প্রিন্ট এর তারিখ : ১৭ মার্চ ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ২৮ ডিসেম্বর ২০২১
হলুদ রঙে সেজেছে খানসামার আবাদি জমি
শেখ নেছারুল ইসলাম ||
উত্তরের জেলা দিনাজপুর পিছিয়ে নেই কোনো দিক দিয়ে তাই হলুদের সমারোহে ছেঁয়ে গেছে খানসামার উপজেলার বিস্তৃর্ণ মাঠ। মৌ-মৌ গন্ধে ভরে উঠেছে চারদিক। বিস্তৃর্ণ মাঠে দু’চোখ যতদুর যায় ততদুর হলুদ আর হলুদ এবং সরিষা ফুলের ম-ম গন্ধে ভরে গেছে গ্রামের পর গ্রাম। তাতে ফসলের মাঠে ছড়াচ্ছে এক নান্দনিক আবহ। মাঠ ভরা এ হলুদ ফুলে স্বপ্ন বুনছে কৃষক।
সবজি হিসেবে খাওয়ার পাশাপাশি মশলা হিসেবে ব্যবহার হয় সরিষা। তবে শীতকালীন ফসল সরিষার ব্যবহার প্রধানত ভোজ্য তেল হিসেবে। গবাদি পশুর খাদ্য ও জমির সার হিসেবেও ব্যবহার হয় সরিষার খৈল। বহুবিধ ব্যবহার সুবিধার এই শস্য সরিষার আবাদে খরচ হয় নামমাত্র। আবহাওয়া ভাল থাকলে ফলনও বাম্পার হয়। বাজারে তুললে ভাল দামও পাওয়া যায়। তাই প্রতি বছরই বাড়ছে দিনাজপুরে সরিষার আবাদ।
আমন ও বোরো চাষের মাঝামাঝি সময়ে জমি ফেলে না রেখে সরিষার চাষ করে লাভবান হওয়ায় যায় বলে জানিয়েছেন চাষিরা। আমন কাটার পর জমিতে কোন রকম একটু চাষ দিয়ে মই টেনে বীজ ছিটিয়ে দিলে চারা গজায়। এরপর দুই একবার সেচ নিড়ানি দিলে সরিষার ভাল ফলন পাওয়া যায়। তেমন বেশি পরিচর্যা করা লাগে না।
দিনাজপুরের খানসামা উপজেলার কৃষকরা বলেছেন, সরিষার আবাদ বেশ লাভজনক। কারণ চাষাবাদ খরচ কম। তাছাড়া আবহাওয়া ভাল থাকলে রোগ বালাইও খুব বেশি হয় না। এবছর এখনও ঘন কুয়াশা পড়েনি। যে কারণে রোগ বালাইও তেমন হয়নি। আমন ফসল কাটার পর পরই আমরা সরিষা বুনেছি। এজন্য গাছে ফলও ধরেছে। ফলে প্রচুর ঠাণ্ডা ও শৈত্য প্রবাহের জন্য ঘন কুয়াশা পড়ে নষ্ট হওয়ারও আশংকা নেই। গত কয়েক বছর ধরে আমন ও বোরোর মধ্যবর্তী সময়ে যখন ফসলের মাঠ খালি থাকছে তখন সরিষা বুনে দিচ্ছি। বোনাস ফসল হিসেবে সরিষা বিক্রি করে লাভবান হচ্ছি।
সম্পাদক : মোঃ মোজাফফর হোসেন, বার্তা সম্পাদক শেখ নেছারুল ইসলাম
কপিরাইট © ২০২৬ আত্রাই বার্তা । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত