প্রিন্ট এর তারিখ : ১৭ মার্চ ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ২৮ ডিসেম্বর ২০২২
কচুরিপানায় ঢেকে রাখা মাদক ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার
ভুবন সেন ||
দিনাজপুরের চিরিরবন্দরে কচুরিপানায় ভরাট একটি পুকুর থেকে হাচানুর রহমান (৪০) নামে এক মাদক ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার করেছে চিরিরবন্দর থানা পুলিশ।বুধবার (২৮ ডিসেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার নশরতপুর ইউনিয়নের রাণীপুর গ্রামের বাঁশতলার পাড় নামক এলাকা থেকে এই মরদেহ উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে মঙ্গলবার দিবাগত রাতে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে তাকে খুন করা হয়েছে। মৃত হাচানুর রহমান একই এলাকার ভঘুপাড়ার মৃত মকছেদ আলীর পূত্র।স্থানীয়রা জানান, বরাবরের মতো ওই পুকুরের পাশে আসেন কয়েকজন স্থানীয়রা। ইতিমধ্যে কচুরিপানায় ভরা পুকুরের ঘাটে দেখতে পায় জুতো সহ একটি পা। দেখার পর বিষয়টি জানাজানি হলে মরদেহ দেখতে ভিড় জমায় হাজার হাজার স্থানীয়। পরবর্তীতে চিরিরবন্দর থানায় খবর দিলে পুলিশের একটি টিম নিয়ে ঘটনাস্থলে দ্রুত পৌঁছায় অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বজলুর রশিদ। সকলের উপস্থিতিতে মরদেহটি উদ্ধারের পর সনাক্ত হয় তার পরিচয়, ছুটে আসেন নিহতের স্বজনরা সহ গ্রামবাসী।উদ্ধারের পর পুলিশের সুরতহাল প্রতিবেদনে প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত করা হয় খুন হয়েছে পায়ের রগ কাটার কারণে। পরে পুলিশ সুপারের নির্দেশে মরদেহ’টি ময়না তদন্তের জন্য দিনাজপুর এম.আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে চিরিরবন্দর থানা পুলিশ।এব্যাপারে নিহত হাচানুর রহমানের মা হাসিনা বেগম জানান, স্থানীয় কিছু মাদক ব্যবসায়ীদের সাথে আমার ছেলের মাদক বেচা-কেনার টাকা লেনদেনের জের ধরেই এই হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটানো হয়েছে। ছেলের খুনীদেরকে শনাক্ত করে কঠিন থেকে কঠিনতম শাস্তির দাবী জানিয়ে কান্নায় ভেঙ্গে পরেন তার মা।এঘটনায় চিরিরবন্দর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বজলুর রশিদ বলেন, ঘটনাস্থলে প্রাথমিক সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে আমরা ইতিমধ্যেই মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠিয়েছি। অন্যদিকে এই হত্যাকাণ্ডে মামলার প্রস্তুতি চলছে বলেও জানান তিনি। হত্যা কিভাবে হয়েছে তা প্রাথমিকভাবে জানা গেলেও সম্পূর্ণভাবে নিশ্চিত হতে অপেক্ষা করতে হবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনের জন্য।
সম্পাদক : মোঃ মোজাফফর হোসেন, বার্তা সম্পাদক শেখ নেছারুল ইসলাম
কপিরাইট © ২০২৬ আত্রাই বার্তা । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত