খানসামা উপজেলার মুমূর্ষু রুগির ভরসা " রক্তবিন্দু "
খানসামা উপজেলার প্রতিটি মানুষের রক্তের গ্রুপ জানিয়ে দেওয়া এবং রক্ত দানে উদ্বুদ্ধকরণ সহ প্রয়োজনে মুমূর্ষু রুগির রক্ত দানে প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছে স্বেচ্ছায় রক্তদাতাদের সংগঠন "রক্তবিন্দু "
স্বপ্ন পূরণ হোক "রক্তবিন্দুর" এই প্রতিপাদ্য কে কেন্দ্র করে আজ খানসামা উপজেলার চৌরঙ্গী বাজার "রয়েল স্টার স্কুল " এ কয়েক শত ছাত্র/ছাত্রীদের রক্তের গ্রুপ জানিয়ে দেওয়া পাশাপাশি পরিচয় পর্বসহ সংগঠন কে বৃহৎ প্লাটফর্ম তৈরি করার বিষয়ে আলোচনা করা হয়।
সেখানে উপস্থিত ছিল রয়েল স্টার স্কুল এর প্রতিষ্ঠা ও পরিচালক মোঃ আনোয়ার হোসেন স্যার, মোঃ ফজলুল রমান, প্রধান শিক্ষক, রয়েল স্টার স্কুল।
আরও উপস্থিত ছিল নীলফামার সরকারি কলেজ ইউনিটের বাঁধন কর্মী কল্পনা , রাফি চৌধুরী, ফরিদুল ইসলাম এবং মিরাত বাবু।
"রক্তবিন্দু " সংগঠনের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিল শাফায়াত জামিল, সভাপতি, রক্তবিন্দু, মাসুদ রানা, সহ-সভাপতি, মামুন রশিদ সুমন, প্রচার সম্পাদক সহ মীম, ছন্দা, আঁখি, শারমীন, মোনায়েম, জিসান, সোলেমান, নবীন সহ আরও কয়েক জন৷
রাফি চৌধুরী বলেন, "রক্তবিন্দু " সংগঠনের ইভেন্ট গুলোতে এসে কাজ করতে পারায় অনেক ভালো লাগে। ইনশাআল্লাহ সময় সুযোগ হলে চেষ্টা করব সামনের প্রতিটি ইভেন্ট এ আসার জন্য। দোয়া আর ভালোবাসা রইল "রক্তবিন্দুর" জন্য যেন লক্ষ্য, উদ্দেশ্য সফল হয়।
ফজলু ভাই বলেন, আমার নিজের রক্তের প্রয়োজনে "রক্তবিন্দুকে " পাশে পেয়ছিলাম। দিনাজপুর এ রক্তের জন্য অনেক হয়রানি হয়েছি তবে খানসামা উপজেলার "রক্তবিন্দুর" সহযোগিতায় আলহামদুলিল্লাহ ব্লাড পেয়েছিলাম। সামনের দিনে আরও এগিয়ে যাক মানবতার সংগঠন "রক্তবিন্দু "।
আনোয়ার স্যার বলেন যে, নিসন্দেহে এই সব মানবতার, স্বেচ্ছাসেবামূলক কাজ মহৎ।
মুমূর্ষু রুগির প্রয়োজন "রক্তবিন্দুর" সদস্যরা যে ভাবে পাশে খানসামা উপজেলায় কাজ করে যাচ্ছে আশা করি শুধু খানসামা উপজেলা না এর বাহিরেও একটা বৃহৎ প্লাটফর্ম তৈরি করবে দ্রুত। যারা এই সব মহৎ কাজের সাথে জড়িত তাদের জন্য অবশ্যই আল্লাহ তাআলার রহমত থেকে যাবে।
ধন্যবাদ জানাই রক্তবিন্দু কে আমাদের প্রতিষ্ঠানে এসে রক্তের গ্রুপ নির্ণয় করে দেওয়ার জন্য।
সব শেষে রক্তবিন্দু স্বপ্নকে পূরণ করার জন্য শুধু কর্মী নিভর নয়, খানসামা উপজেলার প্রতিটি মানুষের সহযোগিতা প্রয়োজন।
সকলের সহযোগিতায় এই "রক্তবিন্দু" কে এজটি বৃহৎ প্লাটফর্ম তৈরি করা সম্ভব। আশা রেখে আজকের রক্তের গ্রুপ নির্ণয়, পরিচয় পর্ব ও আলোচনা সভা শেষ করা হয়।