ঢাকা   মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬
আত্রাই বার্তা

খানসামায় সরকারী ড্রেন ভেঙ্গে পায়খানার স্লাপ বসানোর অভিযোগ



খানসামায় সরকারী ড্রেন ভেঙ্গে পায়খানার স্লাপ বসানোর অভিযোগ

মোঃনুর-আমিন ;খানসামা (দিনাজপুর) প্রতিনিধিঃ-জলবদ্ধতা বাংলাদেশের একটি বড় সমস্যা। বর্তমান সরকার জলবদ্ধতা নিরাসনে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করে চলেছে। এরই ধারাবাহিকতায় দিনাজপুরের খানসামা উপজেলার ৪নং খামারপাড়া ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের কায়েমপুর শাহ্ পাড়ায় জনসাধারনের পানি নিস্কাশনের জন্য নির্মাণ করা হয় পাকা ক্যানেল/ড্রেন।

কোন কিছুর তোয়াক্কা না করে এমনকি ইউনিয়ন পরিষদ ও উপজেলা প্রশাসনের কারোর অনুমতি না নিয়েই দিনে দুপুরে নির্মিত সেই সরকারী পাঁকা ড্রেন/ক্যানেল ভেঙ্গে পায়খানার স্লাপ বসানোর অভিযোগ উঠেছে আবু বক্কর ছিদ্দিক ওরফে আবুল নামে ঐ এলাকার স্থানীয় এক প্রভাবশালী ব্যক্তির বিরুদ্ধে।

জানা গেছে, অভিযুক্ত আবু বক্কর সিদ্দিক ওরফে (আবুল) ওই এলাকার মৃত আফাজ উদ্দিন হাজীর ছেলে ও উপজেলার পাকেরহাট ডিগ্রী কলেজের প্রভাষক হিসেবে কর্মরত।

আজ বুধবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সরেজমিনে ঘটনাস্থলে তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে জানা যায়, উপজেলার খামার পাড়া ইউনিয়নের কায়েমপুর গ্রামের জসাধারনের বসতবাড়ির পানি নিস্কাশনের জন্য গত ২০২১-২০২২ অর্থ বছরের এলজিডি প্রকল্পের আওতায় আনুমানিক ৮ লক্ষাধিক টাকা ব্যায়ে আব্দুল জলিলের বাড়ীর কাছে (এস.ডি.এফ) থেকে শুরু হয়ে অভিযুক্ত আবুলের বাড়ীর পার্শ্বে দিয়ে প্রায় ১৫৫ ফিট ড্রেন/ ক্যানেল ইউনিয়ন পরিষদের অধিনে তৈরী করা হয়।

স্থানীয়রা জানায়,নিজ ক্ষমতার বলে কাউকে না জানিয়েই সরকারি পানি নিস্কাশনের ড্রেন ভেঙ্গে সে পায়খানার স্লাপ বসায়। এর আগেও যখন এই ড্রেন নির্মাণ করা হয় তখনও সে বিভিন্নভাবে বিরোধিতা করে বাধা প্রদান করে। নিজেদের স্বার্থে সরকারী ড্রেন ভাঙ্গা আইনত দন্ডনীয় অপরাধ বলেও তিনি উল্লেখ করেন তারা।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত আবু বক্কর সিদ্দিক ওরফে আবুল মুঠোফোনে বলেন, উপজেলার চেয়ারম্যান ও আমার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কে বলা আছে আমার। উনারা বলেছেন যে,পানি চলাচলের ব্যবস্থা থাকলে কোন সমস্যা নাই। এখন উনারা দেখবেন বিষয়টি।

তবে এ ব্যাপারে ওয়ার্ড ইউপি সদস্য আক্তারুল বলেন, আসলে এই বিষয়টি কেউ আমাদের জানায়নি এবং আমরা অবহিত নই। 

খামারপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবু বক্কর সিদ্দিক মুঠোফোনে বলেন, এই বিষয়টি আমি কিছুই জানিয়ে না।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাশিদা আক্তার বলেন, আমি বিষয়টি শুনেছি। ঘটনাস্থলে চেয়ারম্যান কে পাঠানোর ব্যবস্থা করছি।

আত্রাই বার্তা

মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬


খানসামায় সরকারী ড্রেন ভেঙ্গে পায়খানার স্লাপ বসানোর অভিযোগ

প্রকাশের তারিখ : ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৩

featured Image

মোঃনুর-আমিন ;খানসামা (দিনাজপুর) প্রতিনিধিঃ-জলবদ্ধতা বাংলাদেশের একটি বড় সমস্যা। বর্তমান সরকার জলবদ্ধতা নিরাসনে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করে চলেছে। এরই ধারাবাহিকতায় দিনাজপুরের খানসামা উপজেলার ৪নং খামারপাড়া ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের কায়েমপুর শাহ্ পাড়ায় জনসাধারনের পানি নিস্কাশনের জন্য নির্মাণ করা হয় পাকা ক্যানেল/ড্রেন।

কোন কিছুর তোয়াক্কা না করে এমনকি ইউনিয়ন পরিষদ ও উপজেলা প্রশাসনের কারোর অনুমতি না নিয়েই দিনে দুপুরে নির্মিত সেই সরকারী পাঁকা ড্রেন/ক্যানেল ভেঙ্গে পায়খানার স্লাপ বসানোর অভিযোগ উঠেছে আবু বক্কর ছিদ্দিক ওরফে আবুল নামে ঐ এলাকার স্থানীয় এক প্রভাবশালী ব্যক্তির বিরুদ্ধে।

জানা গেছে, অভিযুক্ত আবু বক্কর সিদ্দিক ওরফে (আবুল) ওই এলাকার মৃত আফাজ উদ্দিন হাজীর ছেলে ও উপজেলার পাকেরহাট ডিগ্রী কলেজের প্রভাষক হিসেবে কর্মরত।

আজ বুধবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সরেজমিনে ঘটনাস্থলে তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে জানা যায়, উপজেলার খামার পাড়া ইউনিয়নের কায়েমপুর গ্রামের জসাধারনের বসতবাড়ির পানি নিস্কাশনের জন্য গত ২০২১-২০২২ অর্থ বছরের এলজিডি প্রকল্পের আওতায় আনুমানিক ৮ লক্ষাধিক টাকা ব্যায়ে আব্দুল জলিলের বাড়ীর কাছে (এস.ডি.এফ) থেকে শুরু হয়ে অভিযুক্ত আবুলের বাড়ীর পার্শ্বে দিয়ে প্রায় ১৫৫ ফিট ড্রেন/ ক্যানেল ইউনিয়ন পরিষদের অধিনে তৈরী করা হয়।

স্থানীয়রা জানায়,নিজ ক্ষমতার বলে কাউকে না জানিয়েই সরকারি পানি নিস্কাশনের ড্রেন ভেঙ্গে সে পায়খানার স্লাপ বসায়। এর আগেও যখন এই ড্রেন নির্মাণ করা হয় তখনও সে বিভিন্নভাবে বিরোধিতা করে বাধা প্রদান করে। নিজেদের স্বার্থে সরকারী ড্রেন ভাঙ্গা আইনত দন্ডনীয় অপরাধ বলেও তিনি উল্লেখ করেন তারা।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত আবু বক্কর সিদ্দিক ওরফে আবুল মুঠোফোনে বলেন, উপজেলার চেয়ারম্যান ও আমার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কে বলা আছে আমার। উনারা বলেছেন যে,পানি চলাচলের ব্যবস্থা থাকলে কোন সমস্যা নাই। এখন উনারা দেখবেন বিষয়টি।

তবে এ ব্যাপারে ওয়ার্ড ইউপি সদস্য আক্তারুল বলেন, আসলে এই বিষয়টি কেউ আমাদের জানায়নি এবং আমরা অবহিত নই। 

খামারপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবু বক্কর সিদ্দিক মুঠোফোনে বলেন, এই বিষয়টি আমি কিছুই জানিয়ে না।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাশিদা আক্তার বলেন, আমি বিষয়টি শুনেছি। ঘটনাস্থলে চেয়ারম্যান কে পাঠানোর ব্যবস্থা করছি।


আত্রাই বার্তা

সম্পাদক : মোঃ মোজাফফর হোসেন, বার্তা সম্পাদক শেখ নেছারুল ইসলাম
কপিরাইট © ২০২৬ আত্রাই বার্তা । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত