ সতর্ক অবস্থায়। টহল জানান দিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সরব উপস্থিতি।আগামীকাল শনিবার সকালে আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হবে এই মাহফিল।জুম্মার বয়ানে নায়েবে আমীরুল মুজাহিদ্বীন মুফতি সৈয়দ মোঃ ফয়জুল করিম বলেনদুনিয়ায় শান্তি ও পরকালে মুক্তির জন্য প্রত্যেক মানুষকে আল্লাহর ভয় বা তাকওয়া অর্জন করে আখিরাতের প্রস্তুতি নিতে হবে।গুনাহ মানুষের অন্তরকে কলুষিত করে দেয়। যখন কলব অপরিষ্কার হয়ে যায়, তখন মানুষ ধীরে ধীরে গর্হিত কাজে লিপ্ত হয়। কিন্তু যারা তাকওয়া বা আল্লাহভীতি অর্জন করে নিজেদের অন্তরকে পরিশুদ্ধ রাখে, তাদের দ্বারা গুনাহের কাজ সহজে হতে পারে না। তিনি বলেন, ‘তাকওয়া অর্জন ছাড়া দুনিয়া ও আখিরাতে মুক্তির কোনো বিকল্প নেই। এ জন্য মানুষের অন্তর থেকে দুনিয়ার মোহমায়া দূর করে আল্লাহর ভয় সৃষ্টি করতে হবে।মাহফিলের ৩য় দিনে বাদ আছর ঐতিহাসিক চরমোনাই মাহফিলে আগত মুসল্লিদের আমল ও সুন্নতের পাবন্দি নিশ্চিত করতে পরীক্ষা নেনপীর সাহেব মুফতী সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম । আসরের পর বা বয়ান চলাকালীন সময়ে তিনি মুসল্লিদের পাগড়ি, দাড়ি ও নিয়মিত নামাজের অভ্যাস সম্পর্কে প্রশ্ন করেন এবং আমলের প্রতি উদ্বুদ্ধ করেন এবং বাদ মাগরিব গুরুত্বপূর্ণ বয়ান পেশ করেন। ৩য় দিনে আরো বয়ান করেনমাওঃ সৈয়দ মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল মাদানী মুফতি সৈয়দ ইসহাক মোঃ আবুল খায়ের,বরগুনা ১ আসনের  সংসদ সদস্য মাওঃ মাহমুদুল হাসান  ওলিউল্লাহ ,মাওঃ ইউনুস আহমদ,মুফতি মাহমুদ বিন মাদানী সিলেট প্রমুখ।

হাম থেকে মুক্ত থাকতে জানতে হবে যেসব বিষয়

৬ মাস থেকে ১০ বছর বয়সী শিশুদের আগামী রোববার (৫ এপ্রিল) থেকে জরুরি ভিত্তিতে হামের টিকা দেবে সরকার।আজ বুধবার সচিবালয়ে এক বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এই তথ্য জানান স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, আপৎকালীন ব্যবস্থা হিসেবে গ্যাভির (ভ্যাকসিন ব্যবস্থাপনার বৈশ্বিক জোট গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ভ্যাকসিন ইনিশিয়েটিভ) কাছ থেকে ২১ দশমিক ৯ মিলিয়ন ডোজ হামের টিকা ধার হিসেবে নিচ্ছে সরকার। পরে তাদের এই টিকা ফেরত দেওয়া হবে।প্রায় শতভাগ প্রতিরোধযোগ্য সংক্রামক হাম রোগের প্রাদুর্ভাবে চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশে অর্ধশতাধিক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, দেশের আট বিভাগেই হামের রোগী শনাক্ত হয়েছে। সরকারিভাবে এখনো মৃত্যুর তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। তবে বিভিন্ন হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, হামে অর্ধশতাধিক শিশু মারা গেছে।এর মধ্যে মহাখালীর সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালে ২৫ শিশু; বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটে ৬; ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৫; চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৪; রাজশাহী, পাবনা ও গোপালগঞ্জে একজন করে এবং বরিশাল বিভাগের বিভিন্ন জেলায় ৮ শিশু মারা গেছে। ঢাকা বিভাগে সবচেয়ে বেশি হামের রোগী (৩৬ দশমিক ২৪ শতাংশ) শনাক্ত হয়েছে। এরপর রয়েছে রাজশাহী, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ, বরিশাল, খুলনা, সিলেট ও রংপুর বিভাগ।ইপিআই সারা বছর যে ১২টি রোগের জন্য ১০টি টিকা দেয়, সেগুলোর মধ্যে হাম ও রুবেলা রোগ প্রতিরোধে এমআর টিকাও রয়েছে। হাম প্রতিরোধে ইপিআইয়ের অধীনে ৯-১৫ মাস বয়সী শিশুদের নিয়মিত টিকা দেওয়া হয়। এই কর্মসূচিতে ৮৬ থেকে ৯০ শতাংশ শিশু টিকা পায়।

টিকাদান কর্মসূচি: হামের টিকা সরবরাহে ঘাটতি ৭৩ শতাংশ

৬ মাস থেকে ১০ বছর বয়সী শিশুদের আগামী রোববার (৫ এপ্রিল) থেকে জরুরি ভিত্তিতে হামের টিকা দেবে সরকার।আজ বুধবার সচিবালয়ে এক বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এই তথ্য জানান স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, আপৎকালীন ব্যবস্থা হিসেবে গ্যাভির (ভ্যাকসিন ব্যবস্থাপনার বৈশ্বিক জোট গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ভ্যাকসিন ইনিশিয়েটিভ) কাছ থেকে ২১ দশমিক ৯ মিলিয়ন ডোজ হামের টিকা ধার হিসেবে নিচ্ছে সরকার। পরে তাদের এই টিকা ফেরত দেওয়া হবে।প্রায় শতভাগ প্রতিরোধযোগ্য সংক্রামক হাম রোগের প্রাদুর্ভাবে চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশে অর্ধশতাধিক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, দেশের আট বিভাগেই হামের রোগী শনাক্ত হয়েছে। সরকারিভাবে এখনো মৃত্যুর তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। তবে বিভিন্ন হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, হামে অর্ধশতাধিক শিশু মারা গেছে।এর মধ্যে মহাখালীর সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালে ২৫ শিশু; বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটে ৬; ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৫; চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৪; রাজশাহী, পাবনা ও গোপালগঞ্জে একজন করে এবং বরিশাল বিভাগের বিভিন্ন জেলায় ৮ শিশু মারা গেছে। ঢাকা বিভাগে সবচেয়ে বেশি হামের রোগী (৩৬ দশমিক ২৪ শতাংশ) শনাক্ত হয়েছে। এরপর রয়েছে রাজশাহী, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ, বরিশাল, খুলনা, সিলেট ও রংপুর বিভাগ।ইপিআই সারা বছর যে ১২টি রোগের জন্য ১০টি টিকা দেয়, সেগুলোর মধ্যে হাম ও রুবেলা রোগ প্রতিরোধে এমআর টিকাও রয়েছে। হাম প্রতিরোধে ইপিআইয়ের অধীনে ৯-১৫ মাস বয়সী শিশুদের নিয়মিত টিকা দেওয়া হয়। এই কর্মসূচিতে ৮৬ থেকে ৯০ শতাংশ শিশু টিকা পায়।

টিকাদান কর্মসূচি: হামের টিকা সরবরাহে ঘাটতি ৭৩ শতাংশ

৬ মাস থেকে ১০ বছর বয়সী শিশুদের আগামী রোববার (৫ এপ্রিল) থেকে জরুরি ভিত্তিতে হামের টিকা দেবে সরকার।আজ বুধবার সচিবালয়ে এক বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এই তথ্য জানান স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, আপৎকালীন ব্যবস্থা হিসেবে গ্যাভির (ভ্যাকসিন ব্যবস্থাপনার বৈশ্বিক জোট গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ভ্যাকসিন ইনিশিয়েটিভ) কাছ থেকে ২১ দশমিক ৯ মিলিয়ন ডোজ হামের টিকা ধার হিসেবে নিচ্ছে সরকার। পরে তাদের এই টিকা ফেরত দেওয়া হবে।প্রায় শতভাগ প্রতিরোধযোগ্য সংক্রামক হাম রোগের প্রাদুর্ভাবে চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশে অর্ধশতাধিক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, দেশের আট বিভাগেই হামের রোগী শনাক্ত হয়েছে। সরকারিভাবে এখনো মৃত্যুর তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। তবে বিভিন্ন হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, হামে অর্ধশতাধিক শিশু মারা গেছে।এর মধ্যে মহাখালীর সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালে ২৫ শিশু; বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটে ৬; ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৫; চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৪; রাজশাহী, পাবনা ও গোপালগঞ্জে একজন করে এবং বরিশাল বিভাগের বিভিন্ন জেলায় ৮ শিশু মারা গেছে। ঢাকা বিভাগে সবচেয়ে বেশি হামের রোগী (৩৬ দশমিক ২৪ শতাংশ) শনাক্ত হয়েছে। এরপর রয়েছে রাজশাহী, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ, বরিশাল, খুলনা, সিলেট ও রংপুর বিভাগ।ইপিআই সারা বছর যে ১২টি রোগের জন্য ১০টি টিকা দেয়, সেগুলোর মধ্যে হাম ও রুবেলা রোগ প্রতিরোধে এমআর টিকাও রয়েছে। হাম প্রতিরোধে ইপিআইয়ের অধীনে ৯-১৫ মাস বয়সী শিশুদের নিয়মিত টিকা দেওয়া হয়। এই কর্মসূচিতে ৮৬ থেকে ৯০ শতাংশ শিশু টিকা পায়।

সবাইকে কাঁদিয়ে না ফেরার দেশে চলে গেলেন মাওলানা আবদুল খালেক  জানাজায় শোকার্ত মানুষের ঢল

সবাইকে কাঁদিয়ে না ফেরার দেশে চলে গেলেন মাওলানা আবদুল খালেক জানাজায় শোকার্ত মানুষের ঢল

অফিস সময়ে তালাবদ্ধ ইউনিয়ন পরিষদ,উড়ছে জাতীয় পতাকা—নেই কর্মকর্তা-কর্মচারী

অফিস সময়ে তালাবদ্ধ ইউনিয়ন পরিষদ,উড়ছে জাতীয় পতাকা—নেই কর্মকর্তা-কর্মচারী

মানবিকতায় এগিয়ে ‘গো ফ্যাভলো ফাউন্ডেশন'

মানবিকতায় এগিয়ে ‘গো ফ্যাভলো ফাউন্ডেশন'

নীলফামারী জেলার ৪ জন এমপির  সংবর্ধনা ঈদ উৎসব ও মনোজ্ঞ সংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

নীলফামারী জেলার ৪ জন এমপির সংবর্ধনা ঈদ উৎসব ও মনোজ্ঞ সংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

খানসামায় রক্তরেখা ব্লাড ব্যাংকের উদ্যোগে ২৩৯ কপি কুরআন মাজিদ বিতরণ কর্মসূচী ২০২৫ অনুষ্ঠিত ।

খানসামায় রক্তরেখা ব্লাড ব্যাংকের উদ্যোগে ২৩৯ কপি কুরআন মাজিদ বিতরণ কর্মসূচী ২০২৫ অনুষ্ঠিত ।

সৈয়দপুরে বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

সৈয়দপুরে বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

ঈদের আনন্দের ভিড়ে এক পরিবারের নীরব কান্না: রাতের আঁধারে চুরি গেল জীবিকার একমাত্র ভ্যান

ঈদের আনন্দের ভিড়ে এক পরিবারের নীরব কান্না: রাতের আঁধারে চুরি গেল জীবিকার একমাত্র ভ্যান

কদমতলীতে যুবদল নেতাকর্মীদের বিক্ষোভ ও পিকেটিং

কদমতলীতে যুবদল নেতাকর্মীদের বিক্ষোভ ও পিকেটিং

ঈদযাত্রায় কমলাপুরে বাড়ছে চাপ, প্রতিদিন ৬৫ হাজার যাত্রী

ঈদযাত্রায় কমলাপুরে বাড়ছে চাপ, প্রতিদিন ৬৫ হাজার যাত্রী

‎খানসামা উপজেলায় আরাফারত রহমান কোকো ক্রীয়া সংসদ এর  আহ্বায়ক  কমিটি গঠন

‎খানসামা উপজেলায় আরাফারত রহমান কোকো ক্রীয়া সংসদ এর আহ্বায়ক কমিটি গঠন

চরমোনাইয়ে দেশের সর্ববৃহৎ জুমার নামাজ আদায়, আগামীকাল শনিবার আখেরী মোনাজাত

চরমোনাইয়ে দেশের সর্ববৃহৎ জুমার নামাজ আদায়, আগামীকাল শনিবার আখেরী মোনাজাত

ডিমলায় প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় ৩৩০ জন কৃষকের মাঝে বীজ ও সার বিতরণ

ডিমলায় প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় ৩৩০ জন কৃষকের মাঝে বীজ ও সার বিতরণ

কালীগঞ্জে গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রিতে অনিয়মে জরিমানা

কালীগঞ্জে গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রিতে অনিয়মে জরিমানা

অতিরিক্ত খিদে কমাতে খান প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার

অতিরিক্ত খিদে কমাতে খান প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার

হাম থেকে মুক্ত থাকতে জানতে হবে যেসব বিষয়

হাম থেকে মুক্ত থাকতে জানতে হবে যেসব বিষয়

টিকাদান কর্মসূচি: হামের টিকা সরবরাহে ঘাটতি ৭৩ শতাংশ

টিকাদান কর্মসূচি: হামের টিকা সরবরাহে ঘাটতি ৭৩ শতাংশ

টিকাদান কর্মসূচি: হামের টিকা সরবরাহে ঘাটতি ৭৩ শতাংশ

টিকাদান কর্মসূচি: হামের টিকা সরবরাহে ঘাটতি ৭৩ শতাংশ

জরুরি ভিত্তিতে ৫ এপ্রিল থেকে দেওয়া হবে হামের টিকা

জরুরি ভিত্তিতে ৫ এপ্রিল থেকে দেওয়া হবে হামের টিকা

বিমানে একসঙ্গে গেলেও আলাদা বসছেন যুগলরা, কেন বাড়ছে এই ‘সিট ডিভোর্স’ প্রবণতা?

বিমানে একসঙ্গে গেলেও আলাদা বসছেন যুগলরা, কেন বাড়ছে এই ‘সিট ডিভোর্স’ প্রবণতা?

হৃদযন্ত্র সুস্থ রাখতে ঘুমের সময় এসির তাপমাত্রা কত হওয়া উচিত?

হৃদযন্ত্র সুস্থ রাখতে ঘুমের সময় এসির তাপমাত্রা কত হওয়া উচিত?

কোন ভিডিও নেই !
কোন ভিডিও নেই !

৫৪ বছর পর চাঁদের পথে মানুষ, আর্টেমিস-২ উৎক্ষেপণ সফল

দীর্ঘ ৫৪ বছরের প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে আবারও চাঁদের অভিমুখে যাত্রা শুরু করেছে মানুষ। মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা সফলভাবে তাদের ঐতিহাসিক আর্টেমিস-২ মিশনের উৎক্ষেপণ সম্পন্ন করেছে।ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে স্থানীয় সময় বুধবার (১ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৬টা ৩৫ মিনিটে ৩২ তলা বিশিষ্ট শক্তিশালী রকেটটি চারজন নভোচারীকে নিয়ে মহাকাশে ডানা মেলে। এই মাহেন্দ্রক্ষণ প্রত্যক্ষ করতে কেপ ক্যাআর্টেমিস-২ মিশনে অংশ নিচ্ছেন অভিজ্ঞ চার মহাকাশচারী—মিশন কমান্ডার হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের রিড ওয়াইজম্যান, পাইলট হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের ভিক্টর গ্লোভার, মিশন স্পেশালিস্ট হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের ক্রিস্টিনা কচ ও কানাডার জেরেমি হ্যানসেন।উৎক্ষেপণের আগে কানাডীয় নভোচারী জেরেমি হ্যানসেন আবেগঘন কণ্ঠে বলেন, ‘আমরা সমগ্র মানবজাতির পক্ষ থেকে এই চন্দ্রাভিযানে যাচ্ছি।’আর্টেমিস-২ মূলত একটি পরীক্ষামূলক মিশন। মহাকাশযানটি প্রথমবারের মতো মানুষ বহন করায় এর নিরাপত্তা ও নির্ভরযোগ্যতা নিবিড়ভাবে পরীক্ষা করা হবে।নাভেরালে জড়ো হয়েছিল হাজার হাজার উৎসুক মানুষ।এবারের মিশনের কিছু বিশেষত্ব রয়েছে। নভোচারীরা চাঁদের চারপাশে প্রদক্ষিণ করবেন, তবে এবার তারা চাঁদের মাটিতে অবতরণ করবেন না। ডকিং সিমুলেশনের মাধ্যমে মহাকাশ৫৪ বছর পর চাঁদের পথে মানুষ, আর্টেমিস-২ উৎক্ষেপণ সফলসফলভাবে আর্টেমিস-২ মিশনের উৎক্ষেপণ সম্পন্ন। ছবি : রয়টার্সদীর্ঘ ৫৪ বছরের প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে আবারও চাঁদের অভিমুখে যাত্রা শুরু করেছে মানুষ। মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা সফলভাবে তাদের ঐতিহাসিক আর্টেমিস-২ মিশনের উৎক্ষেপণ সম্পন্ন করেছে।ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে স্থানীয় সময় বুধবার (১ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৬টা ৩৫ মিনিটে ৩২ তলা বিশিষ্ট শক্তিশালী রকেটটি চারজন নভোচারীকে নিয়ে মহাকাশে ডানা মেলে। এই মাহেন্দ্রক্ষণ প্রত্যক্ষ করতে কেপ ক্যানাভেরালে জড়ো হয়েছিল হাজার হাজার উৎসুক মানুষআর্টেমিস-২ মিশনে অংশ নিচ্ছেন অভিজ্ঞ চার মহাকাশচারী—মিশন কমান্ডার হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের রিড ওয়াইজম্যান, পাইলট হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের ভিক্টর গ্লোভার, মিশন স্পেশালিস্ট হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের ক্রিস্টিনা কচ ও কানাডার জেরেমি হ্যানসেন।উৎক্ষেপণের আগে কানাডীয় নভোচারী জেরেমি হ্যানসেন আবেগঘন কণ্ঠে বলেন, ‘আমরা সমগ্র মানবজাতির পক্ষ থেকে এই চন্দ্রাভিযানে যাচ্ছি।’আর্টেমিস-২ মূলত একটি পরীক্ষামূলক মিশন। মহাকাশযানটি প্রথমবারের মতো মানুষ বহন করায় এর নিরাপত্তা ও নির্ভরযোগ্যতা নিবিড়ভাবে পরীক্ষা করা হবে।এবারের মিশনের কিছু বিশেষত্ব রয়েছে। নভোচারীরা চাঁদের চারপাশে প্রদক্ষিণ করবেন, তবে এবার তারা চাঁদের মাটিতে অবতরণ করবেন না। ডকিং সিমুলেশনের মাধ্যমে মহাকাশযানটির ম্যানুয়াল নিয়ন্ত্রণ সক্ষমতা যাচাই করা হবে। প্রায় ১০ দিনের এই মিশন শেষে নভোচারীরা পৃথিবীতে ফিরে আসবেন।মিশন ডিরেক্টর চার্লি ব্ল্যাকওয়েল-থম্পসন নভোচারীদের বিদায় জানানোর সময় বলেন, ‘রিড, ভিক্টর, ক্রিস্টিনা ও জেরেমি—আপনারা সঙ্গে করে নিয়ে যাচ্ছেন নতুন প্রজন্মের আশা ও স্বপ্ন। শুভকামনা আপনাদের।’এই মিশনের সফল সমাপ্তি মূলত পরবর্তী মিশন ‘আর্টেমিস-৩’-এর পথ প্রশস্ত করবে, যার মাধ্যমে মানুষ আবারও চাঁদের মাটিতে পা রাখার স্বপ্ন দেখছে।যানটির ম্যানুয়াল নিয়ন্ত্রণ সক্ষমতা যাচাই করা হবে। প্রায় ১০ দিনের এই মিশন শেষে নভোচারীরা পৃথিবীতে ফিরে আসবেন।

সব বিভাগের খবর

অবৈধ ট্রাভেল এজেন্সির বিরুদ্ধে শিগগিরই আইনি ব্যবস্থা নেবে সরকার

নিবন্ধন সনদ নবায়ন ছাড়া ব্যবসা পরিচালনাকারী ট্রাভেল এজেন্সির বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়।আজ মঙ্গলবার প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে মন্ত্রণালয় জানায়, মেয়াদোত্তীর্ণ ট্রাভেল এজেন্সিগুলো নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিবন্ধন নবায়ন না করায় সরকার রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে দ্রুত নিবন্ধন নবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলোকে জরুরি ভিত্তিতে আবেদন করার আহ্বান জানানো হয়েছে।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ ট্রাভেল এজেন্সি (নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ) আইন ২০১৩, এর সংশোধিত ২০২১ সালের আইন এবং ২০২২ সালের বিধিমালা অনুযায়ী, বৈধ নিবন্ধন সনদ ছাড়া কোনো ট্রাভেল এজেন্সির ব্যবসা পরিচালনা আইনসিদ্ধ নয়।বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় আরও জানায়, অনলাইন ট্রাভেল এজেন্সি ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের মাধ্যমে নিবন্ধন নবায়নের সুযোগ রয়েছে। তাই যেসব এজেন্সির নিবন্ধন মেয়াদোত্তীর্ণ হয়েছে, তাদের আগামী ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে নবায়ন সম্পন্ন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিবন্ধন নবায়ন না করলে অবৈধভাবে পরিচালিত সব ট্রাভেল এজেন্সির বিরুদ্ধে শিগগিরই আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও সতর্ক করেছে মন্ত্রণালয়।

দেশে মজুত আছে ১ লাখ ৯২ হাজার ৯১৯ টন তেল: জ্বালানি বিভাগ

দেশে বর্তমানে ১ লাখ ৯২ হাজার ৯১৯ টন জ্বালানি তেল মজুত রয়েছে বলে জানিয়েছে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ। আজ মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুপুরে সচিবালয়ে জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে মজুতের ৩০ মার্চ পর্যন্ত হিসাব তুলে ধরেছেন বিভাগের মুখপাত্র মনির হোসেন চৌধুরী।মুখপাত্র আরও জানান, দেশে বর্তমান মজুত ১ লাখ ৯২ হাজার ৯১৯ টন জ্বালানি তেলের মধ্যে ডিজেল রয়েছে ১ লাখ ২৮ হাজার ৯৩৯ টন, অকটেন ৭ হাজার ৯৪০ টন, পেট্রল ১১ হাজার ৪৩১ টন ও জেট ফুয়েল রয়েছে ৪৪ হাজার ৬০৯ টন।এই জ্বালানি তেল দিয়ে আগামী ১৫ থেকে ১৬ দিন পর্যন্ত দেশের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব বলে জানান মনির হোসেন চৌধুরী। তিনি আরও বলেন, ‘এপ্রিল মাসে আরও প্রায় দেড় লাখ মেট্রিক টন ডিজেল দেশে আসবে। ফলে আগামী মাসেও জ্বালানি সংকটের কোনো আশঙ্কা নেই।’অকটেন ও পেট্রোলের ব্যবহার তুলনামূলক কম উল্লেখ করে জ্বালানি বিভাগের মুখপাত্র বলেন, দেশের মোট জ্বালানি চাহিদার প্রায় ৬৩ শতাংশই ডিজেল, যা মূলত কৃষি সেচ ও গণপরিবহনে ব্যবহৃত হয়।মনির হোসেন চৌধুরী আরও জানান, জ্বালানি সাশ্রয়ে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ বিবেচনা করছে। এর মধ্যে সাপ্তাহিক ছুটি বাড়ানো, অফিস সময় কমানো এবং অনলাইন ক্লাস চালুর মতো পদক্ষেপও আলোচনায় রয়েছে।এছাড়াও মনির হোসেন জানান, আজ বিশ্ববাজারের সঙ্গে সমন্বয় রেখে প্রতিমাসের মতো জ্বালানি তেলের নতুন দাম ঘোষণা করা হতে পারে। তবে বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়েই সরকার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে বলে উল্লেখ করেন তিনি।মনির হোসেন আশ্বস্ত করে বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সরকার প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়ে কাজ করছে।এর আগে গতকাল সোমবার জাতীয় সংসদে ৩০০ বিধিতে দেওয়া বিবৃতিতে জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, বর্তমানে ডিজেলের বিক্রয়মূল্য প্রতি লিটার ১০০ টাকা, অথচ আমাদের প্রকৃত ব্যয় প্রতি লিটার ১৯৮ টাকা। একইভাবে অকটেনের বিক্রয়মূল্য প্রতি লিটার ১২০ টাকা আর প্রকৃত ব্যয় ১৫০ টাকা ৭২ পয়সা।তিনি আরও জানান, গত ফেব্রুয়ারির আন্তর্জাতিক বাজারে ডিজেলের গড় দরের তুলনায় ১-২৯ মার্চ ২০২৬ সময়ে ৯৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে এবং অকটেনের বৃদ্ধি পেয়েছে ২৬ শতাংশ। সরকার জনগণের স্বার্থে উল্লেখযোগ্য ভর্তুকি দিচ্ছে। এই দুটি জ্বালানি তেলের ক্ষেত্রে মার্চ-জুন প্রান্তিকে মোট ভর্তুকির প্রয়োজন হবে ডিজেলের ক্ষেত্রে ১৫ হাজার ৪০৯ কোটি টাকা এবং অকটেনের ক্ষেত্রে ৬৩৬ কোটি টাকা, মোট ১৬ হাজার ৪৫ কোটি টাকা।এছাড়া, পেট্রোবাংলার মাধ্যমে এলএনজি আমদানির জন্য এপ্রিল-জুন প্রান্তিকে ১৫ হাজার ৭৭ কোটি টাকা ভর্তুকির প্রয়োজন হবে বলে জানান মন্ত্রী।

স্বর্ণের সঙ্গে রুপার দামেও পতন, ভরি কত?

দেশের বাজারে স্বর্ণের সঙ্গে আরেক দফা কমানো হয়েছে রুপার দাম। ভরিতে ৩৫০ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম এবার ৫ হাজার ৭১৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আজ সকাল ১০টা থেকেই নতুন এ দাম কার্যকর হবে।বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এতে বলা হয়েছে, স্থানীয় বাজারে রুপার দাম কমায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।নতুন দাম অনুযায়ী, প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের রুপার দাম ৫ হাজার ৭১৫ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৫ হাজার ৪৮২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ৬৬৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ৩ হাজার ৪৯৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।এর আগে সবশেষ গত ১৪ মার্চ সমন্বয় করা হয়েছিল রুপার দাম। সে সময় ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ২৯২ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৬ হাজার ৬৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়।এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৫ হাজার ৭৭৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ৯৫৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ৩ হাজার ৭৩২ টাকা নির্ধারণ করা হয়। যা সেদিন সকাল ১০টা থেকেই কার্যকর হয়।চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ২৮ দফা সমন্বয় করা হয়েছে রুপার দাম। যেখানে ১৬ দফা বাড়ানো হয়েছে এবং কমানো হয়েছে ১২ দফা। ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ১৩ বার সমন্বয় করা হয় রুপার দাম। যার মধ্যে ১০ বার বেড়েছিল, আর মাত্র ৩ বার কমেছিল।

দাম বাড়ল জেট ফুয়েলের

বাংলাদেশও জেট ফুয়েলের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। এক ধাক্কায় প্রায় ৮০ শতাংশ দাম বাড়ানো হয়েছে।মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) নতুন এ মূল্য ঘোষণা করে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন।জানা গেছে, তেলের দাম বাড়াতে আজ (মঙ্গলবার) জুমে জরুরি সভা করে বিইআরসি। এতে পদ্মা অয়েল, বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনসহ (বিপিসি) বিইআরসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।অভ্যন্তরীণ রুটে ফ্লাইটের জন্য প্রতি লিটার জেট ফুয়েলের দাম ১১২ টাকা ৪১ পয়সা থেকে এক লাফে ২০২ টাকা ২৯ পয়সা করা হয়েছে। অর্থাৎ লিটারপ্রতি দাম বাড়ানো হয়েছে ৮৯ টাকা ৮৮ পয়সা বা ৮০ শতাংশ। এছাড়া আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের জন্য প্রতি লিটার ফুয়েলের দাম ০.৭৩৮৪ ডলার থেকে বাড়িয়ে ১.৩২১৬ ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে। দর বৃদ্ধির হার প্রায় ৭৯ শতাংশ।

আজকের মুদ্রার রেট: ২৫ মার্চ ২০২৬

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারিত হচ্ছে। দেশের কোটি মানুষ আছেন প্রবাসে। বিশ্বে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা বাংলাদেশিদের পাঠানো অর্থে সচল রয়েছে দেশের অর্থনীতির চাকা। প্রবাসীদের লেনদেনের সুবিধার্থে আজকের (২৫ মার্চ, ২০২৫) মুদ্রার বিনিময় হার তুলে ধরা হলো।বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুসারে, বুধবার দেশের মুদ্রা বাজারে ডলার কেনার দাম ধরা হচ্ছে ১২২.৭৫ টাকা। বিক্রির দাম ১২২.৭৫ টাকা। গড় বিনিময় হার ১২২ টাকা ৭৫ টাকা। ইউরো কেনার ক্ষেত্রে দাম ধরা হয়েছে ১৪২ টাকা ৪৭ পয়সা এবং বিক্রির ক্ষেত্রে দাম ধরা হয়েছে ১৪২ টাকা ৪৮ পয়সা। মুদ্রার বিনিময় হার পরিবর্তন হতে পারে।*

১৭ মার্চ কমেছে স্বর্ণের দাম ২২ ক্যারেট ভরি ২ লাখ ৬২ হাজার টাকা

 দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দামে সমন্বয় আনা হয়েছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) ভরিতে ২ হাজার ৬৮৩ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করেছে ২ লাখ ৬২ হাজার ২৬৫ টাকা।সংস্থাটি জানায়, গত শনিবার (১৪ মার্চ) থেকে এ নতুন দর কার্যকর হয়েছে এবং আজ (১৭ মার্চ) পর্যন্ত তা বহাল রয়েছে।বাজুসের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি (পিউর) স্বর্ণের দাম কমে যাওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় এই মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে।এতে করে সাম্প্রতিক সময়ে স্বর্ণের বাজারে কিছুটা স্বস্তি ফিরে এসেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

চরমোনাইয়ে দেশের সর্ববৃহৎ জুমার নামাজ আদায়, আগামীকাল শনিবার আখেরী মোনাজাত

চরমোনাইয়ে দেশের সর্ববৃহৎ জুমার নামাজ আদায়, আগামীকাল শনিবার আখেরী মোনাজাত

বরিশাল কীর্তনখোলা নদীর তীরে ঐতিহ্যবাহী চরমোনাই’র বার্ষিক মাহফিলের ৩য় দিনে শুক্রবার সর্ববৃহৎ জামাতে জুমার নামাজ আদায় করেছেন ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা। চরমোনাই’র ময়দানে দেশ-বিদেশের লাখ লাখ ধর্মপ্রাণ মুসল্লির উপস্থিতিতে শুক্রবার অনুষ্ঠিত হয়েছে স্মরণকালের বৃহত্তম জুমার জামাত। ধর্মপ্রাণ মুসলমান দলে দলে আল্লাহর সন্তুষ্ঠি লাভের আশায় ও গুনাহ মাপের জন্য কিছু সময় সৃষ্টি কর্তার আনুকূল্য পেতে সিজদায় মগ্ন হন।মুসল্লিদের ঢল নেমেছিল ছোট ছোট যন্ত্রচালিত টলার ও নৌকায়  ও বিভিন্ন বাহনে মুসল্লিরা মাঠে এসেছেন। আল্লাহ জিকিরের ধ্বণিতে মুখরিত হয়ে উঠেছে ময়দান। আর এই জুমার নামাজে দেশি-বিদেশি অগণিত মানুষ ময়দানে কাতারে কাতারে শামিল হয়ে নামাজ আদায় এবং মোনাজাতে শরিক হন। জুমার নামাজের খুতবা পাঠ ও নামাজের ইমামতি করেন  নায়েবে আমিরুল মুজাহিদ্বীন শায়েখে চরমোনাই’ মুফতি সৈয়দ মোঃ ফয়জুল  করীম। নামাজে বরিশালের অনেক গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন বলে জানা যায়। প্রতি বছরের ন্যায় চারটি মাঠে মুসল্লিরা বৃহত্তম জুমার জামাতে শরিক হয়ে নামাজ আদায় করতে শুক্রবার সকাল থেকেই বরিশাল শহর ও পার্শ্ববর্তী এলাকা থেকে চরমোনাই’র দিকে ঢল নেমেছিল টুপি-পাঞ্জাবি পরা লাখ লাখ মানুষের। কীর্তনখোলা নদীর তীরের চারপাশে যেদিকে চোখ যায় সেদিকেই দেখা যায় শুধু সাদা পাঞ্জাবি আর টুপি পরা মানুষের ভিড়। নামাজের সময় মূল প্যান্ডেলের বাইরে পাকা রাস্তা পর্যন্ত মুসল্লিদের নামাজে অংশ গ্রহণ করতে দেখা গেছে। নামাজের সময় আইন শৃঙ্খলা বাহিনী স্বেচ্ছাসেবক ছিল বিশেষ সতর্ক অবস্থায়। টহল জানান দিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সরব উপস্থিতি।আগামীকাল শনিবার সকালে আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হবে এই মাহফিল।জুম্মার বয়ানে নায়েবে আমীরুল মুজাহিদ্বীন মুফতি সৈয়দ মোঃ ফয়জুল করিম বলেনদুনিয়ায় শান্তি ও পরকালে মুক্তির জন্য প্রত্যেক মানুষকে আল্লাহর ভয় বা তাকওয়া অর্জন করে আখিরাতের প্রস্তুতি নিতে হবে।গুনাহ মানুষের অন্তরকে কলুষিত করে দেয়। যখন কলব অপরিষ্কার হয়ে যায়, তখন মানুষ ধীরে ধীরে গর্হিত কাজে লিপ্ত হয়। কিন্তু যারা তাকওয়া বা আল্লাহভীতি অর্জন করে নিজেদের অন্তরকে পরিশুদ্ধ রাখে, তাদের দ্বারা গুনাহের কাজ সহজে হতে পারে না। তিনি বলেন, ‘তাকওয়া অর্জন ছাড়া দুনিয়া ও আখিরাতে মুক্তির কোনো বিকল্প নেই। এ জন্য মানুষের অন্তর থেকে দুনিয়ার মোহমায়া দূর করে আল্লাহর ভয় সৃষ্টি করতে হবে।মাহফিলের ৩য় দিনে বাদ আছর ঐতিহাসিক চরমোনাই মাহফিলে আগত মুসল্লিদের আমল ও সুন্নতের পাবন্দি নিশ্চিত করতে পরীক্ষা নেনপীর সাহেব মুফতী সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম । আসরের পর বা বয়ান চলাকালীন সময়ে তিনি মুসল্লিদের পাগড়ি, দাড়ি ও নিয়মিত নামাজের অভ্যাস সম্পর্কে প্রশ্ন করেন এবং আমলের প্রতি উদ্বুদ্ধ করেন এবং বাদ মাগরিব গুরুত্বপূর্ণ বয়ান পেশ করেন। ৩য় দিনে আরো বয়ান করেনমাওঃ সৈয়দ মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল মাদানী মুফতি সৈয়দ ইসহাক মোঃ আবুল খায়ের,বরগুনা ১ আসনের  সংসদ সদস্য মাওঃ মাহমুদুল হাসান  ওলিউল্লাহ ,মাওঃ ইউনুস আহমদ,মুফতি মাহমুদ বিন মাদানী সিলেট প্রমুখ।

ডিমলায় প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় ৩৩০ জন কৃষকের মাঝে বীজ ও সার বিতরণ

ডিমলায় প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় ৩৩০ জন কৃষকের মাঝে বীজ ও সার বিতরণ

২০২৫-২৬ অর্থ বছরে প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় নীলফামারীর ডিমলা উপজেলায় খরিপ-১ মৌসুমে আউশ ধান ও পাট ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে কৃষকদের মাঝে বীজ ও সার বিতরণ কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে।বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) সকাল ১১টায় উপজেলা কৃষি বিভাগের আয়োজনে এ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনে উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মীর হাসান আল বান্নার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ রওশন কবির, অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম রব্বানী প্রধান, স্থানীয় সংবাদ কর্মী ও উপজেলা কৃষকবৃন্দ। উপজেলা কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার মোট ৩৩০ জন কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ২০০ জন কৃষককে প্রত্যেককে ৫ কেজি করে আউশ ধানের বীজ, ১০কেজি এমওপি ও ১০ কেজি করে ডিএপি সার প্রদান করা হয়। এছাড়া ১৫০ জন কৃষককে ১ কেজি করে পাটের বীজ এবং ১০ কেজি করে সার দেওয়া হয়েছে এর মধ্যে এমওপি ৫ কেজি ও ডিএপি ৫ কেজি।অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, সরকারের এই প্রণোদনা কর্মসূচির মাধ্যমে কৃষকরা আউশ ও পাট চাষে আরও আগ্রহী হবে এবং ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে। তারা কৃষকদের সঠিকভাবে বীজ ও সার ব্যবহার করে অধিক ফলন নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।কৃষকরা এ সহায়তা পেয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং সরকারের এ উদ্যোগকে সময়োপযোগী ও সহায়ক হিসেবে উল্লেখ করেন।

কালীগঞ্জে গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রিতে অনিয়মে জরিমানা

কালীগঞ্জে গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রিতে অনিয়মে জরিমানা

গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে গ্যাস সিলিন্ডারের মূল্য তালিকা প্রদর্শন না করে অতিরিক্ত মূল্যে বিক্রির অভিযোগে এক ব্যবসায়ীকে জরিমানা করা হয়েছে।শুক্রবার (০২ এপ্রিল ২০২৬ খ্রি.) বাশাইর বাজার, জামালপুর এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জনাব জাকিয়া সরওয়ার লিমা।অভিযানে দেখা যায়, স্থানীয় ব্যবসায়ী খোরশেদ আলম, সাং কলাপাড়া, কালীগঞ্জ, গাজীপুর তার দোকানে গ্যাস সিলিন্ডারের নির্ধারিত মূল্য তালিকা প্রদর্শন না করে অতিরিক্ত মূল্যে বিক্রি করছিলেন। এ অপরাধে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ এর ৪৫ ধারায় একটি মামলা দায়ের করে তাকে ২০,০০০ (বিশ হাজার) টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।ভ্রাম্যমাণ আদালতের এ অভিযানে মোট ১টি মামলা দায়ের করা হয় এবং কোনো কারাদণ্ড প্রদান করা হয়নি। অভিযানে প্রসিকিউটর হিসেবে রাষ্ট্রের পক্ষে দায়িত্ব পালন করেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা এবং বেঞ্চ সহকারী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাহবুবুল ইসলাম।উপজেলা প্রশাসন জানায়, জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং ভোক্তা অধিকার নিশ্চিত করতে নিয়মিত বাজার তদারকি করা হবে।

বিমানে একসঙ্গে গেলেও আলাদা বসছেন যুগলরা, কেন বাড়ছে এই ‘সিট ডিভোর্স’ প্রবণতা?

বিমানে পাশাপাশি বসে গল্প করতে করতে ভ্রমণ করাটাই চিরচেনা দৃশ্য। তবে সাম্প্রতিক সময়ে এই নিয়মে বেশ পরিবর্তন এসেছে। অনেক যুগলই এখন বিমানে পাশাপাশি না বসে আলাদা সিট বেছে নিচ্ছেন। আধুনিক সম্পর্কের এই নতুন ধারার নাম দেওয়া হয়েছে ‘সিট ডিভোর্স’।প্রথম শুনলে খটকা লাগলেও, বিশেষজ্ঞরা একে দেখছেন সুস্থ ও আধুনিক সম্পর্কের একটি ইতিবাচক দিক হিসেবে। কিন্তু কেন বাড়ছে এই প্রবণতা? চলুন জেনে নেওয়া যাক মূল কারণগুলো—ব্যক্তিগত স্পেস বা স্বাধীনতার গুরুত্ব : একসঙ্গে থাকা মানেই যে সবসময় গায়ে গা লাগিয়ে বসে থাকতে হবে, বর্তমান প্রজন্ম তা মনে করে না। ভ্রমণের মধ্যেও তারা নিজেদের মতো কিছুটা সময় কাটাতে পছন্দ করছেন।ভ্রমণের ক্লান্তি ও অস্বস্তি এড়ানো : বিমানের সিটগুলো সাধারণত বেশ চাপা হয়।দীর্ঘ যাত্রায় পাশাপাশি বসে থাকার চেয়ে আলাদা বসে নিজের মতো আয়েশ করা অনেকের কাছেই বেশি আরামদায়ক।সোশ্যাল মিডিয়া ও নিজস্ব অভিজ্ঞতা : অনেকেই এখন ভ্রমণের অভিজ্ঞতা নিজস্ব ঢঙে সোশ্যাল মিডিয়ায় তুলে ধরতে চান। আলাদা বসার ফলে প্রত্যেকেই নিজের মতো করে জানালা দিয়ে আকাশ দেখার বা ভ্রমণের মুহূর্ত উপভোগ করার সুযোগ পান।বিমান সংস্থাগুলোর নতুন চ্যালেঞ্জ ও মানসিক প্রশান্তিযাত্রীদের এই নতুন চাহিদার কারণে এয়ারলাইনগুলোকেও তাদের নিয়মে পরিবর্তন আনতে হচ্ছে।এখন অনেক সংস্থাই ‘কো-অফসেট সিটিং’ বা যুগলদের জন্য আলাদা বসার বিশেষ সুবিধা রাখছে।মনোবিজ্ঞানীদের মতে, এই ‘সিট ডিভোর্স’ মোটেও সম্পর্কের দূরত্ব প্রকাশ করে না। বরং একে বলা যায় ‘স্বাধীনতার রক্ষণাবেক্ষণ’। দীর্ঘ ভ্রমণের সময় একটু ব্যক্তিগত সময় বা স্পেস পাওয়া গেলে মানসিক চাপ কমে, যা প্রকারান্তরে সঙ্গীর সঙ্গে সম্পর্ককে আরো গভীর ও বিষাদমুক্ত করে তোলে।সংক্ষেপে বলতে গেলে, ‘সিট ডিভোর্স’ কেবল সাময়িক কোনো ফ্যাশন নয়, বরং এটি যুগলদের পারস্পরিক বোঝাপড়া ও মানসিক স্বাচ্ছন্দ্যের এক নতুন ভারসাম্য।

রাহুলের মৃত্যু : প্রযোজনা সংস্থার বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নিচ্ছেন প্রিয়াঙ্কা

রাহুলের মৃত্যু : প্রযোজনা সংস্থার বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নিচ্ছেন প্রিয়াঙ্কা

কলকাতার জনপ্রিয় অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের আকস্মিক মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমেছে টালিউডে। তবে শোকের আবহ ছাপিয়ে এখন সামনে এসেছে শুটিং নিরাপত্তা ও প্রযোজনা সংস্থার গাফিলতির গুরুতর অভিযোগ।ওড়িশার তালসারিতে লীনা গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ম্যাজিক মোমেন্টসের ‘ভোলে বাবা পার করেগা’ ধারাবাহিকের শুটিং চলাকালীন এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।এ ঘটনায় কঠোর পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছেন রাহুলের স্ত্রী ও অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা সরকার।জানা গেছে, স্বামীর মৃত্যুর সুষ্ঠু তদন্ত চেয়ে তিনি প্রযোজনা সংস্থার বিরুদ্ধে এফআইআর করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।গতকাল প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের বাসভবনে আর্টিস্ট ফোরামের এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে প্রিয়াঙ্কা ছাড়াও ফোরামের শীর্ষ পর্যায়ের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।অভিযোগ উঠেছে, শুরু থেকেই প্রযোজনা সংস্থার বক্তব্যে অসংগতি রয়েছে।এমনকি ড্রোন শটের সময় ঘটে যাওয়া দুর্ঘটনার দায় পুরোপুরি রাহুলের ওপর চাপানোর চেষ্টা করছেন লীনা গঙ্গোপাধ্যায়।এ দিকে তালসারি মেরিন পুলিশের বক্তব্যে ঘটনায় নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, সমুদ্র সৈকতে শুটিংয়ের জন্য কোনো আগাম অনুমতি নেওয়া হয়নি এবং স্থানীয় থানাকেও অবহিত করা হয়নি। এতে প্রশ্ন উঠেছে—পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও লাইফগার্ড ছাড়াই কেন উত্তাল সমুদ্রে শুটিং করা হলো?কলকাতার একাধিক সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, আর্টিস্ট ফোরাম শিগগিরই প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানকে শোকজ নোটিশ পাঠাতে যাচ্ছে।সন্তোষজনক জবাব না পেলে সংস্থাটিকে কালো তালিকাভুক্ত করা হতে পারে। সেক্ষেত্রে ফোরামের কোনো শিল্পী বা সদস্য ওই প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কাজ করবেন না—এমন বয়কট সিদ্ধান্তও আসতে পারে।

বিসিকে স্থায়ী ১২ পদে চাকরি

বিসিকে স্থায়ী ১২ পদে চাকরি

শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশনে (বিসিক) ১২টি শূন্য পদের বিপরীতে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। ১৬ গ্রেডে গাড়িচালক পদে এই নিয়োগ দেওয়া হবে। আবেদনের শেষ তারিখ ১৬ এপ্রিল ২০২৬।চাকরির বিবরণপদের নাম: গাড়িচালকপদসংখ্যা: ১২শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা: কমপক্ষে ৮ম শ্রেণি পাস হতে হবে এবং সেই সঙ্গে হালকা/ভারী যানবাহন চালনার লাইসেন্সসহ ২ বছরের বাস্তব অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। উপযুক্ত যোগ্যতাসম্পন্ন বিভাগীয় প্রার্থীদের বিবেচনা করা যেতে পারে।বেতন স্কেল ও গ্রেড: ৯,৩০০-২২,৪৯০ টাকা (গ্রেড–১৬)বয়স: ১৮–৩২ বছরের মধ্যে হতে হবে।নিয়োগের ধরন: স্থায়ীআবেদনের নিয়মআগ্রহী প্রার্থীরা ওয়েবসাইটে আবেদনপত্র পূরণ করতে পারবেন।আবেদন ফিআবেদনের জন্য ১০০ টাকা, সার্ভিস চার্জ বাবদ ১২ টাকাসহ মোট ১১২ টাকা।আবেদনের সময়সীমাআবেদনপত্র পূরণ ও পরীক্ষার ফি জমাদানের শুরুর তারিখ: ১৭ মার্চ ২০২৬, সকাল ১০টা।আবেদনপত্র পূরণের শেষ তারিখ: ১৬ এপ্রিল ২০২৬, বিকেল ৫টা।

বিসিকে স্থায়ী ১২ পদে চাকরি

বিসিকে স্থায়ী ১২ পদে চাকরি

শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশনে (বিসিক) ১২টি শূন্য পদের বিপরীতে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। ১৬ গ্রেডে গাড়িচালক পদে এই নিয়োগ দেওয়া হবে। আবেদনের শেষ তারিখ ১৬ এপ্রিল ২০২৬।চাকরির বিবরণপদের নাম: গাড়িচালকপদসংখ্যা: ১২শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা: কমপক্ষে ৮ম শ্রেণি পাস হতে হবে এবং সেই সঙ্গে হালকা/ভারী যানবাহন চালনার লাইসেন্সসহ ২ বছরের বাস্তব অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। উপযুক্ত যোগ্যতাসম্পন্ন বিভাগীয় প্রার্থীদের বিবেচনা করা যেতে পারে।বেতন স্কেল ও গ্রেড: ৯,৩০০-২২,৪৯০ টাকা (গ্রেড–১৬)বয়স: ১৮–৩২ বছরের মধ্যে হতে হবে।নিয়োগের ধরন: স্থায়ীআবেদনের নিয়মআগ্রহী প্রার্থীরা ওয়েবসাইটে আবেদনপত্র পূরণ করতে পারবেন।আবেদন ফিআবেদনের জন্য ১০০ টাকা, সার্ভিস চার্জ বাবদ ১২ টাকাসহ মোট ১১২ টাকা।আবেদনের সময়সীমাআবেদনপত্র পূরণ ও পরীক্ষার ফি জমাদানের শুরুর তারিখ: ১৭ মার্চ ২০২৬, সকাল ১০টা।আবেদনপত্র পূরণের শেষ তারিখ: ১৬ এপ্রিল ২০২৬, বিকেল ৫টা।

বিসিকে স্থায়ী ১২ পদে চাকরি

বিসিকে স্থায়ী ১২ পদে চাকরি

শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশনে (বিসিক) ১২টি শূন্য পদের বিপরীতে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। ১৬ গ্রেডে গাড়িচালক পদে এই নিয়োগ দেওয়া হবে। আবেদনের শেষ তারিখ ১৬ এপ্রিল ২০২৬।চাকরির বিবরণপদের নাম: গাড়িচালকপদসংখ্যা: ১২শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা: কমপক্ষে ৮ম শ্রেণি পাস হতে হবে এবং সেই সঙ্গে হালকা/ভারী যানবাহন চালনার লাইসেন্সসহ ২ বছরের বাস্তব অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। উপযুক্ত যোগ্যতাসম্পন্ন বিভাগীয় প্রার্থীদের বিবেচনা করা যেতে পারে।বেতন স্কেল ও গ্রেড: ৯,৩০০-২২,৪৯০ টাকা (গ্রেড–১৬)বয়স: ১৮–৩২ বছরের মধ্যে হতে হবে।নিয়োগের ধরন: স্থায়ীআবেদনের নিয়মআগ্রহী প্রার্থীরা ওয়েবসাইটে আবেদনপত্র পূরণ করতে পারবেন।আবেদন ফিআবেদনের জন্য ১০০ টাকা, সার্ভিস চার্জ বাবদ ১২ টাকাসহ মোট ১১২ টাকা।আবেদনের সময়সীমাআবেদনপত্র পূরণ ও পরীক্ষার ফি জমাদানের শুরুর তারিখ: ১৭ মার্চ ২০২৬, সকাল ১০টা।আবেদনপত্র পূরণের শেষ তারিখ: ১৬ এপ্রিল ২০২৬, বিকেল ৫টা।

স্বাধীনতার ৫৫ বছরেও বহু প্রত্যাশা অপূর্ণ: শফিকুর রহমান

স্বাধীনতার ৫৫ বছরেও বহু প্রত্যাশা অপূর্ণ: শফিকুর রহমান

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, স্বাধীনতার ৫৫ বছর পরও দেশের মানুষের বহু প্রত্যাশা এখনো পূরণ হয়নি।মঙ্গলবার রাতে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এ কথা বলেন। বিবৃতিতে শফিকুর রহমান বলেন, ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ বীর মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিকামী জনতা গণতন্ত্র, আইনের শাসন, ন্যায়বিচার, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে তৎকালীন শাসকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে। মহান মুক্তিযুদ্ধের মূল প্রত্যাশা ছিল সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচার প্রতিষ্ঠা। ক্ষুধা, দারিদ্র্য, বেকারত্ব ও দুঃশাসনমুক্ত একটি রাষ্ট্র গঠনের লক্ষ্যেই সর্বস্তরের মানুষ মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেয়।তিনি বলেন, ‘লাখো শহীদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে দেশ স্বাধীনতা লাভ করে। কিন্তু স্বাধীনতার ৫৫ বছর পর মানুষের প্রত্যাশা ও প্রাপ্তির হিসাব করলে দেখা যায়, বহু প্রত্যাশা এখনো অপূর্ণ রয়ে গেছে।’বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, ২০২৪ সালের জুলাইয়ে ছাত্র-জনতার গণআন্দোলনের মাধ্যমে দীর্ঘ ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান ঘটেছে এবং দেশে একটি ফ্যাসিবাদমুক্ত পরিবেশে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়ে নতুন সরকার গঠিত হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এমন প্রেক্ষাপটে আর কেউ ফ্যাসিবাদী আচরণে ফিরে যাবে না।তিনি বলেন, দেশের মানুষ ভয়ভীতিমুক্তভাবে চলাফেরা ও মতপ্রকাশ করতে চায়। নাগরিকদের জানমাল ও সম্মানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে এবং ঘুস, দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও দখলবাজিমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে হবে। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই যেন শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করতে পারে, সেই প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেন তিনি।ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫’ বাস্তবায়নে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল স্বাক্ষর করেছে এবং গণভোটে প্রায় ৭০ শতাংশ নাগরিক এর পক্ষে মত দিয়েছে। তবে এ সনদ বাস্তবায়নে সরকারের অনীহা দেখা যাচ্ছে বলে তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন।তিনি বলেন, ‘জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে কোনো ধরনের টালবাহানা জনগণ মেনে নেবে না। সরকারকে অবিলম্বে এ সনদ বাস্তবায়নে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে।’স্বাধীনতা দিবসে তিনি বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান এবং ২০২৪ সালের জুলাইয়ের গণআন্দোলনে নিহতদের স্মরণ করেন। আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা এবং শহীদ পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান তিনি।

এক দিনে ৮৭ হাজার লিটার তেল উদ্ধার, ৯ লাখ টাকা জরিমানা

এক দিনে ৮৭ হাজার লিটার তেল উদ্ধার, ৯ লাখ টাকা জরিমানা

জ্বালানি তেলের অবৈধ মজুত উদ্ধারে গতকাল সোমবার সারা দেশে ৩৯১টি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেছে প্রশাসন। এ সময় ৮৭ হাজার ৭০০ লিটার তেল উদ্ধার করা হয়। এসব অভিযানে ১৯১টি মামলা এবং ৯ লাখ ৩৫ হাজার ৭০ টাকা জরিমানা করা হয়।আজ মঙ্গলবার সচিবালয়ে দেশের সার্বিক জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানান জ্বালানি বিভাগের যুগ্ম সচিব মনির হোসেন চৌধুরী।মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এদিন সাতক্ষীরা জেলায় একজনকে দুই মাসের, চাঁদপুর জেলায় একজনকে এক বছর ও গাজীপুর জেলায় একজনকে এক মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।৬৪ জেলায় উদ্ধার হওয়া অবৈধভাবে মজুত ৮৭ হাজার ৭০০ লিটারের মধ্যে ডিজেল ৬৭ হাজার ৪০০ লিটার, অকটেন ৬ হাজার ৪৪৪ লিটার ও পেট্রল ১৩ হাজার ৮৫৬ লিটার।সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ৩ মার্চ থেকে ৩০ মার্চ পর্যন্ত ২ লাখ ৯৬ হাজার ৩০৫ লিটার জ্বালানি তেল উদ্ধার করা হয়েছে। আর সরকারি সংরক্ষণাগারে পেট্রল, অকটেন ও ডিজেল মিলিয়ে বিপণন উপযোগী ১ লাখ ৫০ হাজার লিটার তেলের মজুত রয়েছে।এদিকে তেলের পর্যাপ্ত বরাদ্দ না পেয়ে পাম্পগুলো তেলশূন্য হয়ে পড়ছে বলে অভিযোগ করেছে পেট্রলপাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন। আজ মঙ্গলবার রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে তাদের দাবির সত্যতা পাওয়া গেছে।অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে সরকার ও জনগণের প্রতি কিছু সুপারিশ ও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে, বাস্তবতার নিরিখে সামঞ্জস্যপূর্ণ তেল সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে। পেট্রলপাম্পে ট্যাংকশূন্য অবস্থায় তেল নিতে ক্রেতাদের হুমড়ি খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। পেট্রলপাম্পে তেল বিক্রির সময়সীমা সকাল ৭টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত নির্ধারণ করতে হবে। উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে সব পেট্রলপাম্পে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা জোরদার করতে হবে। ডিপো থেকে ট্যাংক লরির চেম্বারের ধারণক্ষমতা (যেমন ৪৫০০ লিটার) অনুযায়ী তেল সরবরাহ করতে হবে। আর তা না হলে পরিবহন খরচ বেড়ে যাবে।

স্বাধীনতার ৫৫ বছরেও বহু প্রত্যাশা অপূর্ণ: শফিকুর রহমান

স্বাধীনতার ৫৫ বছরেও বহু প্রত্যাশা অপূর্ণ: শফিকুর রহমান

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, স্বাধীনতার ৫৫ বছর পরও দেশের মানুষের বহু প্রত্যাশা এখনো পূরণ হয়নি।মঙ্গলবার রাতে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এ কথা বলেন। বিবৃতিতে শফিকুর রহমান বলেন, ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ বীর মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিকামী জনতা গণতন্ত্র, আইনের শাসন, ন্যায়বিচার, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে তৎকালীন শাসকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে। মহান মুক্তিযুদ্ধের মূল প্রত্যাশা ছিল সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচার প্রতিষ্ঠা। ক্ষুধা, দারিদ্র্য, বেকারত্ব ও দুঃশাসনমুক্ত একটি রাষ্ট্র গঠনের লক্ষ্যেই সর্বস্তরের মানুষ মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেয়।তিনি বলেন, ‘লাখো শহীদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে দেশ স্বাধীনতা লাভ করে। কিন্তু স্বাধীনতার ৫৫ বছর পর মানুষের প্রত্যাশা ও প্রাপ্তির হিসাব করলে দেখা যায়, বহু প্রত্যাশা এখনো অপূর্ণ রয়ে গেছে।’বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, ২০২৪ সালের জুলাইয়ে ছাত্র-জনতার গণআন্দোলনের মাধ্যমে দীর্ঘ ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান ঘটেছে এবং দেশে একটি ফ্যাসিবাদমুক্ত পরিবেশে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়ে নতুন সরকার গঠিত হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এমন প্রেক্ষাপটে আর কেউ ফ্যাসিবাদী আচরণে ফিরে যাবে না।তিনি বলেন, দেশের মানুষ ভয়ভীতিমুক্তভাবে চলাফেরা ও মতপ্রকাশ করতে চায়। নাগরিকদের জানমাল ও সম্মানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে এবং ঘুস, দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও দখলবাজিমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে হবে। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই যেন শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করতে পারে, সেই প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেন তিনি।ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫’ বাস্তবায়নে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল স্বাক্ষর করেছে এবং গণভোটে প্রায় ৭০ শতাংশ নাগরিক এর পক্ষে মত দিয়েছে। তবে এ সনদ বাস্তবায়নে সরকারের অনীহা দেখা যাচ্ছে বলে তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন।তিনি বলেন, ‘জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে কোনো ধরনের টালবাহানা জনগণ মেনে নেবে না। সরকারকে অবিলম্বে এ সনদ বাস্তবায়নে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে।’স্বাধীনতা দিবসে তিনি বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান এবং ২০২৪ সালের জুলাইয়ের গণআন্দোলনে নিহতদের স্মরণ করেন। আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা এবং শহীদ পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান তিনি।

সারা দেশে রাত ৮টার মধ্যে দোকান-শপিংমল বন্ধের সিদ্ধান্ত

দেশের সব দোকান, বাণিজ্য বিতান ও শপিংমল রাত ৮টার মধ্যে বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতি। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনটি এ তথ্য জানিয়েছে।মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধাবস্থায় দেশে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ের প্রচেষ্টায় সরকারকে সহযোগিতা করতে এই বিশেষ সিদ্ধান্তটি নেওয়া হয়েছে।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতি ও ঢাকা মহানগর দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতির স্ট্যান্ডিং কমিটির যৌথ সভায় আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংকটের কারণে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ে সরকারকে সহযোগিতার লক্ষ্যে ঢাকাসহ বাংলাদেশের সব দোকান, বাণিজ্য বিতান এবং শপিংমল রাত ৮টার মধ্যে বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।তবে হোটেল, ফার্মেসি ও জরুরি প্রয়োজনীয় সেবার দোকান, কাঁচাবাজার এর আওতাবহির্ভূত থাকবে বলেও জানানো হয়েছে।

কিসের দেশ, নিজেরটা আগে

প্রবল গণঅভ্যুত্থানের মুখে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর আন্দোলনের নেতাদের ডাকে সাড়া দেন ‘মুরুব্বি’ প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ‘দেশ উদ্ধারের স্বার্থে’র কথা বলে অন্তর্বর্তী সরকারের হাল ধরেন তিনি। সে সময় তাঁকে ঘিরে আশার বীজ বুনেছিল জাতি। অনেকেই বিশ্বাস করেছিলেন-তাঁর ‘জাদুর ছোঁয়ায়’ বিশ্বের দুয়ারে আরো উজ্জ্বল হবে বাংলাদেশের মুখ, বাড়বে মানুষের মর্যাদা, খুলে যাবে দীর্ঘদিনের অবরুদ্ধ সম্ভাবনার দুয়ার।কিন্তু ২০২৪ সালের ৮ আগস্ট দায়িত্ব গ্রহণের পর ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতা হস্তান্তরের আগ পর্যন্ত প্রায় দেড় বছরে জনগণের স্বপ্ন কতটা পূরণ করতে পেরেছেন নোবেলজয়ী? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতেই অনুসন্ধানে নামে কালের কণ্ঠ। অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, দেশের বারোটা বাজলেও কীভাবে নিজের স্বার্থ ষোলআনা হাসিল করেছেন শান্তিতে নোবেলজয়ী। ষোলআনার অন্যতম হলো গ্রামীণ বিশ্ববিদ্যালয়। সদ্যবিদায়ী অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দেড় বছরের মেয়াদে দেশে এই একটিমাত্র বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদন দেওয়া হয়।বিশ্ববিদ্যালয়টি গ্রামীণ ট্রাস্টের একটি উদ্যোগ। আর এই গ্রামীণ ট্রাস্টের প্রতিষ্ঠাতা হলেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস। আগে থেকে ২২টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের আবেদন বছর বছর ধরে ঝুলে থাকলেও গ্রামীণ বিশ্ববিদ্যালয় আবেদন করার ৩ মাসের মধ্যেই পেয়ে যায় অনুমোদন। এই রকেট গতি এখন আর কারো কাছে বিস্ময় নয়; কারণ, ওই সময়ে ড. মুহাম্মদ ইউনূস ছিলেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা।অনুসন্ধানে দেখা গেছে, নিজের ক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে আরো অনেক সুবিধা আদায় করে নিয়েছেন ড. ইউনূস। বিশেষ করে গ্রামীণ ব্যাংককে ৫ বছরের জন্য আয়কর অব্যাহতি দেন, যাতে সরকার অন্তত এক হাজার কোটি টাকা রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হবে। গ্রামীণ কল্যাণ ট্রাস্টের এক হাজার ৪৩ কোটি টাকা ফাঁকির পাশাপাশি ৬৬৬ কোটি টাকা কর মওকূফের মতো ব্যাপক সুবিধাও নিয়েছেন তিনি। শুধু তাই নয়, ক্ষমতার চেয়ারে বসে গুণে গুণে সাতটি মামলা থেকে মুক্তি দিয়েছেন নিজেকে, যার মধ্যে আলোচিত দুর্নীতি মামলাও রয়েছে। এর পাশাপাশি অস্বাভাবিক দ্রুততায় বাগিয়ে নিয়েছেন রিক্রুটিং এজেন্সির লাইসেন্স।সমাধান করে ফেলেছেন ‘সমাধান সার্ভিসেস লিমিটেড’ নামক ই-ওয়ালেটের লাইসেন্স না পাওয়ার জটিলতারও। এর সবই ঘটে তাঁর ক্ষমতা গ্রহণের পর। জানা গেছে, এই প্রতিষ্ঠানগুলো ড. ইউনূসের প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ট্রাষ্টের অধীনে পরিচালিত। আইনগত বাধ্যবাধকতার কারণে প্রধান উপদেষ্টার শপথ গ্রহণের আগে প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে সরে দাঁড়ালেও দায়িত্ব ছাড়ার পর আবার সেসব প্রতিষ্ঠানে সক্রিয় হয়ে ওঠেন তিনি। ফলে ক্ষমতার আলোয় আসার সঙ্গে সঙ্গে এই সুবিধাগুলো নেওয়ার মধ্য দিয়ে কার্যত তিনি ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন বলেই মত দিয়েছেন আইন বিশেষজ্ঞরা। জানতে চাইলে সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনজিল মোরসেদ কালের কণ্ঠকে বলেন, যারা রাষ্ট্র পরিচালনা করবেন, তাদের সঙ্গে যাতে জনগণ, দেশের স্বার্থের সংঘাত না ঘটে সে জন্য শপথ নিতে হয়। শুধু সরকার না, সরকারি অনেক পদে বসার শর্তই থাকে যে, কোনো লাভজনক পদে থাকলে তা ছেড়ে দিতে হবে। মনজিল মোরসেদ আরো বলেন, ‘ড. মুহাম্মদ ইউনূস রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ নির্বাহী পদে ছিলেন। সেখানে বসে তিনি তাঁর স্বার্থে যেসব কর্মকাণ্ড করেছেন, সেগুলো নিয়ে রাজনৈতিকভাবে বেশ সমালোচনা হয়েছে, এখনো হচ্ছে। উনি ব্যক্তিগত স্বার্থে এই পদকে (প্রধান উপদেষ্টা) ব্যবহার করেছেন। শুধু তাই না, কনফ্লিক্ট অব ইন্টারেস্টে তিনি দায়ী হয়ে গেছেন। এর মধ্য দিয়ে প্রধান উপদেষ্টা হিসেবেতিনি শপথ ভঙ্গ করেছেন। আর সবকিছু মিলে তিনি জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করেছেন।’পাঁচ কোটির আইনে দেড় কোটির বৃদ্ধাঙ্গুলি : গ্রামীণ ট্রাস্টের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত ‘গ্রামীণ বিশ্ববিদ্যালয়’ মাত্র তিন মাসের মধ্যে অনুমোদন পায়—যেখানে দেশে আগে থেকেই আবেদন করা অন্তত ২২টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় বছরের পর বছর ধরে অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। এই দ্রুত অনুমোদন নিয়ে শুরু থেকেই প্রশ্ন উঠেছে। অনুসন্ধানে দেখা যায়, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০১০ অনুযায়ী ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকায় বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের জন্য কমপক্ষে ৫ কোটি টাকা সংরক্ষিত তহবিল থাকার কথা। কিন্তু গ্রামীণ বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদনপত্রে দেড় কোটি টাকার শর্ত উল্লেখ করা হয়েছে, যা আইনের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ বলে অভিযোগ উঠেছে।এ বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও ইউজিসির বর্তমান ও সাবেক কর্মকর্তাদের কেউই স্পষ্ট ব্যাখ্যা দিতে পারেননি—কেউ দায়িত্বে না থাকার কথা বলেছেন, আবার কেউ বিষয়টি মনে নেই বলে এড়িয়ে গেছেন। অন্যদিকে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে, তারা সরকারি নির্দেশনা মেনেই প্রয়োজনীয় অর্থ জমা দিয়েছে এবং এটি একটি সামাজিক উদ্যোগ, লাভের উদ্দেশ্যে নয়।সাধারণত দীর্ঘ ও জটিল প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় অনুমোদন দেওয়া হলেও এ ক্ষেত্রে অস্বাভাবিক দ্রুততা, আইনি শর্তে বিভ্রান্তি এবং অন্যান্য আবেদন ঝুলে থাকার প্রেক্ষাপটে পুরো প্রক্রিয়া নিয়ে স্বচ্ছতা ও ন্যায্যতা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।এ বিষয়ে কালের কণ্ঠের বিশেষ প্রতিনিধি শরীফুল আলম সুমনের করা অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে বিস্তারিত পড়ুন। ক্ষমতার গরমে রাজস্ব উধাও :২০২৪ সালের ১০ অক্টোবর জারি করা গেজেট অনুযায়ী গ্রামীণ ব্যাংককে ২০২৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ৫ বছরের জন্য আয়কর অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। ফলে এই সময়ে প্রতিষ্ঠানটির সব ধরনের আয় করমুক্ত থাকবে। পূর্ববর্তী কর তথ্য অনুযায়ী, বছরে গড়ে প্রায় ২০০ কোটি টাকা কর দিত গ্রামীণ ব্যাংক। সেই হিসাবে আগামী পাঁচ বছরে সরকারের রাজস্ব ক্ষতি অন্তত ১ হাজার কোটি টাকার বেশি হতে পারে—যা বড় রাজস্ব ঘাটতির সময়ে বিতর্ক সৃষ্টি করেছে।বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কর-জিডিপি অনুপাত কম থাকা অবস্থায় এমন অব্যাহতি পুনর্বিবেচনা প্রয়োজন। এছাড়া আইএমএফের শর্ত ছিল কর অব্যাহতি কমানো, কিন্তু বাস্তবে নতুন করে সুবিধা দেওয়া হয়েছে। পরে আইন পরিবর্তন করে বলা হয়, ভবিষ্যতে কর অব্যাহতির জন্য সংসদের অনুমোদন লাগবে—তবে গ্রামীণ ব্যাংক এই সুবিধা পেয়েছে তার আগেই।অন্যদিকে, গ্রামীণ ডিস্ট্রিবিউশন ভ্যাট সুবিধা পেলেও শর্ত অনুযায়ী উৎপাদন না করে আমদানিনির্ভর থেকেছে—এ নিয়ে তদন্তে অসঙ্গতি ধরা পড়লেও কার্যকর ব্যবস্থা দেখা যায়নি।এছাড়া গ্রামীণ কল্যাণ ট্রাস্টের বিরুদ্ধে প্রায় ১,০৪৩ কোটি টাকার কর ফাঁকির অভিযোগ রয়েছে, যা নিয়ে মামলা এখনও চলমান। একই সঙ্গে ঋণের সুদকে লভ্যাংশ হিসেবে দেখিয়ে কম কর দেওয়ার ঘটনায় ৬৬৬ কোটি টাকার কর নির্ধারণ হলেও পরবর্তীতে আদালতের রায়ে তা বাতিল হয়ে যায়।সব মিলিয়ে কর অব্যাহতি, শর্ত লঙ্ঘন ও কর সংক্রান্ত বিরোধকে ঘিরে গ্রামীণ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো নিয়ে আর্থিক স্বচ্ছতা ও ন্যায়সংগত সুবিধা প্রদান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এ বিষয়ে মো. জাহিদুল আলমের করা বিস্তারিত প্রতিবেদন।সাত মামলা নিষ্পত্তিসহ আরো সুবিধা আদায় :অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো বিভিন্ন সুবিধা পেয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে থাকা অন্তত ৭টি মামলা থেকে অব্যাহতি, ই-ওয়ালেট লাইসেন্স অনুমোদন এবং জনশক্তি রপ্তানির লাইসেন্স প্রাপ্তি—যেগুলো অস্বাভাবিক দ্রুততায় সম্পন্ন হয়েছে বলে অভিযোগ।গ্রামীণ এমপ্লয়মেন্ট সার্ভিসেস লিমিটেড ১৬ বছর ঝুলে থাকার পর ২০২৫ সালে জনশক্তি রপ্তানির লাইসেন্স ও বায়রার সদস্যপদ পায়। একইভাবে, দীর্ঘদিন আটকে থাকা ‘সমাধান সার্ভিসেস লিমিটেড’ মাত্র কয়েক মাসের মধ্যে ই-ওয়ালেট লাইসেন্স পায়। এসব প্রতিষ্ঠান গ্রামীণ ট্রাস্টের সঙ্গে সম্পৃক্ত।অন্যদিকে, ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে শ্রম আইন ও দুর্নীতিসহ বিভিন্ন অভিযোগে দায়ের করা মামলাগুলো রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর দ্রুত নিষ্পত্তি বা প্রত্যাহার হয়ে যায়। এর মধ্যে শ্রম আইন লঙ্ঘনের মামলায় সাজা বাতিল এবং দুদকের অর্থ আত্মসাতের মামলা প্রত্যাহার উল্লেখযোগ্য।আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, রাষ্ট্রীয় দায়িত্বে থেকে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সুবিধা আদায় করা স্বার্থের সংঘাত তৈরি করে এবং এটি শপথের পরিপন্থী হতে পারে। যদিও সংশ্লিষ্টরা দাবি করেছেন, সব প্রক্রিয়া আইন মেনেই সম্পন্ন হয়েছে।\সব মিলিয়ে, ক্ষমতায় থাকার সময় দ্রুত লাইসেন্স অনুমোদন, মামলা নিষ্পত্তি এবং নীতিগত সুবিধা প্রাপ্তির ঘটনায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও ন্যায্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এ বিষয়ে আমাদের আরেকটি প্রতিবেদনে বিস্তারিত তথ্য রয়েছে।অন্তর্বর্তী আমলে দেশে শনির দশা :অন্তর্বর্তী সরকারের প্রায় ১৮ মাসে দেশে আইনশৃঙ্খলা, অর্থনীতি, বিনিয়োগ ও জনজীবনে বড় ধরনের অবনতি ঘটে। লেখকের ভাষ্য অনুযায়ী, এ সময়ে মব সন্ত্রাস, রাজনৈতিক সহিংসতা, হত্যা, নির্যাতন, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাট বেড়ে যায়; একই সঙ্গে সাংবাদিক নির্যাতনের ঘটনাও উদ্বেগজনক মাত্রায় পৌঁছায়। খেলাপি ঋণ, বৈদেশিক ঋণ, সুদের হার ও বিনিয়োগ-স্থবিরতা বেড়েছে। বহু কারখানা বন্ধ হয়ে শ্রমিক চাকরি হারিয়েছেন, ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আস্থাহীনতা তৈরি হয়েছে, আর উচ্চ মূল্যস্ফীতি সাধারণ মানুষের জীবনকে আরও কঠিন করেছে। বড় উন্নয়ন প্রকল্পগুলো থমকে যায়, বিদেশি চুক্তিগুলো বিতর্ক তৈরি করে এবং রোহিঙ্গা ইস্যুতেও কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি হয়নি। সব মিলিয়ে লেখাটির বক্তব্য হলো, অন্তর্বর্তী সময়টি দেশে স্থিতিশীলতা, অর্থনৈতিক গতি ও জননিরাপত্তা—সব ক্ষেত্রেই নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। এ বিষয়ে বিস্তারিত পড়ুন আরেকটি বিশেষ প্রতিবেদনে।সবগুলো কাজ বেআইনি :সুপ্রিম কোর্টের দুজর জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে স্বার্থের সংঘাত ও সংবিধান লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে মতামত দিয়েছেন। তাঁদের মতে, রাষ্ট্রীয় পদে থেকে কোনো ব্যক্তি নিজের বা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের জন্য সুবিধা নেওয়া শপথের পরিপন্থী এবং ক্ষমতার অপব্যবহার। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মনজিল মোরসেদ বলেন, প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে ব্যক্তিগত স্বার্থ সংশ্লিষ্ট সিদ্ধান্ত নেওয়া “কনফ্লিক্ট অব ইন্টারেস্ট” তৈরি করে এবং তা শপথ ভঙ্গের শামিল। তিনি এসব কার্যক্রমকে বেআইনি দাবি করে সেগুলো বাতিল এবং প্রয়োজন হলে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান। অন্যদিকে, আইনজীবী ড. শাহদীন মালিক বলেন, সংবিধানের ১৪৭ ধারা অনুযায়ী সাংবিধানিক পদে থেকে লাভজনক কর্মকাণ্ডে যুক্ত হওয়া নিষিদ্ধ। তাঁর মতে, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো সুবিধা পাওয়ার ঘটনায় সেই বিধান লঙ্ঘনের প্রশ্ন উঠেছে। সব মিলিয়ে, আইন বিশেষজ্ঞদের মতে এসব কর্মকাণ্ডে নৈতিকতা, জবাবদিহি ও সাংবিধানিক সীমা লঙ্ঘনের অভিযোগ রয়েছে।দুজন আইনজীবীর অভিমত নিয়ে বিস্তারিত পড়ুন আলাদা প্রতিবেদনে।

জ্বালানি তেল পাচার ও অবৈধ মজুতকারীদের তথ্য দিলে ১ লাখ টাকা পুরস্কার

দেশে জ্বালানি তেলের বাজারে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। অবৈধ মজুত ও পাচার রোধে সঠিক তথ্য সরবরাহকারীদের জন্য সর্বোচ্চ ১ লাখ টাকা পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছে।আজ সোমবার জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা আনতে এবং মাঠপর্যায়ে কার্যকর নজরদারি জোরদার করতে জনসম্পৃক্ততার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার। এর অংশ হিসেবেই তথ্যদাতাদের আর্থিক প্রণোদনা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, কোনো ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা সংস্থা যদি জ্বালানি তেল অবৈধভাবে মজুত কিংবা পাচারের নির্ভরযোগ্য তথ্য স্থানীয় প্রশাসনের কাছে তুলে দেয়, তবে যাচাই শেষে তথ্যদাতাকে সর্বোচ্চ এক লাখ টাকা পুরস্কার দেওয়া হবে। একই সঙ্গে তথ্যদাতার পরিচয় সম্পূর্ণ গোপন রাখার বিষয়টিও নিশ্চিত করা হবে।সরকারি পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, সাম্প্রতিক সময়ে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দামের ঊর্ধ্বগতি এবং সরবরাহ অনিশ্চয়তার সুযোগ নিয়ে একটি অসাধু চক্র কৃত্রিম সংকট তৈরি করার চেষ্টা করছে। তারা সরকার নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি না করে তেল গোপনে মজুত রেখে বেশি দামে বাজারজাত করছে বলে অভিযোগ রয়েছে।এ পরিস্থিতিতে উচ্চ মূল্যে আমদানি করা জ্বালানির সুষ্ঠু ব্যবহার নিশ্চিত করতে কঠোর অবস্থান নিয়েছে সরকার। ইতিমধ্যে বিভিন্ন জেলায় অভিযান চালিয়ে একাধিক মজুত ও পাচারচক্রের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তবে এসব কার্যক্রম আরও কার্যকর করতে সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণকে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে সংশ্লিষ্টরা।পুরস্কারের বিষয়ে মূল বিষয়গুলো হলো: তথ্য দাতা সহায়তাকারীকে সর্বোচ্চ এক লাখ টাকা পর্যন্ত আর্থিক সম্মানী দেওয়া হবে; তথ্য প্রদানকারী ব্যক্তির যাবতীয় পরিচয় সম্পূর্ণ গোপন রাখা হবে যাতে তাদের নিরাপত্তা বিঘ্নিত না হয়; সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক (ডিসি) তথ্য প্রদানকারীর পুরস্কারের অর্থ প্রাপ্তি নিশ্চিত করবেন; এই আর্থিক সম্মানী দেশের সকল ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা সংস্থার জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়েছে।বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, পুরস্কারের অর্থ প্রদান প্রক্রিয়াসংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে সম্পন্ন হবে। ফলে তথ্য যাচাই ও প্রশাসনিক অনুমোদনের পর দ্রুত অর্থপ্রাপ্তির সুযোগ থাকবে।এদিকে, জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) এবং জ্বালানি বিভাগ সমন্বিতভাবে কাজ করছে। প্রতিদিন তেল সরবরাহ ও মজুত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে সংশ্লিষ্ট রাষ্ট্রায়ত্ত বিপণন সংস্থাগুলোর সঙ্গে নিয়মিত বৈঠক করা হচ্ছে। জেলা প্রশাসনকেও এ প্রক্রিয়ায় যুক্ত করা হয়েছে, যাতে মাঠপর্যায়ের কোনো ঘাটতি দ্রুত শনাক্ত করা যায়।সরকার একই সঙ্গে ভোক্তাপর্যায়ে সচেতনতা বাড়াতেও নানা উদ্যোগ নিয়েছে। কিউআর কোড, ব্যানার, লিফলেট বিতরণ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও উপাসনালয়ভিত্তিক প্রচারের মাধ্যমে জ্বালানি সাশ্রয় ও অপব্যবহার রোধে বার্তা পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।