দিনাজপুরের খানসামায় দুই সন্তানের জননী এক মহিলাকে ভয়ভীতি দেখিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় ভিকটিম নিজেই বাদী হয়ে লম্পট শাহিনুরের নামে ৩০ জনু রবিবার রাতে খানসামা থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন।
অভিযুক্ত শাহিনুর ইসলাম (৩০) খানসামা উপজেলার আলোকঝাড়ি ইউনিয়নের মুন্সিপাা গ্রামের মজিবর রহমানের ছেলে।
অভিযোগের বরাতে জানা যায় , আসামী শাহিনুর ও আমার স্বামীর সাথে কুমিল্লা জেলায় ইট ভাটায় মৌসুমী শ্রমিক হিসেবে কাজ করেন। এমতাবস্থায় কুমিল্লা জেলায় ইট ভাটায় মৌসুমী শ্রমিক হিসেবে কাজ করাকালে আসামী শাহিনুর ছুটিতে আসে। পাড়া-প্রতিবেশী হওয়ার সুবাদে আসামী শাহিনুর বিভিন্ন সময় আমাকে একাকি পাইলে কু-প্রস্তাব দেন । আমি লোকলজ্জার ভয়ে বিষয়টি গোপনে রাখি। এমতাবস্থায় আমার স্বামী কর্মস্থলে থাকার সুবাদে কুমিল্লায় অবস্থানকালে গত (২৭ জনু) বৃহস্পতিবার রাত্রী ৯ ঘটিকার সময় আমি সন্তানদ্বয়কে লইয়া রাতের খাবার শেষে আমার বসতবাড়ীর পশ্চিম দুয়ারী শয়ন ঘরের খাটের উপর শুয়ে থাকাবস্থায় আসামী বাড়ী ফাঁকা দেখিতে পাইয়া চুপিসারে আমার শয়ন ঘরে প্রবেশ করে। একপর্যায়ে আসামী তাহার হাত দ্বারা আমার মুখ চাঁপিয়া ধরে এবং আমাকে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের জন্য কু-প্রস্তাব দেয়। আমি আসামীর কু-প্রস্তাবে রাজী না হওয়া আসামী আমার ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোর পূর্বক ধর্ষণের উদ্দেশ্যে ধস্তাধস্তি সহ আমার পরিহিত শাড়ী কাপড় খোলার চেষ্টা করে। তখন আমি কৌশলে মুখ হইতে আসামীর হাত সরাইয়া ডাক-চিৎকার করিতে থাকি আমার চিৎকারে আশপাশে থাকা লোকজন এগিয়ে আসে লোকজনের উপস্থিতি টের পেয়ে লম্পট শাহিনুর পালিয়ে যায়
স্থানীয় ইউপি সদস্য আনারুল ইসলাম জানান, বিষয়টি সম্পর্কে আমি অবগত আছি। ধর্ষণের বিষয় টি শাহিনুর আমার কাছে স্বীকার করেছে। আমরা চাই দ্রুত আইনের আওতায় এনে ধর্ষক শাহিনুরের বিচার হোক।
এবিয়ে অভিযুক্ত শাহিনুরের সঙ্গে একাধিকবার মুঠুর ফোনে যোগাযোগ করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
খনসামা থানার ওসি মোজাহারুল ইসলাম বলেন, ধর্ষণের বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
প্রিয় পাঠক, আপনার স্বরচিত আর্টিলে আত্রাই বার্তায় প্রকাশ করতে নিবন্ধন করুণ । আপনার প্রতিভা তুলে ধরুন বাঙালিয়ানদের সাথে। যে কোন বিষয়ে জানতে ও পরামর্শ নিতে যোগাযোগ করুণ।