ঢাকা   মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬
আত্রাই বার্তা

ফি বাড়ার প্রতিবাদে ফের উত্তপ্ত চমেক



ফি বাড়ার প্রতিবাদে ফের উত্তপ্ত চমেক

মঙ্গলবার(১০ জানুয়ারি) সকাল ১০ টায় রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেন আন্দোলনে অংশগ্রহণ করা সুজন হাওলাদার। 

তিনি বলেন, সকাল থেকে আমরা এখানে দেড়শোর মতো লোক জড়ো হয়েছি। যতক্ষণ ফি কমানো হবেনা আমরা এখান থেকে যাব না।

বিক্ষোভ একদিন বন্ধ রেখে আবার শুরু হলো কেন এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, গত ৮ জানুয়ারি স্যান্ডর থেকে একটি সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়। সেখানে বলা হয় তাদের যা ফান্ড রয়েছে সেটা দিয়ে (৮ জানুয়ারি) এবং (৯ জানুয়ারি) চিকিৎসা চালিয়ে যাবে। মানে ৫৩৫ টাকা দিয়ে ডায়ালাইসিস করানো হয়। ৮ জানুয়ারি সন্ধ্যা থেকে গতকাল পর্যন্ত করা হয়। এখন ২ হাজার ৭৯৫ টাকা এক ডায়ালাইসিসে দিতে হবে। আমরা কেউ দিতে পারবোনা এত টাকা। আমরা বিনা চিকিৎসায় মারা যাবো, আমাদের যাওয়ার পথ আর নেই।

খাগড়াছড়ি থেকে আসা লক্ষী ত্রিপুরা বলেন, ৭ জানুয়ারি এসেছি ডায়ালাইসিসে সিরিয়াল পড়ায়। কিন্ত এখানো তা পায়নি। এখানে কোনো আত্মীয় নেই। রাঙ্গামাটি থেকে আসা রোগীরাসহ একটা কম দামের হোটেলে রয়েছি। কোথায়- কখন- কার কাছে গেলে আমাদের সমস্যা শেষ হবে বুঝে উঠতেই পারছি না।

চমেক সূত্রে জানা যায়, একজন রোগীকে মাসে ৮ বার ডায়ালাইসিস করতে হয়। তার জন্য আগে থেকে মাসের প্রথম দুবার ২ হাজার ৭৯৫ টাকা করে পরিশোধ করতে হতো। পরের ছয় বারে ৫১০ টাকা করে পরিশোধ করতে হতো। কিন্তু চলতি বছরের শুরুতে থেকে ২ হাজার ৭৯৫ টাকার পরিবর্তে ২ হাজার ৯৩৫ টাকা করা হয়। প্রথম দুই বারের পরিবর্তে এখন চারবার ওই ফি পরিশোধ করতে প্রতিমাসে আমাকে ৮ বার ডায়ালাইসিস করাতে হবে।

অবশিষ্ট চারবার ৫১০ টাকার বদলে ৫৩৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রতি রোগীকে ডায়ালাইসিস ফি বাবদ মাসে প্রায় দ্বিগুণ খরচ বহন করতে হবে। এর আগে প্রতি মাসে ৮ হাজার ৬৫০ টাকা খরচ হতো। বর্তমানে পরিশোধ করতে হবে ১৩ হাজার ৮৮০ টাকা। 

আত্রাই বার্তা

মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬


ফি বাড়ার প্রতিবাদে ফের উত্তপ্ত চমেক

প্রকাশের তারিখ : ১০ জানুয়ারি ২০২৩

featured Image

মঙ্গলবার(১০ জানুয়ারি) সকাল ১০ টায় রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেন আন্দোলনে অংশগ্রহণ করা সুজন হাওলাদার। 

তিনি বলেন, সকাল থেকে আমরা এখানে দেড়শোর মতো লোক জড়ো হয়েছি। যতক্ষণ ফি কমানো হবেনা আমরা এখান থেকে যাব না।

বিক্ষোভ একদিন বন্ধ রেখে আবার শুরু হলো কেন এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, গত ৮ জানুয়ারি স্যান্ডর থেকে একটি সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়। সেখানে বলা হয় তাদের যা ফান্ড রয়েছে সেটা দিয়ে (৮ জানুয়ারি) এবং (৯ জানুয়ারি) চিকিৎসা চালিয়ে যাবে। মানে ৫৩৫ টাকা দিয়ে ডায়ালাইসিস করানো হয়। ৮ জানুয়ারি সন্ধ্যা থেকে গতকাল পর্যন্ত করা হয়। এখন ২ হাজার ৭৯৫ টাকা এক ডায়ালাইসিসে দিতে হবে। আমরা কেউ দিতে পারবোনা এত টাকা। আমরা বিনা চিকিৎসায় মারা যাবো, আমাদের যাওয়ার পথ আর নেই।

খাগড়াছড়ি থেকে আসা লক্ষী ত্রিপুরা বলেন, ৭ জানুয়ারি এসেছি ডায়ালাইসিসে সিরিয়াল পড়ায়। কিন্ত এখানো তা পায়নি। এখানে কোনো আত্মীয় নেই। রাঙ্গামাটি থেকে আসা রোগীরাসহ একটা কম দামের হোটেলে রয়েছি। কোথায়- কখন- কার কাছে গেলে আমাদের সমস্যা শেষ হবে বুঝে উঠতেই পারছি না।

চমেক সূত্রে জানা যায়, একজন রোগীকে মাসে ৮ বার ডায়ালাইসিস করতে হয়। তার জন্য আগে থেকে মাসের প্রথম দুবার ২ হাজার ৭৯৫ টাকা করে পরিশোধ করতে হতো। পরের ছয় বারে ৫১০ টাকা করে পরিশোধ করতে হতো। কিন্তু চলতি বছরের শুরুতে থেকে ২ হাজার ৭৯৫ টাকার পরিবর্তে ২ হাজার ৯৩৫ টাকা করা হয়। প্রথম দুই বারের পরিবর্তে এখন চারবার ওই ফি পরিশোধ করতে প্রতিমাসে আমাকে ৮ বার ডায়ালাইসিস করাতে হবে।

অবশিষ্ট চারবার ৫১০ টাকার বদলে ৫৩৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রতি রোগীকে ডায়ালাইসিস ফি বাবদ মাসে প্রায় দ্বিগুণ খরচ বহন করতে হবে। এর আগে প্রতি মাসে ৮ হাজার ৬৫০ টাকা খরচ হতো। বর্তমানে পরিশোধ করতে হবে ১৩ হাজার ৮৮০ টাকা। 


আত্রাই বার্তা

সম্পাদক : মোঃ মোজাফফর হোসেন, বার্তা সম্পাদক শেখ নেছারুল ইসলাম
কপিরাইট © ২০২৬ আত্রাই বার্তা । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত