ঢাকা   মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬
আত্রাই বার্তা

বরিশালে ড্রেসিং রুমে ফুটবলারের আত্মহত্যা



বরিশালে ড্রেসিং রুমে ফুটবলারের আত্মহত্যা

বরিশাল শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাত স্টেডিয়ামের নির্মিতব্য ড্রেসিং রুমে গলায় ফাঁস লাগিয়ে সোহেল জমাদ্দার নামে এক ফুটবলার আত্মহত্যা করেছে। রবিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ওই ফুটবলারের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

আত্মহননকারী সোহেল জমাদ্দার ঝালকাঠি জেলার নলছিটি উপজেলার রায়াপুর বটতলা এলাকার হাফিজ জমাদ্দারের ছেলে। সে ঢাকার সাইফ স্পোটিং ক্লাবের অনুর্ধ্ব ১৭ দলের গোলরক্ষক ছিল। নিহত সোহেলের স্ত্রী ও আট মাস বয়সের একটি ছেলে রয়েছে। 

বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানার এসআই মো. শহীদুল ইসলাম বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে সোহেল গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। ফাঁস নেওয়ার পর দড়ি ছিড়ে নিচে পড়ে যাওয়ায় তার মাথা ফেটে গেছে। তিনি আরও বলেন, ভিডিও কলে রেখে আত্মহত্যার যথেষ্ঠ আলামত পাওয়া গেছে। আত্মহত্যার আগে পাঠানো ছবিও পাওয়া গেছে। 

নিহতের বোন শান্তা ইসলাম জানান, বিয়ের আগে নগরীর বেসরকারি নার্সিং কলেজের এক শিক্ষার্থীর সঙ্গে সোহেলের প্রেমের সম্পর্ক ছিলো। পরবর্তীতে সোহেলকে অন্যত্র বিয়ে করানো হয়। তবে অতিসম্প্রতি পরিবারের সবার অজান্তে সেই মেয়ের সঙ্গে আবারও সম্পর্কে জড়িয়ে পরে সোহেল। 

শান্তা আরও বলেন, রবিবার খেলা থাকায় শনিবারই স্টেডিয়ামে যায় সোহেল। ওইদিন সন্ধ্যার পর থেকে তার সঙ্গে যোগাযোগ করা যাচ্ছিল না। পরে সোহেলের প্রেমিকা জানায়, সোহেল গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করবে জানিয়ে ইমোতে দড়ি ও একটি মইয়ের ছবি তাকে পাঠিয়েছে। শনিবার রাতে তাকে ভিডিও কলে রেখে সোহেল গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে। 

রবিবার সকালে বিষয়টি জানার পর পুলিশ নিয়ে স্টেডিয়ামে এসে সোহেলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এসআই শহীদুল ইসলাম বলেন, মরদেহের সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। 


আত্রাই বার্তা

মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬


বরিশালে ড্রেসিং রুমে ফুটবলারের আত্মহত্যা

প্রকাশের তারিখ : ০৭ মে ২০২৩

featured Image

বরিশাল শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাত স্টেডিয়ামের নির্মিতব্য ড্রেসিং রুমে গলায় ফাঁস লাগিয়ে সোহেল জমাদ্দার নামে এক ফুটবলার আত্মহত্যা করেছে। রবিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ওই ফুটবলারের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

আত্মহননকারী সোহেল জমাদ্দার ঝালকাঠি জেলার নলছিটি উপজেলার রায়াপুর বটতলা এলাকার হাফিজ জমাদ্দারের ছেলে। সে ঢাকার সাইফ স্পোটিং ক্লাবের অনুর্ধ্ব ১৭ দলের গোলরক্ষক ছিল। নিহত সোহেলের স্ত্রী ও আট মাস বয়সের একটি ছেলে রয়েছে। 

বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানার এসআই মো. শহীদুল ইসলাম বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে সোহেল গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। ফাঁস নেওয়ার পর দড়ি ছিড়ে নিচে পড়ে যাওয়ায় তার মাথা ফেটে গেছে। তিনি আরও বলেন, ভিডিও কলে রেখে আত্মহত্যার যথেষ্ঠ আলামত পাওয়া গেছে। আত্মহত্যার আগে পাঠানো ছবিও পাওয়া গেছে। 

নিহতের বোন শান্তা ইসলাম জানান, বিয়ের আগে নগরীর বেসরকারি নার্সিং কলেজের এক শিক্ষার্থীর সঙ্গে সোহেলের প্রেমের সম্পর্ক ছিলো। পরবর্তীতে সোহেলকে অন্যত্র বিয়ে করানো হয়। তবে অতিসম্প্রতি পরিবারের সবার অজান্তে সেই মেয়ের সঙ্গে আবারও সম্পর্কে জড়িয়ে পরে সোহেল। 

শান্তা আরও বলেন, রবিবার খেলা থাকায় শনিবারই স্টেডিয়ামে যায় সোহেল। ওইদিন সন্ধ্যার পর থেকে তার সঙ্গে যোগাযোগ করা যাচ্ছিল না। পরে সোহেলের প্রেমিকা জানায়, সোহেল গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করবে জানিয়ে ইমোতে দড়ি ও একটি মইয়ের ছবি তাকে পাঠিয়েছে। শনিবার রাতে তাকে ভিডিও কলে রেখে সোহেল গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে। 

রবিবার সকালে বিষয়টি জানার পর পুলিশ নিয়ে স্টেডিয়ামে এসে সোহেলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এসআই শহীদুল ইসলাম বলেন, মরদেহের সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। 



আত্রাই বার্তা

সম্পাদক : মোঃ মোজাফফর হোসেন, বার্তা সম্পাদক শেখ নেছারুল ইসলাম
কপিরাইট © ২০২৬ আত্রাই বার্তা । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত