ঢাকা   মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬
আত্রাই বার্তা

খানসামায় অসুস্থ গরুর মাংস বিক্রি, কসাইকে জেল ও জরিমানা



খানসামায় অসুস্থ গরুর মাংস বিক্রি, কসাইকে জেল ও জরিমানা

দিনাজপুরের খানসামার উপজেলায় রোগাক্রান্ত গরুর মাংস বিক্রির অভিযোগে কসাই সোহেল রানাকে অনাদায়ে ৩ মাসের জেল ও ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে।

সোমবার (১৪ নভেম্বর) দুপুরে পাকেরহাটে এ ঘটনা ঘটে। ওই রোগাক্রান্ত মাংসগুলো পুড়িয়ে মাটিতে পুঁতে রাখা হয়েছে।

কসাই জাকির হোসেন উপজেলার পাকেরহাটে গ্রামের আলমের ছেলে।

জানা যায়, মাংস বিক্রেতা কসাই সোহেল রানা রোগাক্রান্ত একটি গরু ক্রয় করে জবাই করে মাংস বিক্রি করছিলেন। এ সময় গোপন সংবাদের ভিক্তিতে প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা হুমায়ুন কবীর ঘটনাস্থলে যান।

পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রাশিদা আক্তারকে খবর দিলে তিনিও সেখানে ছুটে যান।

এ সময় কসাই দোষ শিকার করায় জনসস্মুখে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে ভোক্তা আইনে ২০০৯/৪৩ ধারায় ৫০ হাজার টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে ৩ মাসের কারাদণ্ড দেয়া হয়।

এ বিষয়ে কয়েকজন ভুক্তভোগী অভিযোগ করে বলেন, কতিপয় মাংস ব্যবসায়ী প্রায় খাওয়ার অনুপযোগী অসুস্থ পশু জবাই করে মাংস বিক্রি করেন। এসব মাংস বিক্রির জন্য অনেকেই ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে কিংবা বাসাবাড়ির ফ্রিজে রাখা হয়।

সেগুলো হাটে আবার বিক্রি করা হয়। কিন্তু স্থানীয় সরকারের ইউনিটগুলোর নীরব ভূমিকার কারণে ক্রমশই বেপরোয়া হয়ে উঠছে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী। এদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

এ  বিষয়ে উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা হুমায়ুন কবীর বলেন, খবর পেয়ে দ্রুত অভিযুক্ত ব্যবসায়ীর দোকান পরিদর্শনে যাই। সেখানে রোগাক্রান্ত গরুর মাংস বিক্রির সত্যতা পেয়ে কসাইকে জেল ও জরিমানা করা হয়। আমাদের এই রকম অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আত্রাই বার্তা

মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬


খানসামায় অসুস্থ গরুর মাংস বিক্রি, কসাইকে জেল ও জরিমানা

প্রকাশের তারিখ : ১৩ নভেম্বর ২০২২

featured Image

দিনাজপুরের খানসামার উপজেলায় রোগাক্রান্ত গরুর মাংস বিক্রির অভিযোগে কসাই সোহেল রানাকে অনাদায়ে ৩ মাসের জেল ও ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে।

সোমবার (১৪ নভেম্বর) দুপুরে পাকেরহাটে এ ঘটনা ঘটে। ওই রোগাক্রান্ত মাংসগুলো পুড়িয়ে মাটিতে পুঁতে রাখা হয়েছে।

কসাই জাকির হোসেন উপজেলার পাকেরহাটে গ্রামের আলমের ছেলে।

জানা যায়, মাংস বিক্রেতা কসাই সোহেল রানা রোগাক্রান্ত একটি গরু ক্রয় করে জবাই করে মাংস বিক্রি করছিলেন। এ সময় গোপন সংবাদের ভিক্তিতে প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা হুমায়ুন কবীর ঘটনাস্থলে যান।

পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রাশিদা আক্তারকে খবর দিলে তিনিও সেখানে ছুটে যান।

এ সময় কসাই দোষ শিকার করায় জনসস্মুখে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে ভোক্তা আইনে ২০০৯/৪৩ ধারায় ৫০ হাজার টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে ৩ মাসের কারাদণ্ড দেয়া হয়।

এ বিষয়ে কয়েকজন ভুক্তভোগী অভিযোগ করে বলেন, কতিপয় মাংস ব্যবসায়ী প্রায় খাওয়ার অনুপযোগী অসুস্থ পশু জবাই করে মাংস বিক্রি করেন। এসব মাংস বিক্রির জন্য অনেকেই ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে কিংবা বাসাবাড়ির ফ্রিজে রাখা হয়।

সেগুলো হাটে আবার বিক্রি করা হয়। কিন্তু স্থানীয় সরকারের ইউনিটগুলোর নীরব ভূমিকার কারণে ক্রমশই বেপরোয়া হয়ে উঠছে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী। এদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

এ  বিষয়ে উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা হুমায়ুন কবীর বলেন, খবর পেয়ে দ্রুত অভিযুক্ত ব্যবসায়ীর দোকান পরিদর্শনে যাই। সেখানে রোগাক্রান্ত গরুর মাংস বিক্রির সত্যতা পেয়ে কসাইকে জেল ও জরিমানা করা হয়। আমাদের এই রকম অভিযান অব্যাহত থাকবে।


আত্রাই বার্তা

সম্পাদক : মোঃ মোজাফফর হোসেন, বার্তা সম্পাদক শেখ নেছারুল ইসলাম
কপিরাইট © ২০২৬ আত্রাই বার্তা । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত