কুয়াশায় ভরা খানসামার জনপদ, এতে কাজের ব্যাঘাত খেটে খাওয়া নিম্ন আয়ের মানুষের
দেশের উত্তরের জেলা দিনাজপুরের খানসামায় শীতের তীব্রতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে চরম দুর্ভোগে এখানকার খেটে খাওয়া নিম্ন আয়ের মানুষ। গত কয়েকদিন আগে দিনভর রোদ ও গরম তাপমাত্রা থাকলেও আগের তুলনায় এখন অনেক বেশি সারাদিনেও সূর্যের মুখ দেখা ভার। সন্ধ্যা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত ঠান্ডা শিরশিরে বাতাসের সাথে শীতের তীব্রতা আরও বাড়ছে। আবহাওয়ার এমন বিরুপ খেলায় বিপাকে পড়ছেন স্থানীয় খেটে খাওয়া নিম্ন আয়ের মানুষ।
এতে শীতজনিত নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন শিশুসহ বয়স্করা। সন্ধ্যা থেকে পরদিন সকাল পর্যন্ত উত্তর থেকে বয়ে আসা পাহাড়ি হিমেল বাতাস আর কুয়াশার কারণে তাপমাত্রার পারদ দ্রুতই নিচে নামছে।
গত কয়েকদিন জেলায় তাপমাত্রা গড়ে ১৪ থেকে ১৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে উঠানামা করলেও গত দুইদিন ১৪ এবং১৫ ই ডিসেম্বর সারাদিন কুয়াশায় ভরা ছিল খানসামার জনপদ।
এদিকে গতকাল বৃহস্পতিবার ১৫ ই ডিসেম্বর দিনাজপুরে বিরাজ করেছিল ১৩.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা।
স্থানীয়রা বলছেন, দিনে সহনীয় তাপমাত্রা থাকলেও সন্ধ্যা নামতেই সেই তাপমাত্রা অর্ধেকে নেমে আসতেছে। খানসামা আত্রাই সেতু পারের বাসিন্দা রবিউল ইসলাম বলেন,গত ৮/১০ দিন আগে রাত ও সকালে ঠাণ্ডা একটু বেশি অনুভূত হলেও গত দুইদিন থেকে সূর্যের মূখ দেখা যাচ্ছে না।
উপজেলার পাকেরহাটে ইজিবাইক চালক নুর আলম বলেন, আজ সকাল ১১ টা বাজলে ও রাস্তায় কুয়াশার কারণে কিছু দেখা যাচ্ছে না তাই যাত্রী অনেকটাই নেই বললেই চলে। এদিকে রাতেও একই অবস্থা থাকায় যাত্রী না পাওয়ায় আগেভাগে বাড়িতে ফিরতে হচ্ছে।
দিনাজপুর আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো.আসাদুজ্জামান বলেন, ডিসেম্বরে এক থেকে দুটি শৈত্যপ্রবাহের সম্ভাবনা আছে। আগামী জানুয়ারিতে শীত বেশি থাকবে। সে সময় আরও কয়েক দফায় শৈত্যপ্রবাহের সম্ভাবনা রয়েছে।