প্রিন্ট এর তারিখ : ১৭ মার্চ ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ১৩ মার্চ ২০২২
সাংবাদিকদের ভূমিকা সঙ্গী হিসেবে বেশি ও প্রেম করার ১১টি সুবিধা
শেখ নেছারুল ইসলাম ||
সম্প্রতি একটি সমীক্ষায় এমনি তথ্য ওঠে এসেছে।এই সমাজে যদি প্রশ্ন করা হয় সাংবাদিকদের সাথে প্রেম করার কথা তাহলে অধিকাংশ মানুষই উত্তর দেবেন একজন সাংবাদিকের সঙ্গে প্রেম করা সহজ কোন কথা নয়। এর কারণ খুঁজতে গেলে পাবেন তারা পরিশ্রম অনুযায়ী উপার্জন করতে পারে না, তারা কাজের প্রতি অনেক বেশি নিবেদিত। সকলের ছুটি থাকলেও তাদের ছুটি মেলে অনেক কম। এরা প্রিয়জন এবং পরিজনদের সময়ও দিতে খুব একটা পারেনা।কে এমন আছে যে জেনেশুনে এই মানুষ গুলোর সঙ্গে সম্পর্কে জড়াবে।এ কথা গুলো ঠিক যে সাংবাদিকদের সঙ্গে ভালোবাসার সম্পর্কে জড়ানো খুব একটা সহজ কথা নয়। তবে এটিও ঠিক যে,যতটা সমাজের মানুষেরা মনে করেন এটি ততটাও ঠিক নয়। সঙ্গী হিসেবে সাংবাদিকদের সঙ্গে জড়ালে আপনি অনেক ক্ষেত্রে অনেক লাভবান হবেন, অপর দিকে অনেক বেশি অভিজ্ঞতাও হবে।সমীক্ষাটিতে সঙ্গী হিসেবে সাংবাদিকদের ভূমিকা বেশি,আছে প্রেম করার ১১টি সুবিধা তুলে ধরে জানিয়েছে,অন্য যে কোনো পেশার মানুষের চেয়ে সাংবাদিকরা সঙ্গীর প্রয়োজন মেটাতে অনেকটাই এগিয়ে।জেনে নিন সাংবাদিকদের সঙ্গে প্রেম করার ইতিবাচক সুবিধাগুলো।বিশ্বস্ত:-বিশ্বাস হলো অন্যতম বৈশিষ্ট্য যা সাংবাদিকদের মধ্যে রয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ তথ্য রেকর্ডের বাইরে রাখা থেকে শুরু করে তারা অনেক কিছুই নিরাপদ ও গোপন রাখতে জানে। নিশ্চিন্ত থাকুন, আপনি যদি একজন সাংবাদিকের সঙ্গে প্রেম করেন তবে আপনার বিশ্বাস ভঙ্গ হবে না এবং আপনার গোপনীয়তা সব সময় নিরাপদ থাকবে।অন্তহীন কথোপকথন:-সাংবাদিকরা বোকা এবং স্মার্টনেসের একটি নিখুঁত মিশ্রণ। বিশ্বের চারপাশে যা ঘটছে তার খোঁজ তারা স্বাভাবিকভাবেই রাখে। তাদের সঙ্গে কথোপকথন আকর্ষণীয়। কথা চালিয়ে গেলে তা আপনাকেও জ্ঞান বাড়াতে সাহায্য করবে, তাদের সঙ্গে কথা অবিরাম কথা বললেও আপনি বিরক্ত হবেন না। কারণ তারা যেকোনো বিষয়ে আলোচনা চালিয়ে যেতে পারে।কঠোর পরিশ্রমী:-সাংবাদিক হওয়া সহজ নয়। এটি কঠোর পরিশ্রম এবং নিঃশর্ত অধ্যবসায় দ্বারা ভারাক্রান্ত একটি জীবন। পিআর- এর সঙ্গে কাজ করা থেকে শুরু করে খবরের উৎসের পেছনে দৌড়ানো, কোনোটিই সহজ নয়। তারা ঠিক জানে যে কোনোকিছু সঠিকভাবে পেতে এবং কার্যকর করতে কী লাগে; এবং তাদের ব্যক্তিগত জীবনের ক্ষেত্রেও একই আচরণ আশা করে।আপনাকে স্পেস দেবে:-সাংবাদিকদের তুচ্ছ বিষয় নিয়ে মাথা ঘামানোর সময় নেই। তারা আপনাকে এক মিলিয়ন প্রশ্ন দিয়ে অতিষ্ঠ করবে না বা আপনি কীভাবে আপনার দিনের প্রতিটি মিনিট কাটিয়েছেন তা জানার দাবি করবে না। তারা আপনাকে স্পেস দেবে এবং বিনিময়ে একই আশা করবে।সৃজনশীল :-একজন সাংবাদিককে অবশ্যই সৃজনশীল হতে হয়। জ্ঞানপূর্ণ এবং আকর্ষক গল্পগুলো তারা পাঠকের সামনে উপস্থাপন করে যা কিনা নিউজরুমের সীমার বাইরেও প্রসারিত হয়। একজন সাংবাদিকের সঙ্গে প্রেম করার অন্যতম সুবিধা হলো সে আপনাকে সবচেয়ে স্নিগ্ধ উপায়ে মুগ্ধ করতে পারবে। এমনকী তার দেওয়া কষ্ট কিংবা অবহেলাও হবে একইরকম সৃজনশীল।ভালো শ্রোতা:-সাংবাদিকদের সবসময় মজার মজার গল্প থাকে। তারাও কিন্তু দারুণ শ্রোতা, তারা সত্যিকার অর্থে আপনার প্রতি আগ্রহ দেখাবে। তারা আপনার করা সামান্য ইঙ্গিতও ধরে ফেলতে পারদর্শী।মাল্টিটাস্কিং তাদের শক্তি:-অগণিত উত্স, সময়সীমা এবং ভীষণ চাপের পরিবেশে কাজ করা তাদের অন্যতম দক্ষতা। সাংবাদিকরা মাল্টিটাস্কিংয়ে বিশেষজ্ঞ। তারা তাদের কাজ এবং তাদের সম্পর্কের মধ্যে পুরোপুরি ভারসাম্য রাখতে পারে। তারা সারাদিনের পরিশ্রমের পরেও সঙ্গীকে ভালোবাসা এবং যত্ন দিতে পিছপা হয় না।সহায়ক:-সাংবাদিকরা প্রয়োজনে অন্যকে সাহায্য করার জন্য নিজের সামর্থ্যের বাইরেও যায়। এক্ষেত্রে অপরিচিত কেউ হলেও কোনো ব্যাপার না। তারা তাদের প্রচেষ্টায় কোনো ঘাটতি রাখে না। এটা বলাই যায় যে, সাংবাদিকদের হৃদয় বড় হয়।তারা শহরের সবচেয়ে ভালো জায়গাগুলো জানে:-অনেকে মনে করেন, সাংবাদিকেরা নিস্তেজ, অসামাজিক এবং আত্মপ্রেমেই মগ্ন থাকে। তবে বাস্তবতা বলছে ভিন্ন কথা। তারা শহরের সবচেয়ে আনন্দদায়ক পার্টিতে, সিনেমার প্রিমিয়ারে যেতে পারে; সেরা রেস্তোরাঁয় খাবার খেতে পারে। এমন মানুষের সঙ্গী হতে কে না চাইবে।টাকা তাদের কাছে মূখ্য নয়:-তাদের কাজের প্রতি অনুরাগই তাদের চালিত করে, অর্থ নয়। যদি এটি অর্থ তৈরির বিষয়ে হতো, তবে তারা এই পেশায় থাকতো না। তারা তাদের পরিশ্রমের হিসাবে ততটা উপার্জন নাও করতে পারে, তবে তারা সময়কে বিনামূল্যে উপভোগ করতে পারে।ফ্রি টিকিটের আনন্দ:-আপনার প্রিয় খেলা, কনসার্ট বা একটি শিল্প ইভেন্টে যোগ দিতে চান? আপনার ইচ্ছা হলেই তাকে জানান। কয়েকটি ফোনকলের মাধ্যমে কয়েক মিনিটের মধ্যেই টিকিট পেয়ে যাবেন।
সম্পাদক : মোঃ মোজাফফর হোসেন, বার্তা সম্পাদক শেখ নেছারুল ইসলাম
কপিরাইট © ২০২৬ আত্রাই বার্তা । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত