ঢাকা   মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬
আত্রাই বার্তা

ঐতিহ্যবাহী ৮৫ তম ঘোড়াদৌড় প্রতিযোগিতা



ঐতিহ্যবাহী ৮৫ তম ঘোড়াদৌড় প্রতিযোগিতা

একসময় নবান্নের ধান কাটার উৎসব এর শেষে গ্রামবাংলায় খোলা মাঠে ঘোড়দৌড়ের আয়োজন করা হতো। সময়ের সাথে গ্রামের সংস্কৃতির এই রেওয়াজ হারিয়ে যেতে বসেছে। বিজয় দিবস উপলক্ষে গ্রাম বাংলার অন্যতম আকর্ষণ ঘোড়াদৌড় অনুষ্ঠিত হয়ে গেল টাঙ্গাইলের নাগরপুরে চরডাঙ্গা গ্রামে। ঐতিহাসিক এই ঘোড়াদৌড়ের আয়োজন করেছে নাগরপুরের সহবতপুর ইউনিয়নের চরডাঙ্গা গ্রামবাসী। আয়োজক কমিটির সাথে কথা বললে তারা বলেন দীর্ঘ ৮৫ বছর যাবত ১৬ ডিসেম্বর উদযাপন উপলক্ষে ব্যাপক জমকালো ভাবে অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে এই ঘোড়া দৌড় প্রতিযোগিতা। ঐতিহ্যবাহী এই ঘোড়া দৌড় দেখার জন্য এই গ্রামের প্রত্যেক বাড়িতে একদিন আগেই বিভিন্ন জায়গার আত্মীয়-স্বজন এসে অবস্থান করে এবং খুব সুশৃংখলভাবে ঘোড়া দৌড় উদযাপন উপভোগ করে। দর্শনার্থী হিসেবে পুরুষের তুলনায় মেয়েদের আগমন কম নয়। দর্শনার্থী মোহাম্মদ শিহাবুর রহমান শুভ বলেন শুধুমাত্র এই ঘোড়া দৌড় দেখার জন্য গ্রামে আসা এখানে আসলে আমার শৈশবের কথা মনে পড়ে আমি খুব ছোটবেলা থেকেই এই অনুষ্ঠানটি দেখে আসতেছি। আমি খুব আত্মতৃপ্তি পাই। এই অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে অনেক ধরনের দোকানপাট বসে তার মধ্যে বাচ্চাদের খেলনার দোকান , বিভিন্ন ধরনের খাবারের দোকান। আয়োজক কমিটির কাছে দর্শকদের দাবি এই ঐতিহ্যকে যেন আজীবন ধরে রাখে। তাহলে মনে হবে আমরা বাঙালি বাংলায় আমার প্রাণ।

আত্রাই বার্তা

মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬


ঐতিহ্যবাহী ৮৫ তম ঘোড়াদৌড় প্রতিযোগিতা

প্রকাশের তারিখ : ১৭ ডিসেম্বর ২০২২

featured Image

একসময় নবান্নের ধান কাটার উৎসব এর শেষে গ্রামবাংলায় খোলা মাঠে ঘোড়দৌড়ের আয়োজন করা হতো। সময়ের সাথে গ্রামের সংস্কৃতির এই রেওয়াজ হারিয়ে যেতে বসেছে। বিজয় দিবস উপলক্ষে গ্রাম বাংলার অন্যতম আকর্ষণ ঘোড়াদৌড় অনুষ্ঠিত হয়ে গেল টাঙ্গাইলের নাগরপুরে চরডাঙ্গা গ্রামে। ঐতিহাসিক এই ঘোড়াদৌড়ের আয়োজন করেছে নাগরপুরের সহবতপুর ইউনিয়নের চরডাঙ্গা গ্রামবাসী। আয়োজক কমিটির সাথে কথা বললে তারা বলেন দীর্ঘ ৮৫ বছর যাবত ১৬ ডিসেম্বর উদযাপন উপলক্ষে ব্যাপক জমকালো ভাবে অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে এই ঘোড়া দৌড় প্রতিযোগিতা। ঐতিহ্যবাহী এই ঘোড়া দৌড় দেখার জন্য এই গ্রামের প্রত্যেক বাড়িতে একদিন আগেই বিভিন্ন জায়গার আত্মীয়-স্বজন এসে অবস্থান করে এবং খুব সুশৃংখলভাবে ঘোড়া দৌড় উদযাপন উপভোগ করে। দর্শনার্থী হিসেবে পুরুষের তুলনায় মেয়েদের আগমন কম নয়। দর্শনার্থী মোহাম্মদ শিহাবুর রহমান শুভ বলেন শুধুমাত্র এই ঘোড়া দৌড় দেখার জন্য গ্রামে আসা এখানে আসলে আমার শৈশবের কথা মনে পড়ে আমি খুব ছোটবেলা থেকেই এই অনুষ্ঠানটি দেখে আসতেছি। আমি খুব আত্মতৃপ্তি পাই। এই অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে অনেক ধরনের দোকানপাট বসে তার মধ্যে বাচ্চাদের খেলনার দোকান , বিভিন্ন ধরনের খাবারের দোকান। আয়োজক কমিটির কাছে দর্শকদের দাবি এই ঐতিহ্যকে যেন আজীবন ধরে রাখে। তাহলে মনে হবে আমরা বাঙালি বাংলায় আমার প্রাণ।


আত্রাই বার্তা

সম্পাদক : মোঃ মোজাফফর হোসেন, বার্তা সম্পাদক শেখ নেছারুল ইসলাম
কপিরাইট © ২০২৬ আত্রাই বার্তা । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত