আত্রাই বার্তা
স্বামী ছাত্রদলে পদ পাওয়ায় খুশিতে ফেসবুকে স্ত্রীর পোস্ট
নরসিংদী জেলা ছাত্রদলের নবঘোষিত পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে ২ নম্বর সহসভাপতি পদে স্বামীর নাম অন্তর্ভুক্ত হওয়ার পর আনন্দে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আবেগঘন পোস্ট দিয়েছেন তার স্ত্রী। এ পোস্টটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে শুরু হয় ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা। ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে কমিটি গঠন নিয়েও নানা বিতর্ক ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।গত ১ মে কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন নাছির স্বাক্ষরিত নরসিংদী জেলা ছাত্রদলের পূর্ণাঙ্গ কমিটি প্রকাশ করা হয়। ওই তালিকায় ২ নম্বর সহ-সভাপতি হিসেবে সজীব পাল জুম্মনের নাম রয়েছে। কমিটি ঘোষণার পর তার স্ত্রী স্বামী-স্ত্রীর একটি ছবি ও কমিটির তালিকা যুক্ত করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আবেগঘন পোস্ট দেন।সেখানে তিনি লেখেন, প্রাণঢালা অভিনন্দন জামাই। নরসিংদী জেলা ছাত্রদলের ২নং সহ-সভাপতি।স্ত্রীর এই পোস্টটি দ্রুত ভাইরাল হয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে নানা মন্তব্যের সৃষ্টি হয়। অনেকে টিপ্পনী কেটে বলছেন, ছাত্রদলের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী বিবাহিতদের স্থান পাওয়ার সুযোগ না থাকলেও এই কমিটি তা লঙ্ঘন করেছে। এ পোস্টের সূত্র ধরে কমিটিতে স্থান না পাওয়া ত্যাগী ও পদবঞ্চিত নেতাকর্মীরা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তাদের দাবি, এ পোস্টই প্রমাণ করে যে ঘোষিত কমিটিতে রাজপথের ত্যাগীদের মূল্যায়ন করা হয়নি। ত্যাগীদের বাদ দিয়ে বিবাহিত এবং এমনকি দীর্ঘদিন ধরে প্রবাসে অবস্থান করছেন এমন ১৫-২০ জন প্রবাসীকেও এই কমিটিতে পদ দেওয়া হয়েছে।নরসিংদী জেলা ছাত্রদলের সাবেক সদস্য সচিব মাঈনউদ্দিন ভূঁইয়া বলেন, আমাদের নেতা তারেক রহমান ঘোষণা দিয়েছিলেন- বিগত আন্দোলনে মিছিলে সবার পেছনে থাকা কর্মীটিও মূল্যায়িত হবে। কিন্তু এই কমিটিতে রাজপথের অগ্রভাগে থাকা লড়াকু নেতাকর্মীদের অবমূল্যায়ন করা হয়েছে। ত্যাগী ও নির্যাতিতদের বাদ দিয়ে প্রবাসে থাকা ব্যক্তিদের নাম তালিকায় স্থান পাওয়া অত্যন্ত দুঃখজনক।
নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস প্রতিযোগিতা শেষে ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত কালীগঞ্জের বালিকা ফুটবল দল
শ্বাসনালির দীর্ঘমেয়াদি প্রদাহজনিত রোগ অ্যাজমা বা হাঁপানি। দিন দিন বাড়ছে এই রোগটির ব্যাপকতা। শিশুসহ যেকোনো বয়সি নারী-পুরুষ এতে আক্রান্ত হতে পারেন। তবে অ্যাজমা সারা জীবনের রোগ হলেও সঠিক ও নিয়মিত চিকিৎসায় নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। আর এর মূল চিকিৎসা ইনহেলার ব্যবহার করা।বিশ্ব অ্যাজমা দিবস-২০২৬ উপলক্ষে রোববার এভারকেয়ার হাসপাতাল, ঢাকার রেসপিরেটরি মেডিসিন বিভাগ আয়োজিত বৈজ্ঞানিক সেমিনারে বক্তারা এসব কথা বলেন। এবার বিশ্ব অ্যাজমা দিবসের প্রতিপাদ্য— 'অ্যাজমা আক্রান্ত প্রত্যেক রোগীর জন্য ইনহেলার নিশ্চিত করা জরুরী'।হাসপাতালের অডিটোরিয়ামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ মেডিকেল রিসার্চ কাউন্সিলের (বিএমআরসি) পরিচালক ডা. কাজী সাইফুদ্দীন বেননূর। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন এভারকেয়ার হসপিটালের গ্রুপ মেডিকেল ডিরেক্টর ডা. আরিফ মাহমুদ। বৈজ্ঞানিক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন এভারকেয়ার হসপিটাল ঢাকার রেসপিরেটরি মেডিসিন বিভাগের সিনিয়র কনসালট্যান্ট ও কো-অর্ডিনেটর ডা. এস এম আবদুল্লাহ আল মামুন ও এআইসিইউ ও এইচডিইউ বিভাগের সিনিয়র কনসালটেন্ট ডা. জাফর ইকবাল। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রেসপিরেটরি মেডিসিন বিভাগের সিনিয়র কনসালটেন্ট ডা. জিয়াউল হক। অনুষ্ঠানটি আয়োজনে সার্বিক সহযোগিতা করে অ্যারিস্টোফার্মা। এর আগে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি, অক্সিজেন থেরাপি ও ইনহেলেশনাল টেকনিক বিষয়ক কর্মশালা ও সার্টিফিকেট প্রদান অনুষ্ঠিত হয়।মূল প্রবন্ধে ডা. আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন ও বায়ুদূষণ বিশ্বব্যাপী অ্যাজমা রোগীর সংখ্যা ও তীব্রতা বৃদ্ধির অন্যতম প্রধান কারণ হয়ে উঠেছে। বায়ুতে ক্ষতিকর কণিকা, ধূলা, ধোঁয়া ও রাসায়নিক দূষণের মাত্রা বাড়ার ফলে শিশু ও বয়স্কদের মধ্যে শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা বেড়ে যাচ্ছে।তিনি বলেন, এ পরিস্থিতি মোকাবেলায় বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণ, সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সবার জন্য সহজলভ্য ও কার্যকর উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি।ডা. সাইফুদ্দীন বেননূর বলেন, প্রতি তিন সেকেন্ডে আমরা সহজেই নিঃশ্বাস গ্রহণ করি এবং শ্বাস ছাড়ি। কিন্তু একজন অ্যাজমা আক্রান্ত রোগী সহজে এটা পারেন না। তাদের জন্য তা ভয়াবহ কষ্টকর পরিস্থিতি।ডা. আরিফ মাহমুদ বলেন, অ্যাজমা একটি নিয়ন্ত্রণযোগ্য দীর্ঘমেয়াদি রোগ হলেও অনেক রোগী এখনো ঝুঁকির মধ্যে রয়েছেন। তাই, সব অ্যাজমা রোগীর জন্য ইনহেলার নিশ্চিত করা জরুরি।
বিজয়ের বাড়িতে চলছে উদযাপন, অপেক্ষা চূড়ান্ত ফলের
শ্বাসনালির দীর্ঘমেয়াদি প্রদাহজনিত রোগ অ্যাজমা বা হাঁপানি। দিন দিন বাড়ছে এই রোগটির ব্যাপকতা। শিশুসহ যেকোনো বয়সি নারী-পুরুষ এতে আক্রান্ত হতে পারেন। তবে অ্যাজমা সারা জীবনের রোগ হলেও সঠিক ও নিয়মিত চিকিৎসায় নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। আর এর মূল চিকিৎসা ইনহেলার ব্যবহার করা।বিশ্ব অ্যাজমা দিবস-২০২৬ উপলক্ষে রোববার এভারকেয়ার হাসপাতাল, ঢাকার রেসপিরেটরি মেডিসিন বিভাগ আয়োজিত বৈজ্ঞানিক সেমিনারে বক্তারা এসব কথা বলেন। এবার বিশ্ব অ্যাজমা দিবসের প্রতিপাদ্য— 'অ্যাজমা আক্রান্ত প্রত্যেক রোগীর জন্য ইনহেলার নিশ্চিত করা জরুরী'।হাসপাতালের অডিটোরিয়ামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ মেডিকেল রিসার্চ কাউন্সিলের (বিএমআরসি) পরিচালক ডা. কাজী সাইফুদ্দীন বেননূর। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন এভারকেয়ার হসপিটালের গ্রুপ মেডিকেল ডিরেক্টর ডা. আরিফ মাহমুদ। বৈজ্ঞানিক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন এভারকেয়ার হসপিটাল ঢাকার রেসপিরেটরি মেডিসিন বিভাগের সিনিয়র কনসালট্যান্ট ও কো-অর্ডিনেটর ডা. এস এম আবদুল্লাহ আল মামুন ও এআইসিইউ ও এইচডিইউ বিভাগের সিনিয়র কনসালটেন্ট ডা. জাফর ইকবাল। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রেসপিরেটরি মেডিসিন বিভাগের সিনিয়র কনসালটেন্ট ডা. জিয়াউল হক। অনুষ্ঠানটি আয়োজনে সার্বিক সহযোগিতা করে অ্যারিস্টোফার্মা। এর আগে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি, অক্সিজেন থেরাপি ও ইনহেলেশনাল টেকনিক বিষয়ক কর্মশালা ও সার্টিফিকেট প্রদান অনুষ্ঠিত হয়।মূল প্রবন্ধে ডা. আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন ও বায়ুদূষণ বিশ্বব্যাপী অ্যাজমা রোগীর সংখ্যা ও তীব্রতা বৃদ্ধির অন্যতম প্রধান কারণ হয়ে উঠেছে। বায়ুতে ক্ষতিকর কণিকা, ধূলা, ধোঁয়া ও রাসায়নিক দূষণের মাত্রা বাড়ার ফলে শিশু ও বয়স্কদের মধ্যে শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা বেড়ে যাচ্ছে।তিনি বলেন, এ পরিস্থিতি মোকাবেলায় বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণ, সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সবার জন্য সহজলভ্য ও কার্যকর উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি।ডা. সাইফুদ্দীন বেননূর বলেন, প্রতি তিন সেকেন্ডে আমরা সহজেই নিঃশ্বাস গ্রহণ করি এবং শ্বাস ছাড়ি। কিন্তু একজন অ্যাজমা আক্রান্ত রোগী সহজে এটা পারেন না। তাদের জন্য তা ভয়াবহ কষ্টকর পরিস্থিতি।ডা. আরিফ মাহমুদ বলেন, অ্যাজমা একটি নিয়ন্ত্রণযোগ্য দীর্ঘমেয়াদি রোগ হলেও অনেক রোগী এখনো ঝুঁকির মধ্যে রয়েছেন। তাই, সব অ্যাজমা রোগীর জন্য ইনহেলার নিশ্চিত করা জরুরি।
ঢাকায় এই নতুন অ্যাপে আসন ভাগাভাগি করা যাবে অন্য যাত্রীর সঙ্গেও, কমবে খরচ
শ্বাসনালির দীর্ঘমেয়াদি প্রদাহজনিত রোগ অ্যাজমা বা হাঁপানি। দিন দিন বাড়ছে এই রোগটির ব্যাপকতা। শিশুসহ যেকোনো বয়সি নারী-পুরুষ এতে আক্রান্ত হতে পারেন। তবে অ্যাজমা সারা জীবনের রোগ হলেও সঠিক ও নিয়মিত চিকিৎসায় নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। আর এর মূল চিকিৎসা ইনহেলার ব্যবহার করা।বিশ্ব অ্যাজমা দিবস-২০২৬ উপলক্ষে রোববার এভারকেয়ার হাসপাতাল, ঢাকার রেসপিরেটরি মেডিসিন বিভাগ আয়োজিত বৈজ্ঞানিক সেমিনারে বক্তারা এসব কথা বলেন। এবার বিশ্ব অ্যাজমা দিবসের প্রতিপাদ্য— 'অ্যাজমা আক্রান্ত প্রত্যেক রোগীর জন্য ইনহেলার নিশ্চিত করা জরুরী'।হাসপাতালের অডিটোরিয়ামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ মেডিকেল রিসার্চ কাউন্সিলের (বিএমআরসি) পরিচালক ডা. কাজী সাইফুদ্দীন বেননূর। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন এভারকেয়ার হসপিটালের গ্রুপ মেডিকেল ডিরেক্টর ডা. আরিফ মাহমুদ। বৈজ্ঞানিক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন এভারকেয়ার হসপিটাল ঢাকার রেসপিরেটরি মেডিসিন বিভাগের সিনিয়র কনসালট্যান্ট ও কো-অর্ডিনেটর ডা. এস এম আবদুল্লাহ আল মামুন ও এআইসিইউ ও এইচডিইউ বিভাগের সিনিয়র কনসালটেন্ট ডা. জাফর ইকবাল। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রেসপিরেটরি মেডিসিন বিভাগের সিনিয়র কনসালটেন্ট ডা. জিয়াউল হক। অনুষ্ঠানটি আয়োজনে সার্বিক সহযোগিতা করে অ্যারিস্টোফার্মা। এর আগে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি, অক্সিজেন থেরাপি ও ইনহেলেশনাল টেকনিক বিষয়ক কর্মশালা ও সার্টিফিকেট প্রদান অনুষ্ঠিত হয়।মূল প্রবন্ধে ডা. আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন ও বায়ুদূষণ বিশ্বব্যাপী অ্যাজমা রোগীর সংখ্যা ও তীব্রতা বৃদ্ধির অন্যতম প্রধান কারণ হয়ে উঠেছে। বায়ুতে ক্ষতিকর কণিকা, ধূলা, ধোঁয়া ও রাসায়নিক দূষণের মাত্রা বাড়ার ফলে শিশু ও বয়স্কদের মধ্যে শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা বেড়ে যাচ্ছে।তিনি বলেন, এ পরিস্থিতি মোকাবেলায় বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণ, সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সবার জন্য সহজলভ্য ও কার্যকর উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি।ডা. সাইফুদ্দীন বেননূর বলেন, প্রতি তিন সেকেন্ডে আমরা সহজেই নিঃশ্বাস গ্রহণ করি এবং শ্বাস ছাড়ি। কিন্তু একজন অ্যাজমা আক্রান্ত রোগী সহজে এটা পারেন না। তাদের জন্য তা ভয়াবহ কষ্টকর পরিস্থিতি।ডা. আরিফ মাহমুদ বলেন, অ্যাজমা একটি নিয়ন্ত্রণযোগ্য দীর্ঘমেয়াদি রোগ হলেও অনেক রোগী এখনো ঝুঁকির মধ্যে রয়েছেন। তাই, সব অ্যাজমা রোগীর জন্য ইনহেলার নিশ্চিত করা জরুরি।
সবাইকে কাঁদিয়ে না ফেরার দেশে চলে গেলেন মাওলানা আবদুল খালেক জানাজায় শোকার্ত মানুষের ঢল
অফিস সময়ে তালাবদ্ধ ইউনিয়ন পরিষদ,উড়ছে জাতীয় পতাকা—নেই কর্মকর্তা-কর্মচারী
মানবিকতায় এগিয়ে ‘গো ফ্যাভলো ফাউন্ডেশন'
নীলফামারী জেলার ৪ জন এমপির সংবর্ধনা ঈদ উৎসব ও মনোজ্ঞ সংস্কৃতিক অনুষ্ঠান
ডিমলায় কৃষি বিভাগের উদ্যোগে চরাঞ্চলের কৃষকদের মাঝে এলএলপি সেট ও পাইপ বিতরণ
গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে জামায়াতের এমপি ডিমলায় লিফলেট বিতরণ করেন
খানসামায় রক্তরেখা ব্লাড ব্যাংকের উদ্যোগে ২৩৯ কপি কুরআন মাজিদ বিতরণ কর্মসূচী ২০২৫ অনুষ্ঠিত ।
ডিমলা প্রশাসনের উদ্যোগে ফুয়েল কার্ড বিতরণ শুরু
সৈয়দপুরে বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
ঈদের আনন্দের ভিড়ে এক পরিবারের নীরব কান্না: রাতের আঁধারে চুরি গেল জীবিকার একমাত্র ভ্যান
দেশের ক্রীড়াঙ্গনকে উন্নত করতে স্পোর্টস ডিপ্লোমেসি করবেন জাইমা রহমান
যুক্তরাষ্ট্রের পাসপোর্ট-ভিসা বানিয়ে ধরা, কারাগারে দম্পতি
স্বামী ছাত্রদলে পদ পাওয়ায় খুশিতে ফেসবুকে স্ত্রীর পোস্ট
প্রথম নির্বাচনেই বাজিমাত, সরকার গঠন করতে পারবেন বিজয়?
ফেসবুক পোস্টে যে অভিযোগ জানালেন আমির হামজা
নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস প্রতিযোগিতা শেষে ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত কালীগঞ্জের বালিকা ফুটবল দল
বিজয়ের বাড়িতে চলছে উদযাপন, অপেক্ষা চূড়ান্ত ফলের
ঢাকায় এই নতুন অ্যাপে আসন ভাগাভাগি করা যাবে অন্য যাত্রীর সঙ্গেও, কমবে খরচ
কালীগঞ্জে মাদকসহ দুইজন গ্রেফতার, পলাতক একজন
ছায়াসঙ্গী সুশীল কুমারের প্রয়াণে কান্নায় ভেঙে পড়লেন সালমান
প্রথম নির্বাচনেই বাজিমাত, সরকার গঠন করতে পারবেন বিজয়?
জীবনের প্রথম নির্বাচনেই বাজিমাত করেছেন দক্ষিণী সুপারস্টার ববিজয় থালাপতি। তার দল তামিলাগা ভেট্টি কাজাগাম (টিভিকে) একক বৃহত্তম দল হিসেবে উঠে এলেও সরকার গঠনের জন্য এখনও প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা থেকে কিছুটা দূরে। ফলে এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন সংখ্যার সমীকরণ মিলিয়ে কি সরকার গঠন করতে পারবেন বিজয়?ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি বলছে, ২৩৪ সদস্যের তামিলনাড়ু বিধানসভায় ১০৭টি আসন নিয়ে অভিনেতা-থেকে-রাজনীতিবিদ সি জোসেফ বিজয় এবং তার দল তামিলাগা ভেট্টি কাজাগাম (টিভিকে) সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যা থেকে ১১টি আসন পিছিয়ে রয়েছে। এখন মূল প্রশ্ন হলো এই ঘাটতি পূরণে প্রয়োজনীয় সমর্থন কোথা থেকে আসবে। একক বৃহত্তম দল হিসেবে টিভিকেকে সরকার গঠনের জন্য গভর্নর আমন্ত্রণ জানাতে পারেন, এমনকি শুরুতে সংখ্যালঘু সরকার হিসেবেও। দলটির ভেতরের নেতারা অবশ্য আশাবাদী যে তারা বাইরের সমর্থন পাবে। তাদের মতে, বর্তমানে দ্রাবিড় মুনেত্র কাজাগাম (ডিএমকে)-র সঙ্গে থাকা কয়েকটি দল থেকে সমর্থন মিলতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে কংগ্রেস, যারা পাঁচটি আসন পেয়েছে এবং কমিউনিস্ট পার্টি অব ইন্ডিয়া (সিপিআই), কমিউনিস্ট পার্টি অব ইন্ডিয়া (মার্কসবাদী) (সিপিআইএম) ও বিদুথালাই চিরুথাইগাল কাচ্চি (ভিসিকে); প্রতিটি দল দুটি করে আসন পেয়েছে।ভারতের একজন জ্যেষ্ঠ নেতা ২০০৬ সালের উদাহরণ টেনে বলেন, সে সময় সংখ্যালঘু ডিএমকে সরকার বাইরের সমর্থন নিয়েই টিকে ছিল। এমন পরিস্থিতি ডিএমকে জোটের ভেতরে নতুন সমীকরণ তৈরি করতে পারে। বিশেষ করে কংগ্রেস নির্বাচন-পূর্ব সময়ে টিভিকের সঙ্গে জোটের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখেছিল এবং সেই প্রেক্ষাপটে ডিএমকের কাছ থেকে বেশি আসন আদায় করেছিল যা জোটের ভেতরের টানাপোড়েনের ইঙ্গিত দেয়।টিভিকের জন্য আরেকটি সম্ভাবনা হতে পারে পাট্টালি মাক্কাল কাচ্চি (পিএমকে)-র সমর্থন, যাদের হাতে রয়েছে পাঁচটি আসন। তবে অল ইন্ডিয়া আন্না দ্রাবিড় মুনেত্র কাজাগাম (এআইএডিএমকে)-র সঙ্গে সরাসরি সমঝোতার সম্ভাবনা কম, কারণ তারা বিজেপি’র মিত্র, যাদের বিজয় তার আদর্শগত প্রতিপক্ষ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।অন্যদিকে, টিভিকের মাদুরাভয়াল আসনের প্রার্থী রেভান্থ চরণ, যিনি রাজ্যের অন্যতম কনিষ্ঠ বিধায়ক হতে যাচ্ছেন। সরকারের গঠন নিয়ে তিনি আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, কোনও ভয় নেই। আমরা সরকার গঠন করব। জোট বা সমর্থন নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দলীয় শীর্ষ নেতৃত্ব নেবে বলেও জানান তিনি। শিগগিরই সরকার গঠন ও সংশ্লিষ্ট তারিখ নিয়ে স্পষ্ট ঘোষণা আসতে পারে বলেও ইঙ্গিত দেন। এই রাজনৈতিক পরিস্থিতির পেছনে রয়েছে টিভিকের ঐতিহাসিক অভিষেক। নির্বাচনী রাজনীতিতে প্রথমবার অংশ নিয়েই বিজয় বড় সাফল্য পেয়েছেন এবং তার দল একক বৃহত্তম শক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে। তিনি নিজেও পেরাম্বুর ও ত্রিচি ইস্ট দুটি আসনেই জয় পেয়েছেন। পাশাপাশি, দীর্ঘদিন ধরে ডিএমকের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত চেন্নাইয়েও টিভিকে বড় সাফল্য দেখিয়েছে, যেখানে ১৬টির মধ্যে ১৪টি আসন তারা জিতেছে। পুরো নির্বাচনী প্রচারে বিজয় এই লড়াইকে ডিএমকের বিরুদ্ধে সরাসরি প্রতিদ্বন্দ্বিতা হিসেবে তুলে ধরেন। তিনি জোটে না গিয়ে একাই লড়ার সিদ্ধান্ত নেন, কারণ কোনও দল ক্ষমতা ভাগাভাগিতে রাজি হয়নি। নির্বাচনের ফলাফল বলছে, তার এই কৌশল সফল হয়েছে। তবে সরকার গঠন নির্ভর করবে নির্বাচনের পরবর্তী এই সংখ্যার সমীকরণ কতটা দক্ষতার সঙ্গে তিনি সামলাতে পারেন তার ওপর।এছাড়াও, আগামী ৭ মে-র মধ্যেই শপথ গ্রহণ হতে পারে। এরই মধ্যে পর্দার আড়ালে জোর আলোচনা চলছে টিভিকে কি সংখ্যাগরিষ্ঠতার সীমা অতিক্রম করতে পারবে, তা নিয়েই এখন সব নজর।
টিকাদান কর্মসূচি: হামের টিকা সরবরাহে ঘাটতি ৭৩ শতাংশ
টিকাদান কর্মসূচি: হামের টিকা সরবরাহে ঘাটতি ৭৩ শতাংশ