ডিমলায় যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট প্রশিক্ষণে অনিয়মের অভিযোগ
যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর নীলফামারী আয়োজনে ডিমলা উপজেলা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়ন ধীন। "দারিদ্র্য বিমোচনের লক্ষ্যে ব্যাপক প্রযুক্তি নির্ভর সমন্বিত সম্পদ ব্যবস্থাপনা (ইমপ্যাক্ট)-৩ পর্যায় (দ্বিতীয় সংশোধিত) শীষক প্রকল্পের আওতায় পরিচালিত বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট বিষয়ক প্রশিক্ষণে নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। গত ১০মে হতে ১২ মে/২৬ পর্যন্ত ৩ দিন মেয়াদী ৩০জন বায়োগ্যাস প্ল্যান উদ্যোগ গ্রহণকারীদের প্রশিক্ষণাথীর নিম্ন ৩ হতে ৫টি গরু থাকার দরকার থাকলেও তার বিপরীত ব্যক্তিদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। এই প্রশিক্ষণ টি ডিমলা উপজেলা প্রাণিসম্পদ হলরুমে অনুষ্ঠিত হয়েছে সেখানে যেয়ে দেখা যায় ভিন্ন রূপ খামারি তো থাকা দূরের কথা বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মচারী ও বিভিন্ন উপজেলার মানুষজন। প্রকল্প আওতায় আয়োজিত তিন দিনব্যাপী প্রশিক্ষণার্থী নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন বলেন আমার আশেপাশে যাদেরকে দেখতেছি তারা প্রায় অপরিচিত মুখ সম্মানী বিষয়ে কথা বললে তিনি বলেন তিন দিনে মাত্র ৬০০শত টাকা পেয়েছি তাদের মাঝে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারীদের উপস্থিতি নিশ্চিত করা হলেও যথাযথ প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন কয়েকজন প্রশিক্ষণার্থী।
এছাড়াও প্রশিক্ষণের জন্য বরাদ্দকৃত সুবিধা ও ভাতাদি নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। অংশগ্রহণকারীদের অভিযোগ, প্রশিক্ষণের নামে প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে কার্যকর উদ্যোগ দেখা যায়নি।
স্থানীয় সচেতন বায়োগ্যাস প্ল্যান আগ্রহী ও গরু খামারিরা বলছেন, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের এমন গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পে অনিয়ম হলে সরকারের দারিদ্র্য বিমোচন কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হবে। তারা বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ডিমলা উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মোঃ হাফিজুর রহমান বলেন এই প্রশিক্ষণ বিষয়ে আমি কোন কিছু বলতে পারবো না কারণ এই প্রশিক্ষণের তালিকা জেলা অফিস করেছেন। জেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা হাসান আলী সাথে মুঠো ফোনে যোগাযোগ করে প্রশিক্ষণে সরকারি কর্মচারীর ও খামার বিহীন লোকদের তালিকায় থাকার বিষয়ে কথা বললে তিনি বলেন বর্তমান কাজের দিনে কয়েকজন প্রশিক্ষণসথী অনুপস্থিত থাকলে তাৎক্ষণিক আমরা কয়েকজন প্রশিক্ষণার্থী সংগ্রহ করি তাতে কিছু ত্রুটি হয়েছে।