খানসামায় বাঁশঝাড়ে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ, এলাকাজুড়ে শোক
খানসামায় বাঁশঝাড়ে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ, এলাকাজুড়ে শোক
দিনাজপুরের খানসামা উপজেলায় পরিতোষ চন্দ্র রায় (১৮) নামে এক যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার (১৪ আগস্ট) সকালে উপজেলার আঙ্গারপাড়া ইউনিয়নের ঝাইয়া পাড়া (তারাপদ পাড়া) এলাকায় একটি বাঁশঝাড় থেকে তার মরদেহ দেখতে পান স্থানীয়রা। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
নিহত পরিতোষ চন্দ্র রায় আঙ্গারপাড়া ইউনিয়নের ঝাইয়া পাড়া (তারাপদ পাড়া) এলাকার বাসিন্দা। তিনি ওই এলাকার সুবাস চন্দ্র রায়ের ছেলে। জীবিকার তাগিদে পরিতোষ পাকেরহাট সংলগ্ন পান্দোয়ার ঘাট এলাকায় অবস্থিত একটি উইক তৈরির কারখানায় (ইপিজেড) কাজ করতেন।
স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, শুক্রবার সকালে এলাকায় একটি বাঁশঝাড়ে পরিতোষের মরদেহ দেখতে পান স্থানীয়রা। বিষয়টি দ্রুত আশপাশের এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। পরে স্বজন ও স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। মাত্র ১৮ বছর বয়সী এক তরুণের এমন মৃত্যুতে স্বজনদের আহাজারিতে এলাকার পরিবেশ ভারী হয়ে ওঠে।
পরিতোষের স্বজন ও প্রতিবেশীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তিনি পরিবারের একজন কর্মজীবী সদস্য ছিলেন এবং পাকেরহাট সংলগ্ন পান্দোয়ার ঘাট এলাকার একটি কারখানায় কাজ করতেন। অল্প বয়সে তার এমন মৃত্যুতে পরিবার ও এলাকাবাসীর মধ্যে নেমে এসেছে গভীর শোক।
তবে পরিতোষ চন্দ্র রায়ের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। কেন তিনি এমন চরম সিদ্ধান্ত নিলেন, সে বিষয়ে পরিবারের পক্ষ থেকেও নিশ্চিত কোনো কারণ জানা যায়নি। এ ঘটনার পেছনে কোনো ব্যক্তিগত, পারিবারিক কিংবা অন্য কোনো কারণ রয়েছে কি না, তা তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া যাবে।
ঘটনার খবর পেয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ঘটনাস্থলে এসে মরদেহের বিষয়ে আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছে কি না এবং পরবর্তী পদক্ষেপ কী নেওয়া হয়েছে—এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বক্তব্য প্রতিবেদনে যুক্ত করা হলে সংবাদটি আরও পূর্ণাঙ্গ হবে।
স্থানীয়রা জানান, পরিতোষের মতো অল্পবয়সী একজন কর্মজীবী তরুণের আকস্মিক মৃত্যু কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছেন না তারা। ঘটনাটি এলাকাবাসীর মধ্যে ব্যাপক আলোচনার
সৃষ্টি করেছে।