আত্রাই বার্তা
স্বামী ছাত্রদলে পদ পাওয়ায় খুশিতে ফেসবুকে স্ত্রীর পোস্ট
নরসিংদী জেলা ছাত্রদলের নবঘোষিত পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে ২ নম্বর সহসভাপতি পদে স্বামীর নাম অন্তর্ভুক্ত হওয়ার পর আনন্দে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আবেগঘন পোস্ট দিয়েছেন তার স্ত্রী। এ পোস্টটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে শুরু হয় ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা। ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে কমিটি গঠন নিয়েও নানা বিতর্ক ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।গত ১ মে কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন নাছির স্বাক্ষরিত নরসিংদী জেলা ছাত্রদলের পূর্ণাঙ্গ কমিটি প্রকাশ করা হয়। ওই তালিকায় ২ নম্বর সহ-সভাপতি হিসেবে সজীব পাল জুম্মনের নাম রয়েছে। কমিটি ঘোষণার পর তার স্ত্রী স্বামী-স্ত্রীর একটি ছবি ও কমিটির তালিকা যুক্ত করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আবেগঘন পোস্ট দেন।সেখানে তিনি লেখেন, প্রাণঢালা অভিনন্দন জামাই। নরসিংদী জেলা ছাত্রদলের ২নং সহ-সভাপতি।স্ত্রীর এই পোস্টটি দ্রুত ভাইরাল হয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে নানা মন্তব্যের সৃষ্টি হয়। অনেকে টিপ্পনী কেটে বলছেন, ছাত্রদলের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী বিবাহিতদের স্থান পাওয়ার সুযোগ না থাকলেও এই কমিটি তা লঙ্ঘন করেছে। এ পোস্টের সূত্র ধরে কমিটিতে স্থান না পাওয়া ত্যাগী ও পদবঞ্চিত নেতাকর্মীরা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তাদের দাবি, এ পোস্টই প্রমাণ করে যে ঘোষিত কমিটিতে রাজপথের ত্যাগীদের মূল্যায়ন করা হয়নি। ত্যাগীদের বাদ দিয়ে বিবাহিত এবং এমনকি দীর্ঘদিন ধরে প্রবাসে অবস্থান করছেন এমন ১৫-২০ জন প্রবাসীকেও এই কমিটিতে পদ দেওয়া হয়েছে।নরসিংদী জেলা ছাত্রদলের সাবেক সদস্য সচিব মাঈনউদ্দিন ভূঁইয়া বলেন, আমাদের নেতা তারেক রহমান ঘোষণা দিয়েছিলেন- বিগত আন্দোলনে মিছিলে সবার পেছনে থাকা কর্মীটিও মূল্যায়িত হবে। কিন্তু এই কমিটিতে রাজপথের অগ্রভাগে থাকা লড়াকু নেতাকর্মীদের অবমূল্যায়ন করা হয়েছে। ত্যাগী ও নির্যাতিতদের বাদ দিয়ে প্রবাসে থাকা ব্যক্তিদের নাম তালিকায় স্থান পাওয়া অত্যন্ত দুঃখজনক।
ফেসবুক পোস্টে যে অভিযোগ জানালেন আমির হামজা
শ্বাসনালির দীর্ঘমেয়াদি প্রদাহজনিত রোগ অ্যাজমা বা হাঁপানি। দিন দিন বাড়ছে এই রোগটির ব্যাপকতা। শিশুসহ যেকোনো বয়সি নারী-পুরুষ এতে আক্রান্ত হতে পারেন। তবে অ্যাজমা সারা জীবনের রোগ হলেও সঠিক ও নিয়মিত চিকিৎসায় নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। আর এর মূল চিকিৎসা ইনহেলার ব্যবহার করা।বিশ্ব অ্যাজমা দিবস-২০২৬ উপলক্ষে রোববার এভারকেয়ার হাসপাতাল, ঢাকার রেসপিরেটরি মেডিসিন বিভাগ আয়োজিত বৈজ্ঞানিক সেমিনারে বক্তারা এসব কথা বলেন। এবার বিশ্ব অ্যাজমা দিবসের প্রতিপাদ্য— 'অ্যাজমা আক্রান্ত প্রত্যেক রোগীর জন্য ইনহেলার নিশ্চিত করা জরুরী'।হাসপাতালের অডিটোরিয়ামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ মেডিকেল রিসার্চ কাউন্সিলের (বিএমআরসি) পরিচালক ডা. কাজী সাইফুদ্দীন বেননূর। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন এভারকেয়ার হসপিটালের গ্রুপ মেডিকেল ডিরেক্টর ডা. আরিফ মাহমুদ। বৈজ্ঞানিক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন এভারকেয়ার হসপিটাল ঢাকার রেসপিরেটরি মেডিসিন বিভাগের সিনিয়র কনসালট্যান্ট ও কো-অর্ডিনেটর ডা. এস এম আবদুল্লাহ আল মামুন ও এআইসিইউ ও এইচডিইউ বিভাগের সিনিয়র কনসালটেন্ট ডা. জাফর ইকবাল। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রেসপিরেটরি মেডিসিন বিভাগের সিনিয়র কনসালটেন্ট ডা. জিয়াউল হক। অনুষ্ঠানটি আয়োজনে সার্বিক সহযোগিতা করে অ্যারিস্টোফার্মা। এর আগে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি, অক্সিজেন থেরাপি ও ইনহেলেশনাল টেকনিক বিষয়ক কর্মশালা ও সার্টিফিকেট প্রদান অনুষ্ঠিত হয়।মূল প্রবন্ধে ডা. আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন ও বায়ুদূষণ বিশ্বব্যাপী অ্যাজমা রোগীর সংখ্যা ও তীব্রতা বৃদ্ধির অন্যতম প্রধান কারণ হয়ে উঠেছে। বায়ুতে ক্ষতিকর কণিকা, ধূলা, ধোঁয়া ও রাসায়নিক দূষণের মাত্রা বাড়ার ফলে শিশু ও বয়স্কদের মধ্যে শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা বেড়ে যাচ্ছে।তিনি বলেন, এ পরিস্থিতি মোকাবেলায় বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণ, সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সবার জন্য সহজলভ্য ও কার্যকর উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি।ডা. সাইফুদ্দীন বেননূর বলেন, প্রতি তিন সেকেন্ডে আমরা সহজেই নিঃশ্বাস গ্রহণ করি এবং শ্বাস ছাড়ি। কিন্তু একজন অ্যাজমা আক্রান্ত রোগী সহজে এটা পারেন না। তাদের জন্য তা ভয়াবহ কষ্টকর পরিস্থিতি।ডা. আরিফ মাহমুদ বলেন, অ্যাজমা একটি নিয়ন্ত্রণযোগ্য দীর্ঘমেয়াদি রোগ হলেও অনেক রোগী এখনো ঝুঁকির মধ্যে রয়েছেন। তাই, সব অ্যাজমা রোগীর জন্য ইনহেলার নিশ্চিত করা জরুরি।
নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস প্রতিযোগিতা শেষে ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত কালীগঞ্জের বালিকা ফুটবল দল
শ্বাসনালির দীর্ঘমেয়াদি প্রদাহজনিত রোগ অ্যাজমা বা হাঁপানি। দিন দিন বাড়ছে এই রোগটির ব্যাপকতা। শিশুসহ যেকোনো বয়সি নারী-পুরুষ এতে আক্রান্ত হতে পারেন। তবে অ্যাজমা সারা জীবনের রোগ হলেও সঠিক ও নিয়মিত চিকিৎসায় নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। আর এর মূল চিকিৎসা ইনহেলার ব্যবহার করা।বিশ্ব অ্যাজমা দিবস-২০২৬ উপলক্ষে রোববার এভারকেয়ার হাসপাতাল, ঢাকার রেসপিরেটরি মেডিসিন বিভাগ আয়োজিত বৈজ্ঞানিক সেমিনারে বক্তারা এসব কথা বলেন। এবার বিশ্ব অ্যাজমা দিবসের প্রতিপাদ্য— 'অ্যাজমা আক্রান্ত প্রত্যেক রোগীর জন্য ইনহেলার নিশ্চিত করা জরুরী'।হাসপাতালের অডিটোরিয়ামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ মেডিকেল রিসার্চ কাউন্সিলের (বিএমআরসি) পরিচালক ডা. কাজী সাইফুদ্দীন বেননূর। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন এভারকেয়ার হসপিটালের গ্রুপ মেডিকেল ডিরেক্টর ডা. আরিফ মাহমুদ। বৈজ্ঞানিক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন এভারকেয়ার হসপিটাল ঢাকার রেসপিরেটরি মেডিসিন বিভাগের সিনিয়র কনসালট্যান্ট ও কো-অর্ডিনেটর ডা. এস এম আবদুল্লাহ আল মামুন ও এআইসিইউ ও এইচডিইউ বিভাগের সিনিয়র কনসালটেন্ট ডা. জাফর ইকবাল। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রেসপিরেটরি মেডিসিন বিভাগের সিনিয়র কনসালটেন্ট ডা. জিয়াউল হক। অনুষ্ঠানটি আয়োজনে সার্বিক সহযোগিতা করে অ্যারিস্টোফার্মা। এর আগে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি, অক্সিজেন থেরাপি ও ইনহেলেশনাল টেকনিক বিষয়ক কর্মশালা ও সার্টিফিকেট প্রদান অনুষ্ঠিত হয়।মূল প্রবন্ধে ডা. আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন ও বায়ুদূষণ বিশ্বব্যাপী অ্যাজমা রোগীর সংখ্যা ও তীব্রতা বৃদ্ধির অন্যতম প্রধান কারণ হয়ে উঠেছে। বায়ুতে ক্ষতিকর কণিকা, ধূলা, ধোঁয়া ও রাসায়নিক দূষণের মাত্রা বাড়ার ফলে শিশু ও বয়স্কদের মধ্যে শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা বেড়ে যাচ্ছে।তিনি বলেন, এ পরিস্থিতি মোকাবেলায় বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণ, সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সবার জন্য সহজলভ্য ও কার্যকর উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি।ডা. সাইফুদ্দীন বেননূর বলেন, প্রতি তিন সেকেন্ডে আমরা সহজেই নিঃশ্বাস গ্রহণ করি এবং শ্বাস ছাড়ি। কিন্তু একজন অ্যাজমা আক্রান্ত রোগী সহজে এটা পারেন না। তাদের জন্য তা ভয়াবহ কষ্টকর পরিস্থিতি।ডা. আরিফ মাহমুদ বলেন, অ্যাজমা একটি নিয়ন্ত্রণযোগ্য দীর্ঘমেয়াদি রোগ হলেও অনেক রোগী এখনো ঝুঁকির মধ্যে রয়েছেন। তাই, সব অ্যাজমা রোগীর জন্য ইনহেলার নিশ্চিত করা জরুরি।
বিজয়ের বাড়িতে চলছে উদযাপন, অপেক্ষা চূড়ান্ত ফলের
শ্বাসনালির দীর্ঘমেয়াদি প্রদাহজনিত রোগ অ্যাজমা বা হাঁপানি। দিন দিন বাড়ছে এই রোগটির ব্যাপকতা। শিশুসহ যেকোনো বয়সি নারী-পুরুষ এতে আক্রান্ত হতে পারেন। তবে অ্যাজমা সারা জীবনের রোগ হলেও সঠিক ও নিয়মিত চিকিৎসায় নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। আর এর মূল চিকিৎসা ইনহেলার ব্যবহার করা।বিশ্ব অ্যাজমা দিবস-২০২৬ উপলক্ষে রোববার এভারকেয়ার হাসপাতাল, ঢাকার রেসপিরেটরি মেডিসিন বিভাগ আয়োজিত বৈজ্ঞানিক সেমিনারে বক্তারা এসব কথা বলেন। এবার বিশ্ব অ্যাজমা দিবসের প্রতিপাদ্য— 'অ্যাজমা আক্রান্ত প্রত্যেক রোগীর জন্য ইনহেলার নিশ্চিত করা জরুরী'।হাসপাতালের অডিটোরিয়ামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ মেডিকেল রিসার্চ কাউন্সিলের (বিএমআরসি) পরিচালক ডা. কাজী সাইফুদ্দীন বেননূর। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন এভারকেয়ার হসপিটালের গ্রুপ মেডিকেল ডিরেক্টর ডা. আরিফ মাহমুদ। বৈজ্ঞানিক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন এভারকেয়ার হসপিটাল ঢাকার রেসপিরেটরি মেডিসিন বিভাগের সিনিয়র কনসালট্যান্ট ও কো-অর্ডিনেটর ডা. এস এম আবদুল্লাহ আল মামুন ও এআইসিইউ ও এইচডিইউ বিভাগের সিনিয়র কনসালটেন্ট ডা. জাফর ইকবাল। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রেসপিরেটরি মেডিসিন বিভাগের সিনিয়র কনসালটেন্ট ডা. জিয়াউল হক। অনুষ্ঠানটি আয়োজনে সার্বিক সহযোগিতা করে অ্যারিস্টোফার্মা। এর আগে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি, অক্সিজেন থেরাপি ও ইনহেলেশনাল টেকনিক বিষয়ক কর্মশালা ও সার্টিফিকেট প্রদান অনুষ্ঠিত হয়।মূল প্রবন্ধে ডা. আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন ও বায়ুদূষণ বিশ্বব্যাপী অ্যাজমা রোগীর সংখ্যা ও তীব্রতা বৃদ্ধির অন্যতম প্রধান কারণ হয়ে উঠেছে। বায়ুতে ক্ষতিকর কণিকা, ধূলা, ধোঁয়া ও রাসায়নিক দূষণের মাত্রা বাড়ার ফলে শিশু ও বয়স্কদের মধ্যে শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা বেড়ে যাচ্ছে।তিনি বলেন, এ পরিস্থিতি মোকাবেলায় বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণ, সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সবার জন্য সহজলভ্য ও কার্যকর উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি।ডা. সাইফুদ্দীন বেননূর বলেন, প্রতি তিন সেকেন্ডে আমরা সহজেই নিঃশ্বাস গ্রহণ করি এবং শ্বাস ছাড়ি। কিন্তু একজন অ্যাজমা আক্রান্ত রোগী সহজে এটা পারেন না। তাদের জন্য তা ভয়াবহ কষ্টকর পরিস্থিতি।ডা. আরিফ মাহমুদ বলেন, অ্যাজমা একটি নিয়ন্ত্রণযোগ্য দীর্ঘমেয়াদি রোগ হলেও অনেক রোগী এখনো ঝুঁকির মধ্যে রয়েছেন। তাই, সব অ্যাজমা রোগীর জন্য ইনহেলার নিশ্চিত করা জরুরি।
সবাইকে কাঁদিয়ে না ফেরার দেশে চলে গেলেন মাওলানা আবদুল খালেক জানাজায় শোকার্ত মানুষের ঢল
অফিস সময়ে তালাবদ্ধ ইউনিয়ন পরিষদ,উড়ছে জাতীয় পতাকা—নেই কর্মকর্তা-কর্মচারী
মানবিকতায় এগিয়ে ‘গো ফ্যাভলো ফাউন্ডেশন'
নীলফামারী জেলার ৪ জন এমপির সংবর্ধনা ঈদ উৎসব ও মনোজ্ঞ সংস্কৃতিক অনুষ্ঠান
ডিমলায় কৃষি বিভাগের উদ্যোগে চরাঞ্চলের কৃষকদের মাঝে এলএলপি সেট ও পাইপ বিতরণ
গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে জামায়াতের এমপি ডিমলায় লিফলেট বিতরণ করেন
খানসামায় রক্তরেখা ব্লাড ব্যাংকের উদ্যোগে ২৩৯ কপি কুরআন মাজিদ বিতরণ কর্মসূচী ২০২৫ অনুষ্ঠিত ।
ডিমলা প্রশাসনের উদ্যোগে ফুয়েল কার্ড বিতরণ শুরু
সৈয়দপুরে বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
ঈদের আনন্দের ভিড়ে এক পরিবারের নীরব কান্না: রাতের আঁধারে চুরি গেল জীবিকার একমাত্র ভ্যান
তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে সিনেমার তারকাদের সফলতার রহস্য
খুলে নেওয়া হলো মমতার বাড়ির গলির মুখের ‘সিজার ব্যারিকেড’
আহত খুদে ফুটবলার সোহাদার পাশে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল ইসলাম ও এমপি ফজলুল হক মিলন
দেশের ক্রীড়াঙ্গনকে উন্নত করতে স্পোর্টস ডিপ্লোমেসি করবেন জাইমা রহমান
যুক্তরাষ্ট্রের পাসপোর্ট-ভিসা বানিয়ে ধরা, কারাগারে দম্পতি
স্বামী ছাত্রদলে পদ পাওয়ায় খুশিতে ফেসবুকে স্ত্রীর পোস্ট
প্রথম নির্বাচনেই বাজিমাত, সরকার গঠন করতে পারবেন বিজয়?
ফেসবুক পোস্টে যে অভিযোগ জানালেন আমির হামজা
নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস প্রতিযোগিতা শেষে ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত কালীগঞ্জের বালিকা ফুটবল দল
বিজয়ের বাড়িতে চলছে উদযাপন, অপেক্ষা চূড়ান্ত ফলের
খুলে নেওয়া হলো মমতার বাড়ির গলির মুখের ‘সিজার ব্যারিকেড’
ভারতের পশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক পরিবর্তনের আবহে বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির আশপাশের কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থায় শিথিলতা আনা হয়েছে। মঙ্গলবার (৫ মে) সকালে দক্ষিণ কলকাতার কালীঘাট এলাকার হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটের গলির মুখ থেকে দীর্ঘদিনের ‘সিজার ব্যারিকেড’ সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। মমতার বাড়ির এই গলির মুখে এত দিন সাধারণ মানুষের চলাচলে কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হতো। এই বিষয়ে পশ্চিমবঙ্গের আনন্দবাজার পত্রিকা জানিয়েছে—এত দিন মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির দিকে যাওয়া এই গলিতে প্রবেশ করতে হলে পথচারীদের পরিচয় যাচাই করা হতো। কেন যাচ্ছেন, কার সঙ্গে দেখা করবেন—এসব প্রশ্নের জবাব না দিলে ঢোকার অনুমতি মিলত না। এমনকি স্থানীয় বাসিন্দাদেরও বাড়ি থেকে বের হওয়ার সময় পরিচয়পত্র, বিশেষ করে আধার কার্ড সঙ্গে রাখতে হতো। নিরাপত্তারক্ষীরা গলির মুখে ব্যারিকেড আড়াআড়িভাবে বসিয়ে রাখতেন এবং কাউকে প্রবেশের আগে তা সরিয়ে আবার বন্ধ করে দিতেন। তবে বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার পরপরই এই চিত্র বদলে গেছে। মঙ্গলবার সকালে দেখা যায়, গলির মুখে নিরাপত্তারক্ষী থাকলেও তারা আর কাউকে থামিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছেন না। ব্যারিকেড একপাশে সরিয়ে রাখা হয়েছে, ফলে সাধারণ মানুষের চলাচল এখন পুরোপুরি উন্মুক্ত। স্থানীয় বাসিন্দা রাজু মাহাতো জানান, আগে এই গলি দিয়ে যাতায়াত করতে গেলেই নানা জিজ্ঞাসাবাদের মুখে পড়তে হতো। কিন্তু এখন কোনো বাধা নেই, সহজেই আসা-যাওয়া করা যাচ্ছে। এর আগে নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের ভরাডুবি এবং বিজেপির বড় জয়ের পর সোমবার রাতে কালীঘাট এলাকায় বিজয় মিছিল করেন বিজেপি সমর্থকেরা। তখনো ব্যারিকেড ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা আগের মতোই কঠোর ছিল। নিরাপত্তা শিথিলের বিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক পুলিশ কর্মকর্তা মন্তব্য করেছেন—‘এ যেন বার্লিন প্রাচীর ভাঙার মতো ঘটনা।’ ফল ঘোষণার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই এমন পরিবর্তনে বিস্মিত স্থানীয়রাও।
টিকাদান কর্মসূচি: হামের টিকা সরবরাহে ঘাটতি ৭৩ শতাংশ
টিকাদান কর্মসূচি: হামের টিকা সরবরাহে ঘাটতি ৭৩ শতাংশ